সীতাকুণ্ডের ফার্মেসীগুলোতে ঔষধের সংকট

সীতাকুণ্ডের ফার্মেসীগুলোতে ঔষধের সংকট
- প্রতিবেদক

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ০৬ এপ্রিল ২০২০, ২২:০৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার আওতাধীন ফার্মেসীগুলোতে ঔষধ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন রোগীরা। এই নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন ধরনের রোগীরা এক ফার্মেসী থেকে অন্য ফার্মেসীতে ঘুরেও চাহিদার ঔষধ মিলছেনা।

জানা যায়, গত ২৩ মার্চ থেকে সারা দেশে সরকার লকডাউন জারি করে ২৬ তারিখ থেকে। এ নিয়ে দেশের বিভিন্ন নামি-দামি কোম্পানিগুলো ফার্মেসীতে ঔষধ দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এতে বিপাকে পরে ঔষধ দোকানের ফার্মেসীগুলো। এক দিকে এস.আর.-রা ফার্মেসীগুলোতে ঔষধ দেওয়া বন্ধ করে দেয়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ভাটিয়ারী ভাই ভাই ফার্মেসীর মালিক আরজু জানান, গত ২৩শে মার্চ, সরকার যখন ২৬ তারিখ থেকে সারাদেশে লকডাউন করার ঘোষণা দেয়, তখন থেকে বিভিন্ন রোগীরা টানা এক মাসের ঔষধ কিনে নিয়েছেন। আর আমরা একমাসের বেচা-কেনা একদিনে করে ফেলেছি। এমনকি রাত ১২টার সময় রোগীরা দোকান বন্ধ করতে দেয়নি। ঔষধ বিক্রি করার পর দেশের বিভিন্ন নামি-দামি কোম্পানিগুলো ঔষধ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। যেমন বর্তমানে পেরাসিটেমলের চাহিদা বেশি। বর্তমানে জ্বর ও করোনা ভাইরাসের ঔষধগুলো দিচ্ছেনা। আমার পাইকারি দোকানে দৈনিক ৫০০ বক্স ঔষধ লাগে। সেখানে এক সপ্তাহের মধ্যে দিচ্ছে ৫০ বক্স। আমরা রোগীকে কি দেব। যেমন হ্যান্ডওয়াশ আইটেমগুলো, সেবরোন।

করোনার লকডাউন শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ আগে থেকে সেবরোন বন্ধ করে দেয়। কোম্পানির এস.আর.দের ফোন করলেও মুঠো ফোন তারা রিসিভ করে না। অন্য কোম্পানির এস.আর.গুলো হ্যান্ডওয়াশ দেয় এক সপ্তাহের মধ্যে ৫০পিস। কিন্তু আমার দৈনিক চাহিদা প্রায় ৮০০ পিস। এটি বাংলাদেশে তিনজন করোনা রোগী শনাক্তের পর থেকে ঔষধের এই সংকট দেখা দিয়েছে।

ভাটিয়ারীর ভাই ভাই ফার্মেসীতে ঔষধ কিনতে আসা যমুনা ব্যাংকের অফিসার গিয়াস উদ্দিন টিটু জানান, আমার মা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। তার জন্য সারাবছর ঔষধ দরকার হয়। কিন্তু দোকানে এসে দেখি ঐ ঔষধগুলো ফার্মেসিতে পাওয়া যাচ্ছে না। একদিকে গণপরিবহন বন্ধ, অন্যদিকে ঔষধের সংকট। এই নিয়ে আমি এখন বিপাকে পরেছি। নিরুপায় হয়ে চট্টগ্রাম শহরে ঔষধ কিনার জন্য যেকোনো উপায়ে আমাকে যেতে হবে।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads






Loading...