রাজশাহী বিভাগে করোনায় নতুন আক্রান্ত ৮৮

রাজশাহী বিভাগে করোনায় নতুন আক্রান্ত ৮৮
- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৩ জুন ২০২০, ১৬:২০

রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ ৮৮ জন শনাক্ত হওয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১ হাজার ৫০ জন।

বুধবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. গোপেন্দ্রনাথ আচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আক্রান্তদের মধ্যে ২৫৩ জন সুস্থ হয়েছেন। হাসপাতালে আছেন ২৮০ জন। আর পাঁচ জেলায় মোট মারা গেছেন নয়জন। এর মধ্যে একজন মঙ্গলবার রাজশাহীতে মারা গেছেন। এর আগের দিন সোমবার বিভাগের নওগাঁ ও সিরাজগঞ্জে আরও একজন করে দুইজন মারা যান করোনায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী জেলায় এখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬১ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৩ জন। হাসপাতালে আছেন ২২ জন। মারা গেছেন মোট তিনজন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে শনাক্ত হয়েছেন ৫৪ জন। এ জেলায় আটজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৩ জন। গত তিন দিন ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে।

বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৪৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছেন বগুড়া জেলায়। এখানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৭৩ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৩৩ জন। এ জেলায় একজন মারা গেছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮৯ জন শনাক্ত হয়েছেন জয়পুরহাটে। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৮ জন। এ পর্যন্ত এই জেলায় কারও মৃত্যু হয়নি।

নওগাঁয় শনাক্ত হয়েছেন ১৩২ জন। এদের মধ্যে ৮৯ জন সুস্থ হয়েছেন। হাসপাতালে আছেন ছয়জন। এ জেলায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নাটোরে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৮ জন। এ জেলায় একজন মারা গেছেন। সুস্থ হয়েছেন ১১ জন। এখানে কেউ হাসপাতালে ভর্তি নেই।

বিভাগের সিরাজগঞ্জে করোনায় প্রাণ গেছে দুইজনের। এ জেলায় মোট ৫৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে আটজন সুস্থ হয়েছেন, তিনজন হাসপাতালে। পাবনায় শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৪৯। এখানে কেউ মারা যাননি। তবে একজন হাসপাতালে রয়েছেন। আর সুস্থ হয়েছেন আটজন।

স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাবে, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে বিভাগে এ পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ৩৮ হাজার ৬৩৬ জনকে। এর মধ্যে কোয়ারেন্টাইন শেষ করেছেন ৩৪ হাজার ৫৮৯ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ৫৬০ জনকে। এদের ৫০৪ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন শেষ করেছেন। চিকিৎসার জন্য ৫১২ জনকে আইসোলেশনে নেয়া হলেও ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৩৮ জন।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads






Loading...