জরাজীর্ণ ঘরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অফিস করেন বন কর্মকর্তা

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০৭

দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে গাছ হচ্ছে সবচেয়ে বড় সম্পদ। সেই গাছ দেখাশোনা করার জন্য প্রতিটি উপজেলায় একজন করে বন কর্মকর্তা রয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যে ঘরটিতে বন কর্মকর্তা অফিস করেন সেটা দেখে মনে হয় না এটা কোনো অফিস।

একজন বন কর্মকর্তা এবং একজন সহকারি দুইজন মিলে উপজেলার ১২৭ টি গ্রামের সরকারি সম্পদ গাছ দেখাশোনা করার দায়িত্ব পালন করেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ৮ ফিট বাই ১০ ফিট রুমে অফিস করেন তারা। জরাজীর্ণ অফিসটি যেকোন সময় ঝড়ে শুকনো পাতার মত উড়ে যেতে পারে। ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঘরের অবস্থা খুবই জরাজীর্ণ। যেকোন মুহূর্তে ঘরটি মাটিতে লুটিয়ে পড়তে পারে।

ঘরটির ব্যাপারে ভিটিঝগড়াচরের শাহ আলম বলেন, ছোটবেলা থাইকা (থেকে) দেইখা আইতাছি (দেখছি) ঘরটি লক্কর-ঝক্কর । দেশ তো অনেক উন্নত হইছে কিন্তু বন বিভাগের ঘরটি আর নতুন হইলো না। বাঞ্ছারমাপুর উপজেলায় এমন জরাজীর্ণ অফিস আর একটিও নাই।

এ ব্যাপারে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বন কর্মকর্তা মো.মোস্তফা কামাল বলেন, আমি ঠিকমত অফিসে বসে অফিসের কাজ করতে পারি না। কেননা সবসময় মনের ভিতর একটা ভয় থাকে কখন যেন ঘরটি আমার মাথার উপরে পড়ে। তবে আমি এ বিষয়ে আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করেছি।

এ ব্যাপারে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরোয়ার বলেন, জাতীয় বন সম্পদের বিকাশে বন কর্মকর্তাদের অবদান সবচেয়ে বেশি। সেই তাদের অফিস কক্ষটি জরাজীর্ণ। যেকোন সময় বাতাস আসলেই মরা গাছের পাতার মতন ঘরটি উড়ে যেতে পারে। দীর্ঘদিন ধরেই অফিস কক্ষটির এমন বেহাল দশা।

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads







Loading...