অভিসারে ধরা খেয়ে ভাতিজাকে নিয়ে হানিমুনে চাচি


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৩ মার্চ ২০২১, ১৫:৩৬

প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়েই পরকীয়া প্রেমের টানে ভাসুরের ছেলের হাত ধরে প্রকাশ্যে ঘর ছাড়ল দুই সন্তানের জননী আপন চাচি। কারও কোনো বাধাই মানল না এই প্রেমিক যুগল। সব বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করেই তারা বাড়ি ছাড়ল। মঙ্গলবার (০২ মার্চ) এমন ঘটনা ঘটেছে ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের ডাউটিয়া গ্রামে।

ওই গৃহবধূর প্রথম স্বামী মো. আব্দুল আলীম জানিয়েছেন, বিমানে চড়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে হানিমুন করতে গেছেন তার স্ত্রী ও ভাতিজি। তিনি নিজের স্ত্রী ও তার ভাতিজার বিরুদ্ধে ধামরায় থানায় জিডি করেছেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ডাউটিয়া গ্রামের মো. আব্দুল আলীম বিয়ে করে স্ত্রী রূপালী আক্তারকে ঘরে তোলার পরই আপন ভাতিজা মো. জুয়েল রানার সঙ্গে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গোপনে চলতে থাকে মেলামেশা। সোমবার বিকেলে জুয়েল ও রূপালী গোপন অভিসারে মিলিত হলে পরিবারের লোকজনের কাছে ধরা পড়ে যায়। এলাকাবাসী জানার ভয়ে তাদের ঘরে বন্দি করে রাখা হয়।

মঙ্গলবার (০২ মার্চ) লোকলজ্জা আর সামাজিক বিচার সালিশের ভয়ে তারা একে-অপরের হাত ধরে প্রকাশ্য দিবালোকে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। পরে জানা যায়, গোপনে বিয়ে করে দ্বিতীয় স্বামী জুয়েলকে নিয়ে বিমানে করে কক্সবাজার হানিমুনে গেছেন রূপালী।

এ বিষয়ে ওই নারীর স্বামী আব্দুল আলীম জানান, ২০০৯ সালে কাবিন রেজিস্ট্রি মূলে বিয়ে করেন তাকে। দুই সন্তানসহ তাকে রেখে এমনকি তালাক না দিয়েই পরকীয়া প্রেমিককে গোপনে বিয়ে করেছেন বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে সানোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজাহার আলী জানান, ওই নারীর পিতা-মাতা তার কাছে আসলে তিনি ঘটনাটি জানতে পারেন। তারা বাড়ি ফিরে না আসা পর্যন্ত কোনো বিহিত করার উপায় নেই বলেও জানান ওই ইউপি চেয়ারম্যান।

 






ads
ads