ধর্ষণে সহায়তাকারী যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দিলো পুলিশ!

ধর্ষণে সহায়তাকারী যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দিলো পুলিশ!
যুবলীগ নেতা সাইফুল শিকদার - ছবি: প্রতিনিধি

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ০৬ মার্চ ২০২০, ১৯:১৮

ঢাকার ধামরাইয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে ভাগিয়ে দেয়া যুবলীগের এক নেতাকে গ্রামবাসী আটক করে পুলিশে দিলেও পরে থানা থেকে তাকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ধামরাই থানা হেফাজত থেকে আটক ওই ইউনিয়ন যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এর আগে উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের বারবাড়িয়া গ্রামে এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করা ওই নেতার নাম সাইফুল শিকদার। তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য এবং উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ হাতকোড়া গ্রামের নাসির উদ্দিন সিকদারের ছেলে।

ধর্ষিতার স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার রাতে বারবাড়ীয়ার একটি বাড়িতে গিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ চেষ্টার সময় হাতকোড়া গ্রামের বাসিন্দা রুবেল হোসেন এলাকাবাসীর হাতে আটক হন। এ সময় যুবলীগ নেতা সাইফুল এসে রুবেলকে সেখান থেকে ছাড়িয়ে নেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী সাইফুলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

পরে এ ঘটনায় রুবেল হোসেনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হলেও ছেড়ে দেয়া হয় সহযোগী যুবলীগ নেতা সাইফুল শিকদারকে।

ধর্ষিতার নানী অভিযোগ করে জানান, রুবেল তার নাতনীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় এলাকাবাসী রুবেলকে আটক করলেও ওই সময় সাইফুল এসে তাকে ভাগিয়ে দেয়। পরে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সাইফুলকে আটক করে পুলিশে দেয়। কিন্তু পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে গেলেও পরে তাকে ছেড়ে দেয়। ধর্ষকের এই সহযোগীরও বিচার চাই আমরা।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার এসআই রিপন আহমেদ বলেন, ওই তরুণীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় রুবেলকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ধর্ষণের সহযোগিতাকারী যুবলীগ নেতা সাইফুলকে আটক করার পরও কেনো ছাড়া হলো সে ব্যাপারে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এ ঘটনায় সাইফুল সম্পৃক্ত নয় বলে ভুক্তভোগী লিখিত দিয়েছেন। তাই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/আরবি





ads






Loading...