আক্কেলপুরে রাব্বি, রাফি এবং সালেহ ছাড়া মিলেনা ট্রেনের টিকেট


  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ০৮ আগস্ট ২০২২, ২২:০৮

দেশের অধিকাংশ মানুষই ট্রেনে ভ্রমণ করতে ভালোবাসেন। অনেকেই আবার বাসে চলাচল করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না, তাদের জন্য একমাত্র অবলম্বন হলো ট্রেন। তবে স্বস্তির পরিবহনে অস্বস্তির বিষয় হলো ট্রেনে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও সমস্যায় পড়তে হয় টিকিট নিয়ে।

দেশে অনলাইনে টিকিট সেবা চালু থাকলেও দেশের প্রান্তিক মানুষের প্রযুক্তি সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় ই-টিকিট সেবা গ্রহণ করতে পারেনা। তার ওপর আবার অনলাইন সার্ভার ডাউন, অনেক চেষ্টার পরও টিকিট কিনতে ব্যর্থ হতে হয়। ফলে সরাসরি টিকিট গ্রহণ করতে হয়।

কিন্তু সরাসরি টিকিট না পাওয়ার কালোবাজারি করতে দেখা যায় জয়পুরহাটের আক্কেলপুর রেল ষ্টেশনের চৌধুরী টেলিকমের মালিক রাব্বি চৌধুরী (৩৮), তার ভাই রাফি চৌধুরী (৩০) এবং নূপুর টেলিকম ও নাবিল ডিপার্টমেন্টাল কর্নারের মালিক আবু সালেহ (৩৫) সহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন।

আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশনের প্লাটফর্মেই তারা সংঘবদ্ধভাবে এই টিকিট কালোবাজারি করে। ন্যায্যমূল্যের চেয়ে ২৫০-৩০০ টাকায় বেশি বিক্রি করছে তারা। নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর তাগিদে অনেকেই অধিক দামে টিকিট কিনতে বাধ্য হয়।

খায়রুল নামে ঢাকাগামী এক যাত্রী বলেন, ন্যায্যমূল্যের চাইতে একটি টিকিটে তার থেকে ৩২৫ টাকা বেশি নিয়েছে নূপুর টেলিকম ও নাবিল ডিপার্টমেন্টাল কর্নারের মালিক আবু সালেহ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকাগামী দুই যাত্রী বলেন, তাদের থেকে দুটি টিকিটে ৬৫০ টাকা বেশি নিয়েছেন চৌধুরী টেলিকমের মালিক রাব্বি চৌধুরী। প্রতিবাদ করলে, বিভিন্ন হুমকি দিতে থাকে এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।

আক্কেলপুরে সবসময়ই এমন ঘটনা হচ্ছে। সাধারণ যাত্রীরা এসব হয়রানি থেকে মুক্তি চায়। কোনো কোনো সময় যাত্রীরা বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ টাকা দিয়ে টিকিট ক্রয় করেন। কিন্তু সবার পক্ষে কালোবাজারি থেকে এমন টিকিট কেনা সম্ভব হয় না।

এ বিষয়ে আক্কেলপুর স্টেশন মাস্টার মো. হাসিবুল হাসান বলেন, আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মৌখিকভাবে একাধিক বার জানিয়েও কোনো কাজে আসেনি।

আক্কেলপুর নির্বাহী অফিসার এসএম হাবিবুল হাসান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

 

মানবকণ্ঠ/পিবি


poisha bazar