শহীদ মিনারে নেতার সাথে সেলফি নিয়ে যত বিড়ম্বনা, অসন্তোষ

মানবকণ্ঠ
সিড়িতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা - ছবি : প্রতিবেদক।

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৯:২৫,  আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৯:৩২

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় সাংসদের অনুসারীরা শহীদ মিনারে দাড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা সেলফিসহ ফটোসেশন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসা সাধারণ মানুষ। এছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শ্রদ্ধা জানাতে আসা নাগরিকেরা।

জানা যায়, শহীদদের প্রতি সম্মান জানাতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২ টার আগেই অসংখ্য মানুষ জড়ো হয়। রাত ১২ টা ১ মিনিটে স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব মো. মহিব্বুর রহমান সবার আগে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা কে কার আগে বেদিতে ফুল দিবেন ও নেতার সাথে সেলফি তুলবনে এ নিয়ে শুরু হয় প্রতিযোগিতা। এ সময় শহীদ মিনারের পাদদেশে উপজেলার সাধারণ নাগরিক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সামাজিক সংগঠন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরসহ গণমাধ্যম কর্মীদের নীরবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

শহীদ মিনারে ফুল দিতে উঠতে না পেরে তাঁরা মিনারের সিড়িতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। রাত সাড়ে ১২ টার সময় এ নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান। এ বছর একুশের কোনো অনুষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ না করারও তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।

এবিষয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘একুশের প্রথম প্রহরে সেলফিবাজদের দৌরাত্ম্যে ফুল দিতে না পেরে ফিরে যেতে হয়েছে। শুক্রবার সকালে গিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছি।’

কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবে যে যার মতো চলে যাবে। সব সময় এরকমই হয়েছে। অথচ এবার ভালোভাবে কেউ ফুল দিতে পারেনি। ’

মানবকণ্ঠ/এইচকে/গোফরান পলাশ




Loading...
ads






Loading...