সেরা না হওয়াটাই হবে বাংলাদেশের ব্যর্থতা

মানবকণ্ঠ
ছবি - সংগৃহীত।

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:০৮

ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়ানোর পরই দক্ষিণ এশিয়ান (এসএ) গেমসের গ্রুপিং ও সূচিতে আসে পরিবর্তন। আগে ছয় দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলার কথা থাকলেও, পরে আয়োজকরা পাঁচ দলের জন্য চালু করে রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতি। যে কারণে সূচিতে আসে আমূল পরিবর্তন। বাংলাদেশের খেলা পড়ে পাঁচ দিনে ৪টি। বলাই বাহুল্য, ক্লান্তি ঝেড়ে সতেজ হয়ে প্রত্যেকটি ম্যাচে নামা বড় কঠিন হয়ে গেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের জন্য। তবে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার সত্যজিৎ দাস রুপুর কথা একটাই- এসএ গেমসে সেরা না হয়ে দেশে ফেরাটা দলের জন্য ব্যর্থতা বলেই গণ্য হবে। নতুন সূচি ঘোষণার পরপর তিনি একই কথাই জানিয়েছিলেন।

নেপালের কাঠমান্ডু-পোখারায় আজ শুরু হবে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় এ ক্রীড়া আসর। পরের দিন মাঠে ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফুটবলের লড়াই শুরু বাংলাদেশের। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নেপালের উচ্চতা, ডিসেম্বরের ঠাণ্ডা এই সব বিরূপ পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেয়াও আরেকটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে জামাল-ইয়াসিনদের জন্য। তবে সব বাধা পেরিয়ে ২০১০ সালের পর এই ইভেন্টে সোনালি হাসি হাসার অপেক্ষায় দল। ১৯৯৯ সালে ফুটবলে ছেলেরা প্রথম সোনা জয়ের পর ২০১০ সালে দ্বিতীয় ও সর্বশেষ বার সেরা হয়েছিল।

জাতীয় দলের সাবেক ডিফেন্ডার ও বর্তমান দলের টিম ম্যানেজার রুপু তাই সেরা হওয়ার বার্তা দিচ্ছেন উত্তরসূরিদের, ‘দেশে প্রস্তুতি নেয়ার যে কথা ছিল, সেটা হয়নি বলে এখানে তার কোনো প্রভাব পড়বে না। সবাই ক্লাবে খেলার মধ্যে ছিল। এখানে জিমনেশিয়ান, সুইমিংপুল এগুলো না পাওয়া কোনো সমস্যা নয়। পাঁচ দিনের মধ্যে চারটা ম্যাচ খেলতে হবে খেলোয়াড়দেরকে। এর মধ্যে কখন জিমনেশিয়ামে যাবে, কখন সুইমিং পুলে যাবে, কখন রিকোভারি করবে? এগুলো কোনো বিষয় নয়। অজুহাত হতে পারে না। আমাদের খুবই ভালো সুযোগ আছে (সেরা হওয়ার)। সেটা যদি না পারি, তাহলে আমরা ব্যর্থ বলে গণ্য হব।’

মানবকণ্ঠ/জেএস




Loading...
ads





Loading...