মামুনুল হকের সমর্থকদের হামলায় আ. লীগ নেতার মৃত্যু


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৭ এপ্রিল ২০২১, ১৪:০০,  আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২১, ১৪:০৫

হেফজতে ইসলাম নেতা মামুনুল হকের সমর্থকদের হামলায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় আহত আওয়ামী লীগ নেতা মো. মুহিবুল্লাহ মারা গেছেন।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম পার্কভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এটিএম রেজাউল করিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডা. এটিএম রেজাউল করিম বলেন, গত সোমবার চট্টগ্রামের নিউরোসার্জন অধ্যাপক ডা. কামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে দীর্ঘ সাড়ে চারঘণ্টা মুহিবুল্লাহর অস্ত্রোপচার করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। এরপর স্ট্রোক করলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

মুহিবুল্লাহ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে সন্তান রেখে গেছেন।

আওয়ামী লীগের এই নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩ এপ্রিল) হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের একটি রিসোর্টে নারীসহ অবরুদ্ধের প্রতিবাদে ওই রাতে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল বের করে হেফাজত ইসলাম ও বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ মিছিল থেকে হামলা চালালে আওয়ামী লীগ নেতা মুহিবুল্লাহসহ তিন জন গুরুতর আহত হয়। অন্য আহতরা হলেন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবদুল জব্বার এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক দিলদার আজম লিটন। তাদের উদ্ধার করে চন্দ্রঘোনা দোভাষী বাজারের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখান থেকে মুহিবুল্লাহকে নগরীর পার্কভিউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়।

রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব মিল্কি বলেন, হামলার ঘটনায় পুলিশ ও কোদালা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. আবদুল জব্বার বাদী হয়ে দুটি মামলা করেন। মামলা দুটিতে বিএনপি-জামায়াতের কর্মী ও হেফাজত সমর্থক ৬৪ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনসহ মোট ২১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। দুটি মামলাতেই উপজেলা বিএনপি নেতা ইউনুছ মনিকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় বিএনপি নেতা কোদালা ইউনিয়নের মো. ফোরকান (৩৫), মো. ইয়াহিয়া (২৮) ও শিলক ইউনিয়নের বাবর আলমকে (৩৮)।

মানবকণ্ঠ/এনএস






ads
ads