এক ম্যাচ পরেই চেন্নাইয়ের ‘ইউটার্ন’


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৮ অক্টোবর ২০২০, ১৭:২৬

আইপিএলের ফাইনাল মানেই চেন্নাই সুপার কিংসের থাকাটা ‘অনিবার্য’। মহেন্দ্র সিং ধোনির ক্যারিশমাটিক নেতৃত্ব ও তারকা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে বরাবরই কাজটা করে এসেছে দলটি। কিন্তু চলতি আসরে যেন সেসব কিছুরই দেখা মিলছে না।

জয় দিয়ে আসর শুরু করার পর টানা তিন ম্যাচে হার জুটেছে কপালে। তবে কিংস এলেভেন পাঞ্জাবকে ১০ উইকেটের রাজকীয়ভাবে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছিল তারা। কিন্তু এক ম্যাচ না যেতেই কলকাতা নাইট রাইডার্সের ১০ রানের অবিশ্বাস্য হারে ইউটার্ন নিয়ে ফেলে দলটি।

কলকাতার দেয়া ১৬৮ রানের লক্ষ্যের জবাবে জয়ের একেবারেই দোরগোড়ায় ছিল ধোনির চেন্নাই। কিন্তু নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মধ্য দিয়ে জয়টা ছিনিয়ে নেয় কলকাতার বোলাররা শুরুতেই ব্যাট করতে নেমে চেন্নাইকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার শেন ওয়াটসন এবং ফাফ ডু প্লেসিস শুরটা দুর্দান্ত করে। ডু প্লেসিস দলীয় ৩০ রানে ফিরলেও অর্ধশতক তুলে নিয়ে চেন্নাইকে জয়ের পথেই রাখেন ওয়াটসন।

ম্যাচের ১৩তম ওভারে দলীয় ৯৯ রানে এসে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে চেন্নাইয়ের। টি-টোয়েন্টির যুগে ৪৭ বলে ৬৯ রান তোলাটা অকল্পনীয় কিছু না।

কিন্তু আম্বাতি রাইডু ও ওয়াটসনের ৬৯ রানের জুটি ভাঙার পরপরই ম্যাচের চালকের আসনে বসে যায় কলকাতা। এরপরের ওভারে ওয়াটসন (৫০), ১৭তম ওভারে ধোনি (১১) এবং ১৮তম ওভারে স্যাম কারান (১৭) ফিরলে জয়ের আশা তখনই শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ১৫৭ রান তোলে থামে তারা। কলকাতার হয়ে পাঁচটি উইকেট ভাগাভাগি করে নেন সুনিল নারিন, আন্দ্রে রাসেল, ভরুন চক্রবর্তী, কমলেশ নাগারকোটি ও শিভাম মাভি।

এর আগে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কলকাতার অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। এই ম্যাচে সুনিল নারিনের পরিবর্তে রাহুল ত্রিপাঠিকে নামিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে পরিবর্তন। আর সেটা খুব ভালোভাবেই কাজে লাগে ৫১ বলে ৮ চার ও ৩ ছয়ে ৮১ রান বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ত্রিপাঠি। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় সব উইকেট হারিয়ে ১৬৭র বেশি এগোতে পারেনি কলকাতা। চেন্নাইয়ের হয়ে তিনটি উইকেট নেন ডোয়াইন ব্র্যাভো আর দুটি করে উইকেট নেন স্যাম কারান, শারদুল ঠাকুর ও কারান শর্মা।



poisha bazar

ads
ads