তাড়াশে বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

সোহেল রানা সোহাগ, তাড়াশ


poisha bazar

  • ২৪ এপ্রিল ২০২০, ১৬:২৪,  আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২০, ১৬:৪২

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ৮টি ইউনিয়নে মাঠে মাঠে এখন সোনালী ধানের সমারোহ। দিগন্তজুড়ে সোনার রঙ ধারণ করে আছে পাকা ধান। কৃষকের ঘরে ইতোমধ্যে উঠতে শুরু করেছে ইরি-বোরো ধান।

ফলন বাম্পার হওয়ায় অনেকটাই খুশি তাড়াশের কৃষকেরা। হাসির ঝিলিক দেখা দিয়েছি কৃষক-কৃষাণীর মুখে। যদিও বা করোনা মহামারি নিয়ে অনেকটাই শ্রমিক সংকট ও দাম নিয়ে আতঙ্কে ছিল কৃষকেরা। তবে সরকারি সহযোগিতায় পর্যাপ্ত শ্রমিক মাঠে থাকায় এবং নতুন ধানের বাম্পার ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে কৃষকদের মাঝে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার ইরি-বোরো মৌসুমে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ২২ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে।

উপজেলার কাটাগারি গ্রামের কৃষক আলাউদ্দিন বলেন, ‘অন্যান্যবারের চেয়ে এবার আমরা অনেক বেশি ইরি বোরো ধান চাষ করেছি। ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। দামও মোটামুটি ভালো।

উপজেলার বড় মাঝ দক্ষিণা গ্রামের কৃষক আজিুজুর রহমান বলেন, জমিতে সময় মতো পানি দেওয়ায় ধান ভালো হয়েছে। এবার ঝড় বৃষ্টি না হলে ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলন পাবো। এর ফলে আমরা অনেক উপকৃত হবো।

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আলামিন হোসেন বলেন, ‘ইরি-বোরো মৌসুমে কৃষক যাতে লাভবান হয় সেজন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে ফসলের দিকে সার্বক্ষণিক নজর রেখেছিলাম। যেখানেই সমস্যা দেখা গেছে সেখানেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করেছি।

এ ব্যাপারে তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, তাড়াশ উপজেলায় ২২হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে ইরি বরো ধানের চাষ করার লক্ষ্য থাকলেও আমরা ২২ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, অধিক ফলনের জন্য পরিমিত সার ব্যবহার, পানি সাশ্রয় এবং সার্বিক পরিচর্যায় কৃষকদের সচেষ্ট হতে আমরা সব সময়ই পরামর্শ দিয়েছি। ফলে আমরা আশা করছি, এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে বোরো ধানের ফলন হবে। শ্রমিকের কোনো সংকট নেই। উপজেলায় সঠিক সময়ে পাকা ধান কাটছে প্রশাসনিকভাবে শ্রমিক আসতে সহযোগিতা করা হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/আরবি






ads