জেল থেকে বেরিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি আব্বাসের শ্রদ্ধা


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৩:০০

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তির মামলায় কারাগারে গিয়েছিলেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বরখাস্ত হওয়া মেয়র আব্বাস আলী। তিনি ১১ মাসের বেশি সময় হাজতবাসের পর আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর জেল থেকে বেরিয়েই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

এর আগে সকালে রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় সাবেক মেয়র আব্বাস আলীর জামিন মঞ্জুর করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কারাগার থেকে বের হয়ে সন্ধ্যায় কিছু অনুসারীকে নিয়ে নগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আব্বাস। পরে নগরীর কাদিরগঞ্জে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধীতে যান এবং সেখানেও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

আব্বাস বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা দুটি মামলার মধ্যে একটির বাদী রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর আবদুল মমিন। গত বছরের নভেম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তির অডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানায় এই মামলা করেন তিনি।

অপর মামলার বাদী কাটাখালী পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক জনি ইসলাম। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে কটূক্তির অভিযোগে কাটাখালী থানায় ওই মামলা করেন তিনি। আব্বাস গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছিল। ওই মামলায় আগেই জামিন পেয়েছেন তিনি। আব্বাসের বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা ছিল। সবকটিতেই জামিন পেয়েছেন তিনি।

কাটাখালীতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে আপত্তিকর কথা বলার অডিও ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। একটি ঘরোয়া বৈঠকে আলাপচারিতার ওই অডিও ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আব্বাস আলী আত্মগোপন করেন। পরে ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রথমে তাকে  সাময়িক এবং পরে স্থায়ীভাবে মেয়রের পদ থেকে বরখাস্ত করে। পরপর দুবার নৌকা প্রতীক নিয়ে পৌরসভার মেয়র হওয়া আব্বাস ওই ঘটনার পর আওয়ামী লীগের দলীয় পদও হারিয়েছেন।

মানবকণ্ঠ/এআই


poisha bazar