‘মাঠে অনুশীলনের অনুভূতি আলাদা’


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৫ জুন ২০২০, ১৮:২৭

টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের নতুন ‘ওয়াল’ চেতেশ্বর পুজারা। এক সময় রাহুল দ্রাবিড় যে নামে খ্যাত ছিলেন, পুজারা এখন সেই উপাধির ধারক। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে তার ধৈর্য, উইকেট কামড়ে সেশনের পর সেশন পড়ে থাকা মুগ্ধ করে ক্রিকেটপ্রেমীদের। সমালোচকরাও মন্ত্রমুগ্ধ তার ব্যাটিংশৈলী দেখে। লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন বাকিদের মতো মাঠে নামা হচ্ছে না পুজারারও। ভারতে লকডাউন কিছুটা শিথিল হওয়ার পর ব্যাট হাতে সম্প্রতি নিজেকে ঝালাইয়ে নেমেছেন এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

করোনার মধ্যেই অনুশীলনে ফেরা নিয়ে সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে পুজারা বলেন, ‘একটা সময়ে তো ব্যাট হাতে নিতেই হতো। মাঠে গিয়ে অনুশীলন করলে হয় কী, আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়া যায়। বাইরের পরিবেশ-পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। আমাদের তো অনেক দিনই ঘরে আটকে থাকতে হলো। এখন আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়াটা খুব জরুরি। যদিও হাতে অনেক সময় আছে। আমি তো আগামী দু-তিন মাসে কোনো সিরিজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি না। তাই এখন ধীরে চলো নীতিই ঠিক আছে।’

তিন মাস আগে সৌরাষ্ট্রকে রঞ্জি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন করতে সামনে থেকে ভূমিকা রাখেন পুজারা। বাংলাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় তার দল সৌরাষ্ট্র। লঙ্গার ভার্সন ক্রিকেটেই মূলত পুজারাকে বেশি খেলতে দেখা যায়। সেই ফরম্যাটেই স্বাচ্ছন্দ্য তার। আইপিএলে দল পান না তিনি। দেশের হয়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটেও সুযোগ পান না পুজারার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে হলে পুজারাকে তাই সম্ভবত অপেক্ষা করতে হবে নভেম্বরের অস্ট্রেলিয়া সফর পর্যন্ত।

দীর্ঘদিন প্রতিযোগিতামূলক খেলার বাইরে থাকলেও পুজারা মনে করেন, শক্ত মানসিকতাই লকডাউনের কঠিন সময় পার করতে তাকে সাহায্য করেছে। লকডাউনে যাওয়ার আগে শেষ দুই টেস্ট সিরিজ ভালো কাটেনি এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের। বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ছয় ইনিংসে তার উইলো থেকে আসে ১৯৯ রান। সর্বোচ্চ ৫৫ রান। যা তার নামের পাশে মোটেও মানানসই নয়। পুজারাও যা মানেন।

তাই তো খেলা ফিরলে আরো শক্তিশালী হয়ে মাঠে নামার প্রতিজ্ঞা এই ব্যাটসম্যানের, ‘আপনি যদি মানসিকভাবে খুব শক্তপোক্ত হন, তা হলে এ রকম লম্বা বিশ্রামের সময়েও ঠিক থাকতে পারবেন। আমার ক্ষেত্রে বলব, টেস্ট ম্যাচ তো আর সব সময় হয় না। তাই আমাকে ঘরোয়া ক্রিকেটই খেলতে হয়। আমার পক্ষে ক্রিকেট থেকে এই ধরনের বিশ্রামটা বড় ব্যাপার নয়। শুধু এতটুকু বলব, আমি ফ্রেশ থেকেই মাঠে ফিরব। তাতে রানের খিদেটাও বেড়ে যাবে। মানসিক চ্যালেঞ্জটা আমার কাছে বড় ব্যাপার নয়।’

সৌরাষ্ট্রের কয়েক ক্রিকেটারের সঙ্গে নিজের অ্যাকাডেমিতে অনুশীলন শুরু করেছেন পুজারা। এই মুহূর্তে প্রতিদিন পুজারা আধ ঘণ্টা করে সপ্তাহে তিন দিন ব্যাটিং অনুশীলন করছেন। সামনে নেট প্র্যাক্টিসের সময়ও বাড়াবেন। পুজারা বললেন, ‘মাঠে নেমে অনুশীলন করতে পারার অনুভূতিটাই আলাদা। দলের সঙ্গে ট্রেনিং করার মতো ব্যাপারটা নয় ঠিকই, কিন্তু ফিরে আসার রাস্তায় তো নেমেছি।’

মানবকণ্ঠ/এফএইচ





ads






Loading...