চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান পেলেন যারা

চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান পেলেন যারা
- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • ২৮ জুন ২০২০, ১৩:১৫,  আপডেট: ২৮ জুন ২০২০, ২২:০১

চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নের জন্য চলচ্চিত্র নির্মাণে ২০১৯-২০ অর্থবছরে অনুদান দিয়েছে সরকার। করোনাভাইরাস সংকটে চলচ্চিত্র শিল্পের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর অধিক সংখ্যক চলচ্চিত্রে অনুদান দেওয়ার কথা জানিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র ক্যাটাগরিতে এ অনুদান দেওয়া হবে। গত ২৫ জুন তথ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানবীয় মূল্যবোধসম্পন্ন জীবনমুখী, রুচিশীল ও শিল্পমান সমৃদ্ধ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি’র সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে অনুদান প্রাপ্তদের নামের তালিকা দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তিনটি, শিশুতোষ দুইটি ও সাধারণ শাখায় ১১টিসহ মোট ১৬টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে ৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে ‘টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা’ শিরোনামে চলচ্চিত্রের জন্য সর্বোচ্চ ৭০ লাখ টাকা অনুদান পাচ্ছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মুশফিকুর রহমান গুলজার; নির্মাণের সঙ্গে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনাও করবেন তিনি।

অন্যদিকে ‘কাজলরেখা’ শিরোনামে চলচ্চিত্রের পরিচালনা ও প্রযোজনার জন্য অনুদান পাচ্ছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘যোদ্ধা’র পরিচালনা ও প্রযোজনার জন্য অনুদান পাচ্ছেন এস এ হক অলিক। বদরুল আনাম সৌদ ‘শ্যামা কাব্য’ চলচ্চিত্রের পরিচালনা ও প্রযোজনার জন্য অনুদান পাচ্ছেন।

এ ছাড়া অনুদান তালিকায় রয়েছে- প্রদীপ ঘোষের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’, এম এন ইস্পাহানির প্রযোজনা ও ইস্পাহানি আরিফ জাহানের পরিচালনায় ‘হৃদিতা’, ফজলুল কবীর তুহিনের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘গাঙকুমারী’, অনুপম কুমার বড়ুয়ার প্রযোজনা ও সন্তোষ কুমার বিশ্বাসের পরিচালনায় ‘ছায়াবৃক্ষ’, রওশন আরা রোজিনার প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘ফিরে দেখা’, তাহেরা ফেরদৌস জেনিফারের প্রযোজনা ও মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের পরিচালনায় ‘আশীর্বাদ’, ইফতেখার আলমের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘লেখক’, আবদুল মমিন খানের প্রযোজনা ও মনজুরুল ইসলামের ‘বিলডাকিনী’।

পংকজ পালিতের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘একটি না বলা গল্প’, অনম বিশ্বাসের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘ফুটবল ৭১’। আমিনুল হাসান লিটুর প্রযোজনা ও আউয়াল রেজার পরিচালনায় ‘মেঘ রোদ্দুর খেলা’ ও নুরে আলমের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘রাসেলের জন্য অপেক্ষা’।

অনুদানপ্রাপ্ত ৯টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে- প্রবীর কুমার সরকারের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘আগন্তুক’, শরীফ রেজা মাহমুদের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান’, এবিএম নাজমুল হুদার প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘প্রথম রূপকথার বই’, সাজেদুল ইসলামের প্রযোজনা ও পরিচালনায় প্রামাণ্যচিত্র ‘পটুয়া’, দেবাশীষ দাশের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘মুকুলের জাদুর ঘোড়া’ (শিশুতোষ), ফাখরুল আরেফীন খানের প্রামাণ্যচিত্র ‘অবিনশ্বর’, সোহেল আহমেদ সিদ্দিকীর ‘ধূসর দিগন্ত’, মিতালি রায়ের ‘দূরে’ ও চৈতালি সমাদ্দারের ‘মরিয়ম’।

মানবকণ্ঠ/আরএস





ads






Loading...