‘‌মন্ত্রী-এমপি সব নিয়ন্ত্রণ করি, আমার চেয়ে বড় মাইকেল নেই’

আশার আলো প্রভাতি সংস্থা’র চেয়ারম্যান ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সাজু
আশার আলো প্রভাতি সংস্থা’র চেয়ারম্যান ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সাজু - ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:১৩

দেশের মন্ত্রী-এমপি, গাইবান্ধার ডিসি-এসপি সব নিজের নিয়ন্ত্রণে দাবি করে গাইবান্ধার আশার আলো প্রভাতি সংস্থা’র চেয়ারম্যান ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সাজু বলেছেন, গাইবান্ধা জেলার ডিবি (পুলিশ), ওসি, এসপি, ডিসিসহ যতো বড় কর্মকর্তাই থাকুক সব আমাদের নিয়ন্ত্রণে চলে। ৭ উপজেলায় মন্ত্রী-এমপি, চেয়ারম্যান যতো কিছুই থাক না কেন, আমার চেয়ে বড় মাইকেল কেউ নেই।

তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ দিলাম, কোনো এমপি, মন্ত্রী যদি আমার সঙ্গে টিকে থাকতে পারে তাহলে সংস্থা থেকে পদত্যাগ করব।

শুক্রবার সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ডাকবাংলা বাজারে এক কর্মী সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তার এমন ঔধত্বপূর্ণ বক্তব্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে।

ওই কর্মী সমাবেশে শফিকুল ইসলাম সাজু বলেন, ‘আমার এক লাখ সদস্য। আমি তাদের একবার করে চাল দিতে গেলে দেড় কোটি টাকা লাগে। সরকার শিক্ষা ভাতা ৬ মাসে দেয় ৩০০ টাকা, আমি দেই ৯০০ টাকা। কম দিচ্ছি নাকি? আমার মতো ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ছেলে জন্ম নিলে দেশে এমপি, মন্ত্রী বা সরকার লাগত না।

তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে যুদ্ধ করে হলেও আমি জনসেবা করব। কোথাও কেউ আমার কোনো কর্মীর কাজের প্রতিবাদ করলে তোমরা আমাকে অবগত করবেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের তুলে আনব। অন্যথায় ক্ষমতা ছাড়ব।

অনুষ্ঠানের ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার নাম ছিল। কিন্তু তিনি ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।

সংস্থাটির চেয়ারম্যানের এমন বক্তব্যের বিষয়ে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন বলেন, এ এনজিওকে আমরা চিনি না। আমি সাঘাটার ইউএনওকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলব।

এদিকে জানা গেছে, আশার আলো প্রভাতি সংস্থাটি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে অবস্থিত। সমাজসেবা অফিস থেকে এনজিওটিকে কোনো লাইসেন্স দেয়া হয়নি।

মানবকণ্ঠ/এসকে






ads