নাগেশ্বরীতে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ


  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১৬ আগস্ট ২০২২, ১৬:৪২

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম শেখের বিরুদ্ধে নানা বিষয়ে অপবাদ ও অপপ্রচার করে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর প্রতিবাদে অভিযুক্ত আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানববন্ধন এলাকাবাসী করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের ধরকারকুটি গ্রামের মকবুক হোসেনের ছেলে আব্দুর রহিম শেখ রংপুর হেল্প হসপিটালের ভাইস চেয়ারম্যান এবং দীর্ঘ ২০ বছর থেকে নাওডাঙ্গা, ধরকা ও নিমকুশ্যা বিলে মাছ চাষ, ঠিকাদারী, গরুর খামার, স্টক বিজনেস এবং নাগেশ্বরী কলেজমোড়ে জিসান ট্রেডার্সে ব্যবসা করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করাসহ ১৪ বছর থেকে সরকারকে আয়কর দিয়ে আসছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়ী উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ও সীমান্তবর্তী বেড়াকুটি বাজারের মৃত আনছার আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ হলে আব্দুর রহিম শেখের সহযোগিতায় রংপুর হেল্প হসপিটালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন।

এ সময় পরিচয় হয় দুজনের। গেলো পনেরো দিন আগে আমিনুল ইসলাম ক্ষমতাশীন দলের দাপট ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম শেখের নিকট ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। রহিম শেখ চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত এক সপ্তাহ ধরে আমিনুল ইসলাম বিভিন্ন মিডিয়া কর্মীদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম শেখের বিরুদ্ধে ক্যাসিনোসহ নানা বিষয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ করেন। এর প্রতিবাদে অভিযুক্ত আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

মানববন্ধনে স্থানীয় আব্দুর রাজ্জাক, নাজমুল হক, ইসমাইল হোসেন, শামীম, আব্দুল হক, দুলাল জানান, আব্দুর রহিম শেখ রংপুর হেল্প হসপিটালের ভাইস চেয়ারম্যান এবং দীর্ঘদিন থেকে নাওডাঙ্গা, ধরকা ও নিমকুশ্যা বিলে মাছ চাষ, ঠিকাদারী, গরুর খামার, স্টক বিজনেস এবং নাগেশ্বরী কলেজ মোড়ে জিসান ট্রেডার্স নামে ব্যবসা করে আসছেন। এতে করে এলাকার শতাধিক দরিদ্র পরিবার তার প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছে। সবসময়ই মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকেন।

ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম শেখ বলেন, আমিনুল ইসলাম অসুস্থ হলে আমার সহযোগিতায় রংপুর হেল্প হসপিটালের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন। পরে আমি জানতে পারি সে বিভিন্ন অবৈধকাজে জড়িত। এরপর সে সুযোগ বুঝে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ টাকা না দেয়ায় নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছে। আমি প্রশাসনের নিকট এর ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছি।

মানবকণ্ঠ/এমআই


poisha bazar