ফ্যানদের ১০ লাখ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল

ফ্যানদের ১০ লাখ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৭ মে ২০২০, ১২:২৮

এবার নিজের ভক্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন এই অভিনেতা-প্রযোজক। ৫০০ জন ভক্তকে ১০ লাখ টাকা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

আগামী ২০ মে (২৬ রোজায়) অনন্ত তার যাকাত ফান্ড থেকে এই অর্থ প্রদান করবেন বলে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে। বিষয়টি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে অনন্ত জলিল বলেন, আমার ফ্যানদের জন্য সুখবর। ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে ২৬ রোজাতে। আজ (১৬ মে) আমি আমার ভক্তদের উদ্দেশ্যে একটি ভিডিও বার্তা দেবো। আমার যাকাত ফান্ড থেকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে ৫০০ জনকে।

বিস্তারিত জানতে ১৭ মে নিজের ফেসবুক পেজ এবং বর্ষার ফ্যান গ্রুপে যুক্ত হবার জন্য ভক্তদের অনুরোধ করেছেন এই ব্যবসায়ী অভিনেতা।

রোববার (১৭ মে) সকাল পর্যন্ত করোনায় বিশ্বব্যাপী নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ১৩ হাজার ২২০ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ লাখ ২০ হাজার ১৯৬ জন। অপরদিকে ১৮ লাখ ১১ হাজার ৬৭৪ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে এই মহামারি শুরু হলেও এখন ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক দিয়ে সবার ওপরে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৭ হাজার ৭৭৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৯০ হাজার ১১৩ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৩২ জন। এরপর আক্রান্তের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে স্পেন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৭৬ হাজার ৫০৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৫৬৩ জনের।

মৃত্যুর দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রিটেন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৪৬৬ জন, আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার ১৬১ জন। এছাড়া ইতালিতে নিহত হয়েছেন ৩১ হাজার ৭৬৩ জন।

এদিকে হঠাৎ করেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে গেছে রাশিয়ায়। আক্রান্তের দিক দিয়ে ব্রিটেন-ইতালিকে পেছনে ফেলে তৃতীয় অবস্থানে চলে এসেছে দেশটি। সেখানে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৭২ হাজার ৪৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৫৩৭ জনের।

এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩১৪ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৯৯৫ জন। সারা দেশে এখন আইসোলেশনে রয়েছেন ৩ হাজার ৪৬ জন।

করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নেয়া হয়েছে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। অধিকাংশ দেশেই মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে মানুষের চলাফেরার ওপর বিভিন্ন মাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। কোনো কোনো দেশে আরোপ করা হয়েছে সম্পূর্ণ লকডাউন, কোথাও কোথাও আংশিকভাবে চলছে মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম। এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধেক মানুষ চলাফেরার ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাত্রায় নিষেধাজ্ঞার ওপর পড়েছেন। তবে কোনো কোনো দেশে করোনার প্রভাব কমে যাওয়া লকডাউন শিথিল ও নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়া এবং তা মহামারি আকারে দ্রুত সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এরফলে বিশ্ব অর্থনীতিও ভয়াবহ ধসের মুখে পড়েছে।

মানবকণ্ঠ/আরবি




Loading...
ads






Loading...