চরম বিপদসীমায় প্রবাহিত তিস্তার পানি

চরম বিপদসীমায় প্রবাহিত তিস্তার পানি
- ছবি : প্রতিবেদক

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১১ জুলাই ২০২০, ১৪:০৫

লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৩৮ সে:মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় হাজার হাজার মানুষজন পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা নদীর পানি হাতীবান্ধা-গড্ডিমারী-বড়খাতা বাইপাস সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সড়কটি ভেঙ্গে গেল তিস্তার পানি হাতীবান্ধা শহরে প্রবেশ করবে। সড়কটি রক্ষায় বালু বস্তা ফেলার প্রয়োজন দেখা দিলেও খালি বস্তার অভাবে তা রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না এমন অভিযোগ পানিবন্দি লোকজনের।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ১২ টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৯৮ সেন্টিমিটার। যা বিপদসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার (স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ২৪ ঘণ্টার ভারী বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তিস্তার ও ধরলার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। যা ক্রমে কমে গিয়ে বন্যার উন্নতি ঘটে। এক সপ্তাহে না যেতেই ফের উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণের কারণে তিস্তার পানি প্রবাহ বিপদসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার তিস্তা তীরবর্তী এলাকার হাজার হাজার মানুষজন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এছাড়া তিস্তায় পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় সৃষ্ট বন্যায় চরাঞ্চলের সবজি, বাদামসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষিরা। অনেক মৎস্য খামারের মাছ পানিতে ভেসে গেছে। ফসলের ক্ষেত বন্যার পানিতে ডুবে গিয়ে ফসলহানীর শঙ্কায় চিন্তিত কৃষকরা। তিস্তার তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের পানিবন্দি পরিবারগুলো শিশু-বৃদ্ধা ও গবাদি পশুপাখি নিয়ে পড়েছেন বিপাকে।

দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি প্রবাহ সকাল থেকে বেড়েছে। ব্যারাজ রক্ষার্থে সবগুলো জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে শনিবার সকালে পানি কমে যেতে পারে।

মানবকণ্ঠ/আরএস

 





ads






Loading...