মণিরামপুরে বিষ প্রয়োগে ৬ লাখ টাকার চিংড়ি রেনু নষ্ট


  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১৪ মে ২০২২, ১২:২৮

যশোরের মণিরামপুরে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ৬ লাখ টাকার চিংড়ি মাছের রেনু নষ্ট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কপালিয়া গ্রামে। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

জানা যায়, কপালিয়া গ্রামের রাজবংশী পাড়ার মৃত সন্তোষ বিশ্বাসের ছেলে সুণিল বিশ্বাস আড়াই বিঘা ও অরবিন্দুর বিশ্বাসের ছেলে প্রদীপ বিশ্বাস দেড় বিঘা জমির উপর পাশাপাশি দুটি ঘের তৈরি করে চিংড়ি মাছের চাষ করেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কে বা কারা শত্রুতা করে তাদের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে। এতে দুটি ঘেরে প্রায় ৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকার চিংড়ি মাছের রেনু মারা যায়।

সুণিল বিশ্বাস জানান, তার ঘেরে চলতি মাসের ৫ তারিখে ৯০ হাজার এবং ১০ তারিখে ২লাখ ৬০ হাজার টাকার রেনু ছাড়েন। পার্শ্ববর্তী কাটাখালি গ্রামের মিলন ও নেহালপুর গ্রামের হালিমের কাছ থেকে তিনি ওই চিংড়ি মাছের রেনু কিনে ঘেরে ছাড়েন। ঘেরে অল্পকিছু সাদা মাছ ছিলো। বৃহস্পতিবার বেলা ১০ টার দিকে সুণীলের স্ত্রী অপেরা বিশ্বাস ঘেরে খাবার দিতে যান। তখন ওই সাদা মাছগুলো পানিতে ভেসে থাকতে দেখে তার সন্দেহ হয়। এসময় সুণিল বাড়িতে ছিলেন না। বুধবার সে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখান থেকে সংবাদ পেয়ে বাড়িতে এসে ঘেরে বিষ প্রয়োগের বিষয়টি নিশ্চিৎ হন। তার দাবি বাড়িতে না থাকার সুযোগে কেউ এমনটি করেছে। প্রতিবেশি প্রদীপ বিশ্বাসের দাবি যে বা যারা সুণিলের ঘেরে বিষ দিয়েছে প্রদীপের ঘেরেও তারাই বিষ দিয়েছে। এতে তার প্রায় ৩ লাখ ৫ হাজার টাকার চিংড়ি মাছের রেনু মারা গেছে। গত ১৫ দিন পূর্বে তিনি ঘেরে রেনু ছাড়েন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শংকর মন্ডল ঘেরে বিষ প্রয়োগের বিষয়টি নিশ্চিৎ করে বলেন, সুণীল বা প্রদীপের এমন কোন শত্রু দেখিনা যে তারা বিষ প্রয়োগ করবে। মনোহরপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি তপন মন্ডল বলেন, বিষটি নিয়ে এলাকার সকল মৎসচাষীরা উদ্বিগ্ন। এর একটা সুষ্ঠু বিচার না হলে দুষ্কৃতিকারীরা আরও সাহস পেয়ে যাবে।

মণিরামপুর থানার ওসি (সার্বিক) নূর ই আলম সিদ্দিকী অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 

মানবকণ্ঠ/এআই


poisha bazar


ads