সমুদ্র সৈকতের স্থাপনা উচ্ছেদ, সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১০


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৭ অক্টোবর ২০২০, ২১:০৫,  আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২০, ২১:২৭

কক্সবাজারের কলাতলী সুগন্ধা পয়েন্টের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে গিয়ে ব্যবসায়ী ও পুলিশের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দোকানপাটগুলো উচ্ছেদের এক মুহূর্তে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে আহত হয় বেসরকারি টিভি যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক নুরুল করিম রাসেল। তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আহতদের অন্যদের মধ্যে সদর থানার ওসি শেখ মুনিরুল গিয়াস, সাংবাদিক ইকবাল বাহার, জিটিভির ক্যামরাপারসন সাঈদুল ইসলাম রয়েছেন।

যৌথ অভিযানটি পরিচালনা করে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। অভিযানে ছিলেন- কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ, কক্সবাজার সদর সহকারি কমিশনার (ভ‚মি) মুহাম্মদ শাহরিয়ার মোক্তার, কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনির উল গিয়াসের নেতৃত্বাধীন টিম।

অভিযানে ব্যবসায়ীদের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয় প্রশাসনের যৌথ টিম। ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। সেসময় ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ থামাতে ফাঁকা গুলি, রাবারবুলেট ও টিয়ারশেল ছুঁড়ে পুলিশ। একপর্যায়ে দখলকারীরা অভিযানকারীদের বাঁধার মুখে পিছু হটতে থাকে পুলিশ। দখলকারীদের মধ্যে নেতৃত্ব দেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবদুর রহমান, হাজি জসিম উদ্দিন, যুবদল নেতা আমিনুল ইসলাম মুকুল, জয়নালসহ আরো অনেকে। এ রিপোর্ট লেখাকালীন সময় পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনার মাঝখানে কক্সবাজার পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান এসে উভয়পক্ষের সাথে কথা বলেন এবং দখলকারীদের সান্ত্বনা দেন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতের নির্দেশ মত কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ৫২ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে যায় প্রশাসন। কিন্তু ব্যবসায়ীরা মালামাল সরাতে সময় চাইলে ২৪ ঘণ্টার সময় দেয় প্রশাসন। শনিবার ৪৮ ঘণ্টা পরে আবার অভিযানে যায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।





ads