সাভারে পুলিশ চেকপোস্টে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ

সাভারে পুলিশ চেকপোস্টে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগ
লাঞ্ছিত সাংবাদিক রুবেল (বামে), অভিযুক্ত এসআই হারুন (ডানে) - প্রতিবেদক

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ২১ মে ২০২০, ২২:০৭,  আপডেট: ২১ মে ২০২০, ২২:১২

সাভারের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশ চেকপোস্টে এক উপ-পরিদর্শকের হাতে একজন টিভি সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বেসরকারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিক রুবেল আহমেদ প্রিন্স এই অভিযোগ করেছেন।

বুধবার বিকেলে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই টিভি সাংবাদিক ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর অভিযুক্ত আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন-উর-রশিদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এর আগে সকালে পেশাগত কাজে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার চালিয়ে যাওয়ার সময় নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের আশুলিয়ার শ্রীপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ চেকপোস্টে লাঞ্ছিত হন ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ঢাকা জেলা প্রতিনিধি রুবেল আহমেদ প্রিন্স।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, সম্প্রতি করোনা সংক্রমণের মধ্যে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে হচ্ছে তার মত সাংবাদিকদের। আজ সকালেও ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার চালিয়ে সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাসা থেকে সাভারের উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। এসময় নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের আশুলিয়ার শ্রীপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশের অস্থায়ী চেকপোস্টে পৌঁছলে সেখানে কর্তব্যরত পুলিশের এসআই হারুন-উর-রশিদ তাকে আটকে দেন। পরে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সংবাদ সংগ্রহের জন্য তাকে যেতে হবে বলে জানালেও ওই পুলিশ সদস্য এতে কর্ণপাত করেননি। উল্টো তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিমন্দ করতে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, এসময় প্রতিবাদ করলে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে এসআই হারুন ক্ষিপ্ত হয়ে গাড়ির দরজা খুলে তার কলার ধরে টেনে নামানোর চেষ্টা করেন ও তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এমনকি তার ব্যক্তিগত গাড়িসহ তাকে আটক করারও হুমকি প্রদান করেন এসআই হারুন। পরে স্থানীয় সহকর্মীদের সহায়তায় সেখান থেকে রেহাই পান তিনি।

সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করার ব্যাপারে অভিযুক্ত আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন-উর-রশিদ জানান, চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করার সময় সব গাড়িকেই ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। এসময় ওই সাংবাদিকের গাড়িটিও ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তবে সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেন এই পুলিশ সদস্য।

মানবকণ্ঠ/এআইএস






ads