কমেনি আলুর দাম


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৩ অক্টোবর ২০২০, ১৩:৫৫,  আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২০, ১৪:০৮

আলুর দাম সরকার দুই দফা নির্ধারণ করে দিলেও বাজারে সেই দাম এখনও অকার্যকর। সরকারের নির্ধারিত মূল্য ৩৫ টাকায় আলু বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও মূল্য নির্ধারণের আগের দাম ৫০ টাকা থেকে নেমে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আলু।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকাররা এখনও ৩৫/৩৬ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করছেন, খুচরায় কীভাবে ৩৫ টাকায় আলু বিক্রি হবে? প্রতি কেজিতে খরচ আছে আরও পাঁচ টাকা।

অন্যদিকে আড়তদাররা বলছেন, কোল্ড স্টোর থেকে সরকার নির্ধারিত দামে আলু ছাড়ছে না। সেখান থেকে নির্ধারিত মূল্যে আলু ছাড়লে আমরাও কম দামে ছাড়তে পারি।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর রাজধানীর শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, ফকিরাপুল, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি কলোনি বাজার, খিলগাঁও বাজার, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট, রামপুরা এবং মগবাজারে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা কেজি দরে।

খুচরা বাজারে সরকার নির্ধারতি মূল্যে আলু বিক্রি করা না হলেও সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে পাঁচ টাকা। এর আগের সপ্তাহে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলু ৫০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা কেজিতে।

আর কারওয়ান বাজার পাইকারি আড়তে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকার মধ্যে।

আলুর দাম নিয়ে খুচরা বিক্রেতারা দুষছেন আড়তদারদের। আড়ৎ ব্যবসায়ী মহল বলছে, তারা কমিশনে পণ্য বিক্রি করেন, হিমাগারে যা দাম রাখা হবে সেই দামেই বিক্রি করা হবে।

মালিবাগ বাজারের খুচরা বিক্রেতা আহম্মদ আলী বলেন, পাইকারি বাজারে আলুর দাম ৩৬-৩৭ টাকা রাখা হয়। পাইকারি থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত এক কেজি আলু নিয়ে আসতে পাঁচ টাকা খরচ অতিরিক্ত পড়ে যায়। এতে কীভাবে আমরা ৩৫ টাকায় বিক্রি করব? পাইকারি বাজারে দাম কমলে আমাদের এখানে দাম কমে আসবে।

কারওয়ান বাজারের আড়ত ব্যবসায়ী আফজাল বলেন, আমরা কমিশনে আলু বিক্রি করি। আলুর দাম বাড়াতে আমাদের হাত নেই, আমরা যে দামে পাব সেই দামে বিক্রি করব।

গত ১৪ অক্টোবর প্রতি কেজি আলুর দাম হিমাগারে ২৩ টাকা, পাইকারিতে ২৫ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি নিশ্চিত করতে সারা দেশের জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছিলো কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

যদিও সেই দামের প্রতিফলন বাজারে না হওয়ায় আবারও নতুন করে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) আলুর দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। বর্ধিত দামে আলু বিক্রি হওয়ার কথা ছিলো- হিমাগারে ২৭ টাকা, পাইকারিতে ৩০ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৩৫ টাকা করা হয়।






ads