শরণখোলা-মোরেলগঞ্জে লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ট


  • উপজেলা প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকন্ঠ
  • ০৬ আগস্ট ২০২২, ১৯:৪৯

জ্বালানী সাশ্রয়ে সরকার ঘোষিত সিডিউল মাফিক লোডশেডিংয়ে চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছে শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জবাসী। প্রতিদিন ২৪ ঘন্টার বিভিন্ন সময় ১৬ থেকে ১৭ ঘন্টাই লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে। এরমধ্যে দিনে ৪/৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ দেয়া হলেও রাতে দেয়া হয় এক থেকে দুই ঘন্টা। ফলে তীব্র গরমে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠছে।

অন্যদিকে, বরফকলগুলোতে বরফ জমতে না পারায় সাগরে যেতে পারছে না ফিসিং ট্রলারগুলো। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মৎস্য ব্যবসায়ী ও মহাজনরা।

জানা গেছে, বাগেরহাট জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে গড় হিসাবে বাগেরহাট সদরে ২ ঘন্টা, মোংলায় ১ ঘন্টা, রামপালে ২ ঘন্টা, ফকিরহাটে ৩ ঘন্টা, মোল্লাহাটে ৩ ঘন্টা, চিতলমারিতে ২ ঘন্টা, কচুয়ায় ৩ ঘন্টা। কিন্তু শরণখোলা ও মোরেলগজ্ঞ উপজেলায় গড়ে ১৭ ঘন্টা লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে।

লোডশেডিংয়ে এমন চরম বৈষম্যে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুতের লোডশেডিং দেয়ার দাবি জানান তারা।

শরণখোলার সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, জ্বালানী সাশ্রয়ে সরকারের দেয়া সিদ্ধান্তকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই। কিন্তু বৈষম্যমূলক লোডশেডিং করায় মনে হচ্ছে সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করছে বিদ্যুৎ বিভাগের কতিপয় কর্মকর্তা।

রায়েন্দা হাট বাজার ব্যাবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবুল বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী রাত ৮টার মধ্যে আমরা দোকান বন্ধ করি। কিন্তু এরপর সারারাত বিদ্যুৎ না থাকার কারনে গরমে কেউ ঘুমাতে পারে না। যার কারণে দিনেও ব্যাবসায়ীরা ঠিক মতো দোকান চালাতে পারছে না।


poisha bazar