মাদকাসক্তির দায়ে চাকরি হারালেন ৮ পুলিশ সদস্য

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১২:৫০

ডোপ টেস্টে পজিটিভ অর্থাৎ মাদকাসক্তির প্রমাণ পাওয়ায় কুষ্টিয়া জেলায় কর্মরত পুলিশের দু’জন উপপরিদর্শক (এসআই) সহ আট সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

চাকরিচ্যুত হওয়াদের মধ্যে দু’জন উপপরিদর্শক (এসআই), দু’জন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এবং বাকিরা কনস্টেবল পর্যায়ের বলে জানা গেছে। এছাড়া এক সার্জেন্টসহ দু’জনের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, আইজিপির নির্দেশে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করার উদ্যোগ নেন। তিনি সহেন্দভাজন ও গোয়েন্দা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২০১৯ সালের মে মাসে প্রথম কয়েকজন পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট করানোর নির্দেশ দেন। পরীক্ষায় এসব সদস্যের নিয়মিত মাদক সেবনের রিপোর্ট আসে। এরপর গত দেড় বছরে পর্যায়ক্রমে ১১ জনের ডোপ টেস্ট করা হয়। এর মধ্যে ৯ জনই মাদক সেবন করতেন বলে পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়।

মাদকের বিষয়টি ধরা পড়ায় বিভাগীয় মামলার পাশাপাশি প্রথম দিকে অন্য জেলায় বদলি করা হয় তাদের। এর মধ্যে এক এসআইকে রাঙামাটিতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। আর এক সার্জেন্টকে কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। মাদক সেবনের বিষয়টি ধরা পড়ার পর অন্য সবাইকে বিভিন্ন জেলায় বদলি করা হয়। তারপরও তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের আটজনকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত গণমাধ্যমকে বলেন, মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপিও মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই পুলিশে শুদ্ধি অভিযান চলছে। আমরা কুষ্টিয়া থেকে মাদক নির্মূলের পাশাপাশি পুলিশ থেকেও চিরতরে মাদকাসক্তদের বাড়িতে পাঠাতে চাই। পুলিশ ডিপার্টমেন্টে কোনো মাদক সেবনকারী থাকতে পারবে না।

মানবকণ্ঠ/এসকে






ads