বানৌজা ‘সংগ্রাম’র কমিশনিং করলেন প্রধানমন্ত্রী

মানবকণ্ঠ
বানৌজা ‘সংগ্রাম’র কমিশনিং করলেন প্রধানমন্ত্রী - ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৮ জুন ২০২০, ১১:১৩,  আপডেট: ১৮ জুন ২০২০, ১২:৩৩

'নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। আমরা আরও সুযোগ-সুবিধা দেব। বিশ্বের উন্নত দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নৌবাহিনীর সদস্যদের টেকনোলজি জানতে হবে।'

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বানৌজা ‘সংগ্রাম’র কমিশনিং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আগামীতে আমরাও যেন এমন যুদ্ধজাহাজ তৈরি করতে পারি সে চিন্তা আমাদের করতে হবে। এছাড়া আমাদের নিজেদের প্রয়োজন ছাড়াও এ ধরনের জাহাজ যেন আমরা বিদেশে রফতানি করতে পারি সেভাবে আমাদের কাজ করতে হবে।

সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ‌্যমে বানৌজা ‘সংগ্রাম’র কমিশনিং করেন  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সূত্র জানায়, চীনে তৈরি বানৌজা ‘সংগ্রাম’র দৈর্ঘ্য ৯০ মিটার এবং প্রস্থ ১১ মিটার। এটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে সক্ষম। শত্রু বিমান, জাহাজ এবং স্থাপনায় আঘাত হানতে সক্ষম জাহাজটিতে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন কামান, ভূমি থেকে আকাশে এবং ভূমি থেকে ভূমিতে উৎক্ষেপণযোগ্য মিসাইল, অত্যাধুনিক থ্রিডি রাডার, ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম, রাডার জ্যামিং সিস্টেমসহ বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ সরঞ্জামাদিতে সুসজ্জিত। জাহাজটিতে হেলিকপ্টার অবতরণ ও উড্ডয়নের জন্য ডেক ল্যান্ডিংসহ অন্যান্য সুবিধাদি রয়েছে।

গভীর সমুদ্রে দীর্ঘ সময়ব্যাপী মোতায়েনযোগ্য এ জাহাজর মাধ্যমে বিশাল সমুদ্র এলাকায় অনুপ্রবেশ ঠেকানো, চোরাচালান ও জলদস্যুতা রোধ, সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতা, সমুদ্র অর্থনীতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনাসহ মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি তেল, গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য বরাদ্দকৃত ব্লকসমূহের অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে নৌবহরে যুক্ত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি ও যুদ্ধ সরঞ্জামে সজ্জিত আধুনিক যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন, হেলিকপ্টার ও মেরিটাইম পেট্রল এয়ারক্রাফট।

নৌবহরের সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে যুদ্ধজাহাজ ‘সংগ্রাম’ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো। বানৌজা ‘সংগ্রাম’র কমিশনিংয়ের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মানবকণ্ঠ/এইচকে 





ads