পাকিস্তানিদের ‘জন্তু’ বলেছিলেন গিবস!

পাকিস্তানিদের ‘জন্তু’ বলেছিলেন গিবস!
পাকিস্তানিদের ‘জন্তু’ বলেছিলেন গিবস! - ফাইল ছবি।

poisha bazar

  • মানবকণ্ঠ ডেস্ক
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২০, ১৬:১৮

ক্রিকেট ক্যারিয়ারে সবসময় যারা বিতর্ককে সঙ্গ করে পথ চলেছেন তাদের একজন সাবেক প্রোটিয়া ক্রিকেটার হার্শেল গিবস। শুধু ক্যারিয়ারজুড়ে নয়, ক্রিকেট ছাড়ার পরও এ দোষ ত্যাগ করতে পারেননি তিনি। এবারের বঙ্গবন্ধু বিপিএলেও তিনি বিষবাণ ছুড়েছিলেন লোকাল ক্রিকেটারদের লক্ষ্য করে।

সিলেট থান্ডার্সের কোচ দলের ব্যর্থতার কারণ হিসেবে অভিযোগ করেন, দলটির অনেক দেশীয় ক্রিকেটাররা নাকি তার ইংলিশই বোঝেন না। যা নিয়ে সৃষ্টি হয় তুমুল বিতর্ক।

বিপিএল শেষে দেশে ফিরেছেন তিনি। তবে আলোচনায় যেন না এলেই নয়। সম্প্রতি ২০০৭ সালের বিতর্কিত এক ঘটনা খোলাসা করে ফের আলোচনায় তিনি। সেঞ্চুরিয়ানে ২০০৭ সালে ঘরের মাঠে প্রথম টেস্টে বর্ণবাদী গালি দেয়ায় দুই টেস্টের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন গিবস। যদিও পরে তিনি নিষিদ্ধ হন একটি করে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্য।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরিয়ান গিবস গালি ছোড়ে ছিল পাকিস্তানি সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে। মঙ্গলবার টুইটারে গিবসের পুরনো সেই ঘটনারই বিস্তারিত জানতে চেয়ে বসে তার এক অনুসরণকারী। তার কাছে নির্দিষ্ট করেই জানতে চাওয়া হয়েছিল, সেদিন কী বলেছিলেন গিবস? সাবেক প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান জবাবে লিখেছেন, ‘কিছু উচ্ছৃঙ্খল পাকিস্তানি সমর্থককে জন্তু বলেছিলাম। কারণ ওরা আমার ছেলে ও তার মাকে গ্যালারির আসন ছেড়ে উঠে যেতে বাধ্য করেছিল।’

গিবসের এই বর্ণবাদী আচরণের পর তাকে দুই টেস্টের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল আইসিসি। গিবস নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করেছিল, তবে আইসিসি নাকচ করে দেয় তা। আইসিসির স্টাম্প মাইক্রোফোন পরীক্ষায় ধরা পড়ে যে, গিবস বলছেন তারা (পাকিস্তানি সমর্থকরা), ‘আস্ত জন্তুর’ মতো আচরণ করছে।

প্রোটিয়াদের হয়ে ৯০টি টেস্ট, ২৪৮টি ওয়ানডে খেলা গিবস অবশ্য আগেও সেই ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ খুলেছিলেন। নিজের আত্মজীবনী টু দ্য পয়েন্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘তখন পাকিস্তানি ভক্তদের বিশৃঙ্খল আচরণে ?পুরো দক্ষিণ আফ্রিকা দলই বিরক্ত হয়েছিল।

আরো লেখেন, তারা খুবই চেঁচাচ্ছিল। এমনকি তার ছেলে রাশার্ড ও স্ত্রী লিজেলকে গ্যালারি থেকে উঠিয়ে দেয়, এমনকি রাশার্ডকে তারা লাথি পর্যন্ত মেরেছিল। আমরা সবাই তখন খুবই বিরক্ত হয়েছিলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে স্টাম্প মাইক্রোফোনে আমাদের অসন্তোষটা ধরা পড়ে।’

বইতেই তিনি লিখেছেন এই ঘটনায় তাকে যে বর্ণবাদী বলা হলো, এটি তিনি কোনোভাবেই মানতে পারেন না, ‘আমাকে আপনারা অনেক কিছুই বলতে পারেন, তবে বর্ণবাদী বলাটা বাড়াবাড়ি। আর বিষয়টি যখন মুসলিমদের নিয়ে ঘটেছে।

ঈশ্বরের দোহাই, আমি মিশ্র বর্ণের। আমার চারজন আন্টি মুসলিম এবং ১০ জন কাজিন আছে যারা মুসলিম। তাহলে আমি কীভাবে বর্ণবাদী হলাম?’

মানবকণ্ঠ/এআইএস





ads






Loading...