জাতীয় লিগে খুলনার ইতিহাস

মানবকণ্ঠ
জাতীয় লিগে খুলনার ইতিহাস - মানবকণ্ঠ।

poisha bazar

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২০ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৪১

জাতীয় লিগের (এনসিএল) এবারের আসরের পঞ্চম রাউন্ডেই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল, চ্যাম্পিয়ন হতে চলেছে খুলনা বিভাগ। বাকি ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা। যেটা গতকাল সেরে ফেলল দলটি। এনসিএলের শেষ রাউন্ডের শেষ দিনে ঢাকা বিভাগকে হারিয়ে রেকর্ড সপ্তমবারের মতো ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদার আসরের শিরোপা ঘরে তুলল খুলনা বিভাগ। পেছনে ফেলল রাজশাহী বিভাগকে। এতদিন যৌথভাবে সর্বোচ্চবার (৬) জাতীয় লিগের শিরোপা জয়ের কীর্তি ছিল দল দুটির।

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ইনিংসে জয়ের জন্য মাত্র ১১৭ রান প্রয়োজন ছিল স্বাগতিকদের। দলীয় ৩ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২ রানে রবিউল ইসলাম রবি আউট হলেও খুলনাকে আর বিপদে পড়তে দেননি এনামুল হক বিজয় ও অমিত মজুমদার। তারা দুজনে অপরাজিত থেকে খুলনাকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েই মাঠ ছাড়েন। এনামুল হক অপরাজিত ছিলেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৯ রানে, অমিতের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান।

এর আগে মাত্র ২ রানে এগিয়ে শেষদিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে ঢাকা। স্কোরবোর্ডে ২১৬ রান তুলতেই সব ক’টি উইকেট হারায় তারা। মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন রাকিবুল হাসান। খুলনার হয়ে জিয়াউর রহমান নেন ৫ উইকেট। ম্যাচসেরা হয়েছেন প্রথম ইনিংসে ১৫০ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলা খুলনা অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে, এবারের এনসিএলে ছয় রাউন্ডের তিনটিতেই জিতেছে খুলনা বিভাগ। হারেনি একটিতেও। দলটি ড্র করে বাকি তিন ম্যাচে। অথচ প্রথম স্তরের বাকি তিন প্রতিপক্ষ জিতেছে সর্বোচ্চ একটি করে ম্যাচ। চ্যাম্পিয়ন খুলনার পয়েন্ট যেখানে ৩৯.৮১, সেখানে রানার্সআপ ঢাকার ২৪.৩৯। এতেই বোঝা যায়, পুরো প্রতিযোগিতা জুড়ে কতটা আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বাধীন দলটি। যদিও শেষ রাউন্ডে দলের হয়ে খেলেননি তিনি।

এদিকে দ্বিতীয় স্তরের চ্যাম্পিয়ন দল সিলেট বিভাগেরও এবারের আসরে জয় আছে তিনটি করে। তবে তারা হেরেছিল দুই ম্যাচে, অমীমাংসিত ছিল একটি। ৩৬.০৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্তরের শীর্ষে থাকায় সিলেট আগামী আসরে খেলবে প্রথম স্তরে। অন্যদিকে প্রথম স্তরের পয়েন্ট তালিকায় সবার নিচে থাকায় অবনমন ঘটল রাজশাহীর।

মানবকণ্ঠ/এইচকে




Loading...
ads





Loading...