অবশেষে বাবুনগরীর ‘মুঠোয়’ নাজিরহাট মাদরাসা


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৫২

নাজিরহাট বড় মাদরাসার নতুন মুহতামিম (পরিচালক) হিসেবে শায়খুল হাদিস হাবিবুর রহমান কাসেমীকে মনোনীত করা হয়েছে। তিনি হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীর অনুসারী।

এ মাদরাসায় নায়েবে মুহতামিম করা হয়েছে মাওলানা ইয়াহিয়া ও মুঈনে মুহতামিম মওলানা ইসমাইলকে। এ ছাড়া মাদরাসা থেকে মাওলানা সলিম উল্লাহসহ ১৩ শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃত শিক্ষকরা হলেন— মাওলানা সালাহ উদ্দীন, মুফতি হাশেম, মাওলানা মিজান, মাওলানা নুরুল আলম নছরি, মাওলানা মাহফুজুর রহমান, হাফেজ ইদ্রিস, হাফেজ আব্দুল কাদের, মাওলানা ইয়াছিন, মাওলানা আলী আকবর, আমির হোসেন, মাওলানা আব্দুর রহিম, মাওলানা হারুনর রশিদ।

বুধবার দুপুর ২টায় নাজিরহাট মাদরাসায় শূরার বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেয়া হয়। সকাল ১১টা থেকে শুরু হয় এ বৈঠক। বৈঠকে নাজিরহাট মাদরাসার মুতাওয়াল্লি করা হয় আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে। শিক্ষা সচিব করা হয় হাবিবুল্লাহ নদভীকে। ঢাকার খীলগাও মাদরাসার মুহতামিম নুরুল ইসলাম জিহাদী শূরার বৈঠক শেষে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন।

শূরার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, পটিয়া মাদরাসার মুহতামিম আবদুল হালিম বোখারী, জিরি মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা খোবাইব, ওলিহা মসজিদের সাবেক খতিব মাওলানা আনোয়ার, খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী মাওলানা ওমর ফারুক, মেখল মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা নোমান ফয়েজী, হাটহাজারী মাদরাসার মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী, বাবুনগর মাদরাসার মুহতামিম মহিবুল্লাহ বাবুনগরী, ওবাইদিয়া মাদরাসার মুহতামিম সালাউদ্দিন, ঢাকার বসুন্ধরা মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আরশাদ রহমান, খীলগাও মাদরাসার মুহতামিম নুরুল ইসলাম জিহাদী, তালিমুদ্দিন মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ কাসেম, নাজিরহাট মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম হাবিবুর রহমান কাসেমী, ফতেপুর মাদরাসার মুহতামিম মাহমুদুল হাসান। উপস্থিত হননি চারিয়া মাদরাসার মাওলানা আবদুল্লাহ, হাটহাজারী মাদরাসার প্যানেল মুহতামিম মুফতি শেখ আহমেদ।

এর আগে মাদরাসার পরিচালক পদ নিয়ে দুই পক্ষে মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। এ নিয়ে মারামারি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, মামলার ঘটনাও ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ‘মুহতামিম’ দাবিদার মাওলানা সলিমুল্লাহ এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন শনিবার দুপুরে। এ সময় ছাত্রদের একাংশ মাওলানা সলিমুল্লাহকে ‘মুহতামিম মানি না, শূরা চাই, শূরা চাই’ বলে স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে ছাত্রদের একটি অংশ স্লোগানধারীদের সরিয়ে দিতে চাইলে উভয়পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, মাদরাসার পরিচালক বা মুহতামিমের পদ নিয়ে মাওলানা সলিমুল্লাহ ও মাওলানা হাবিবুর রহমান কাসেমীর মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। সলিমউল্লাহ মরহুম আহমদ শফির অনুসারী। অন্যদিকে হাবিবুর রহমান হেফাজতের মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীর অনুসারী।






ads