কুমিল্লায় মারা যাওয়া পাঁচজনের শরীরে করোনা নেই

কুমিল্লায় মারা যাওয়া পাঁচজনের শরীরে করোনা নেই

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১৯ এপ্রিল ২০২০, ১১:২৫

কুমিল্লায় জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে ১১ দিনে শিশুসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনা টেস্টে পাঁচজনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এছাড়া শিশুসহ দুজনের রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি। কুমিল্লা জেলার সিভিল সার্জন নিয়াতুজ্জাান এ কথা নিশ্চিত করেছে।

গত ৭ এপ্রিল থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তাদের মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া এসব ব্যক্তি জেলার মুরাদনগর, দেবিদ্বার, চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট, দাউদকান্দি ও হোমনা উপজেলার বাসিন্দা। তাদের সবার জ্বর, সর্দি, কাশি এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ছিল।

গতকাল শনিবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রসহ পাঁচজনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

কুমিল্লা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ৭ এপ্রিল নাঙ্গলকোটে জ্বর, ডায়রিয়া ও গলাব্যথা নিয়ে মোশাররফ হোসেন নামে একজনের মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার দোলখাঁড় ইউনিয়নের দোলখাঁড় তালুকদার বাড়ির আলী আক্কাছের ছেলে।

একই ধরনের অসুস্থতা নিয়ে ৮ এপ্রিল চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের কৈয়ারধারী গ্রামের মৃত ছালেহ আহম্মদের ছেলে মহিন উদ্দিন মারা যায়। একই দিন মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর ইউনিয়নের বলীঘর গ্রামে রায়হান সরকার নামে এক যুবক মারা যায়। তার জ্বর, শ্বাসকষ্ট, কাশি এবং পায়ের সমস্যা ছিল।

গত ১৪ এপ্রিল দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মিয়া ভূঁইয়ার ছেলে কলেজছাত্র দুলাল ভুঁইয়া মারা যায়। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন অ্যাজমা রোগে ভুগছিলেন এবং কিছুদিন ধরে তার জ্বর ওসর্দি ছিল।

এছাড়া দাউদকান্দি উপজেলার মারুকা ইউনিয়নের চক্রতলা গ্রামে করোনা উপসর্গ নিয়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়।

গত ১৪ এপ্রিল চৌদ্দগ্রামে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মাহবুবুর রহমান রাতুল নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের শাহজানের ছেলে। এছাড়া ১৭ এপ্রিল হোমনায় করোনার উপসর্গ নিয়ে নুসরাত (তাথৈ) নামে সাড়ে চার বছরের এক মেয়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে জেলা সমন্বয়ক ও কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী জানান, করোনা উপসর্গ নিয়ে জেলার মুরাদনগর, দেবিদ্বার, চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট এবং দাউদকান্দিতে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের নমুনা আইডিসিআরে পাঠানো হয়। পরীক্ষা শেষে পাঁচজনের নমুনার ফলাফল নেগেটিভ আসে। এছাড়া হোমনায় মারা যাওয়া শিশু চৌদ্দগ্রামে মারা যাওয়া ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠানো হলেও এখনও ফলাফল আসেনি।

মানবকণ্ঠ/আরবি





ads







Loading...