মহিপুরে

মহিপুর বনবিভাগের জমি দখল করে ঘর তোলার অভিযোগ


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২০ নভেম্বর ২০২০, ২০:০৮,  আপডেট: ২০ নভেম্বর ২০২০, ২০:৩৩

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর মৎস্যবন্দরে বনবিভাগের জমি অবৈধভাবে দখল করে ঘর তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে সরকারি এ সম্পত্তি বনবিভাগের বলে দাবি আসলেও মহিপুর ভূমি অফিস বলছে জমি তাদের। অন্যদিকে রাতের আঁধারে ওই জমিতে ঘর তুলেছে এআর ফিস নামের মৎস্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মহিপুর ভূমি অফিসকে ম্যানেজ করে চলছে এ দখল বাণিজ্য। মহিপুর মৎস্য বন্দরের আড়ৎপট্টি এলাকার কালভার্টের পরেই শিববাড়িয়া নদী সংলগ্ন এলাকায় বনবিভাগের বিট অফিসের সাইনবোর্ড রয়েছে। পাশেই রয়েছে নদী, যার অনেকটাই চরে পরিণত হয়েছে।

বন বিভাগের দাবি, চলমান সর্বশেষ বি.এস রেকর্ড অনুযায়ী বিট অফিসের সীমানা হতে বাইরে নদীর ভেতরেও তারা ৪৮ ফুট পাবেন। বি.এস রেকর্ডে মহিপুর বনবিভাগ মোট ১৬ শতাংশ জমির দাবিদার। কিন্তু স্থানীয় ভূমি অফিস সে জমি তাদের দাবি করে ডিসিআর মতে দোকান-ঘর তোলার অনুমতি দিয়ে আসছে।

স্থানীয়রা জানান, এ ঘটনা নিয়ে মহিপুর ভূমি অফিস ও বনবিভাগ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ভূমি অফিসের সাথে আঁতাত করে অবৈধভাবে ফায়দা লুটছে। তাদের মতে, মহিপুরে শুধু বনবিভাগের জায়গায় নয়, রাতের আঁধারে এভাবে বেশকিছু অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছে প্রতিনিয়ত। যার কোন সঠিক প্রতিকার পাওয়া যায় না।
মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা এ বিষয়ে মহিপুর থানায় সাধারণ ডায়রী করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে এআর ফিস প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারী মো. রাসেল আকন বলেন, ‘এ জমিতে আমার ডিসিআর কাটা আছে। ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিসিআর নবায়ণ করা আছে। এছাড়াও সেমি পাকা ঘর তোলার বিষয়ে পটুয়াখালী ডিসি অফিসের অনুমতি রয়েছে।’

মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান জানান, বনবিভাগ যে জমি তাদের বলে দাবি করছে সে জমি ভূমি অফিসের। ওখানে বাণিজ্যিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করার অনুমতি রয়েছে। যারা ঘর তুলছে তাদের ২০২২ সাল পর্যন্ত ডিসিআর নবায়ণ করা আছে।

মহিপুর বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বনবিভাগের জমিতে মহিপুর ভূমি অফিস তাদের জমি বলে অবৈধভাবে ঘর তুলতে অনুমতি দিচ্ছে। আমি এ বিষয়ে মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেছি। এছাড়াও আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছি।






ads