জামালগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই


  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১২ আগস্ট ২০২২, ১৮:৩৭

জামালগঞ্জে বন্যায় আউশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। বন্যার ক্ষতি পোষাতে ঘুড়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বারবার হোচট খাচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। প্রথম দফায় বীজতলা করার পর বানের পানিতে তলিয়ে গেছে বীজতলা। নিজের পরিবারের আগাম খাদ্য সংকট ভেবে কৃষকরা এখন দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। ফলে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তারা।

দ্বিতীয় দফায় চারা রোপণ করেছেন কৃষকরা। যদিও দুইবার রোপণ করা খরচের ক্ষতি তুলতে পারবে না, তবু জমি অনাবাদি রাখতে চান না তারা। রোপা-আউশ বোনা আমন ধানের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বাড়ির উঠান ও উঁচু জায়গায় তৈরি করছেন বীজতলা। জমি থেকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকরা চারা রোপণ করছেন।

উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, জমি থেকে পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় জমি প্রস্তুত করে চারা রোপণ করছেন কৃষক।

কৃষক সাইদুর রহমান বলেন, জানি না কি পাপ করছি। আগাম পানিতে হাওর ডুবে পানি আসায় কোন রকমে কিছু ধান তুলতে পেরেছি। আউশের বীজ করার পর আবার বন্যায় ভেসে গেছে। এখন আবার জমিতে ধান রোপণ করছি। জানি আল্লাহ কপালে কি রাখছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ২৫ হেক্টর জমিতে আউশ ধান রোপণ করা হয়েছিল। এরই মধ্যে সব জমি বন্যায় তলিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের কৃষকদের তালিকা তৈরি করে তাদের পুনর্বাসনের জন্য এক হাজার কৃষককে ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা যাতে কৃষি ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারে সে জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/এমআই


poisha bazar