ঠাকুরগাঁওয়ে কালো সোনা চাষে কৃষকের মুখে হাসি


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১২ মে ২০২২, ১৯:০১

ফুলের বাগান কিংবা নকশী কাঁথার মাঠ নয়, এটি দিগন্তজোড়া পেঁয়াজ বীজ ক্ষেত। মাঠ জুড়ে বাতাসে দোল খাচ্ছে সাদা রংয়ের পেঁয়াজের ফুল। এমন দৃশ্য ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায়। এ দৃশ্য দেখে উচ্ছ্বসিত কৃষকরাও। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সাদা ফুলের মাঝেই লুকিয়ে আছে পেঁয়াজের বীজ যা কালো সোনা নামে পরিচিত। জেলায় প্রতিবছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন।

জেলার মাটি ও আবহাওয়া পেঁয়াজের বীজ উৎপাদনের জন্য উপযোগী হওয়ায় এ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে জেলার কৃষকরা। বীজ উৎকৃষ্টমানের হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়। উপকারী পোকা কমে যাওয়ায় হাতের স্পর্শেই কৃত্রিমভাবে পরাগায়ন ঘটাচ্ছে কৃষকরা। এতে সুফলও পাচ্ছে তারা। দেশে পেঁয়াজের ঘাড়তি মেটাতে ও দাম বেশি হওয়ায় পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকছে কৃষকেরা।

গড়েয়া ইউনিয়নের কৃষক ফজলু জানান, পেঁয়াজের চাহিদা বাড়ায় তারা পেঁয়াজের বীজ চাষ শুরু করেছে। তার বীজ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাচ্ছে। এতে তারা লাভবান হচ্ছে। কথা হয় শ্রমিক মাজেদা বেগম ও ফুল মতির সাথে তারা জানা যেহেতু উপকারী পোকা কমে গেছে তাই তারা প্রতিদিন দল বেধে হাত দিয়েই কৃত্রিম পরাগায়ন করে।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু হোসেন জানান, দেশে পেঁয়াজের ঘাটতি মেটানোর জন্য ভালোমানের পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

এ বছর জেলায় ৩৫ হেক্টর জমিতে প্রায় ২১ মেট্রিকটন পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের আশা কৃষি বিভাগের। এ পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের মাধ্যমে সারাদেশে পেঁয়াজের যে ঘাড়তি রয়েছে সে ঘাড়তি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


poisha bazar


ads