চান্দিনায় হতদরিদ্রদের তালিকা করছে প্রশাসন


poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ২৫ মার্চ ২০২০, ২৩:১১,  আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২০, ২৩:১৪

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জন সমাগম কমানোর লক্ষে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ১টি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজারে ঔষধ, মুদি ও কাঁচা বাজার ছাড়া সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় কার্যত চান্দিনা উপজেলা এখন লক ডাউন এর মতোই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। হাট-বাজারগুলোতে হোটেল খোলা থাকলেও বসে খাবার খাওয়া নিষিদ্ধ করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

এদিকে বুধবার থেকে হতদরিদ্র, দিনমজুর ও খেটেখাওয়া মানুষের তালিকা তৈরি করছে প্রশাসন। সে লক্ষে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় তালিকা করে সরকারি বরাদ্দকৃত খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার পদক্ষেপ নিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।

সরেজমিনে বুধবার (২৫ মার্চ) চান্দিনা উপজেলা সদর, বাড়েরা, দোল্লাই নবাবপুর, রামমোহন বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায় হাট-বাজারগুলো প্রায় জনশূন্য। খাবার দোকান, ঔষধ, মুদি ও কাঁচা বাজারগুলো ছাড়া সব ধরনের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সড়কগুলোতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা, রিক্সা চলাচল করলেও যাত্রী একেবারেই কম।

চান্দিনা বাজার ব্যবসায়ী সমিতি’র পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মাইকিং করে ২৫ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী সাড়া দিয়ে ব্যবসায়ীরাও বুধবার সকাল থেকে (২৫ মার্চ) দোকান-পাট বন্ধ করে রাখেন।

এব্যাপারে চান্দিনা উপজেলা সদরের বিসমিল্লাহ্ হোটেলের মালিক মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকেই হোটেল খোলা রয়েছে। ক্রেতা একেবারেই কম। সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চালক মো. মনির হোসেন বলেন, ভোর থেকে আমি চান্দিনা স্টেশনে রয়েছি। চান্দিনা কাদুটি রোডে গাড়ি চালাই। দোকান-পাট বন্ধের কারণে কোন যাত্রী নাই।

এব্যাপারে চান্দিনা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. এরশাদ আলী ভূইয়া বলেন, বুধবার সকালে আমি পুরো চান্দিনা উপজেলা সদর ঘুরেছি। ব্যবসায়ীরা অনেক সচেতন। জনসমাগম নেই বললেই চলে। স্বতঃস্ফূর্তভাবে সবাই সরকার ও দোকান মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পালন করছে।

এব্যাপারে চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) স্নেহাশীষ দাশ বলেন, আমি সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছি। সরকারি নির্দেশনা সবাই মেনেছে। হতদরিদ্র ও ভাসমান ব্যক্তিদের তালিকা প্রস্তুত করছি। যথা সময়ে তাদের নিকট সরকারি বরাদ্দকৃত খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।

মানবকণ্ঠ/এমএইচ




Loading...
ads






Loading...