স্বরূপ ফিরেছে ফটিকছড়ির রমজু মুন্সি হাট

স্বরূপ ফিরেছে ফটিকছড়ির রমজু মুন্সি হাট
স্বরূপ ফিরেছে ফটিকছড়ির রমজু মুন্সি হাট - ছবি: প্রতিনিধি

poisha bazar

  • সংবাদদাতা, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৭:২৭

শনি ও মঙ্গলবার সাপ্তাহিক বাজারে মাছ-মাংস থেকে শুরু করে সবধরনের কাঁচা বাজারসহ বেচাকেনা হতো নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য।  দূরদূরান্ত থেকে ক্রেতাবিক্রেতার সমাগমে মুখরিত হয়ে উঠতো বাজার। নব্বই দশকেও ছিল ফটিকছড়ির ধর্মপুরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী রমজু মুন্সি হাটের জমজমাট বাজারের এ দৃশ্য। কিন্তু কোন অদৃশ্য কারণে বেচাকেনা ধীরে ধীরে স্থবির হয়ে পড়ে। হারিয়ে যায় বাজারের ঐতিহ্য।

তবে সম্প্রতি এ প্রসিদ্ধ বাজারের সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বাজার পরিচালনা কমিটি। বাজার পরিচালনা কমিটির নবনির্বাচিত পরিষদের পদক্ষেপে পুনরায় জমতে শুরু করেছে বাজার। প্রতি সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবার সকালে বসে বাজার। বাজারে মাছ-মাংস থেকে শুরু করে সবধরনের কাঁচা বাজারসহ মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বেচাকেনা হচ্ছে। দিন দিন বাড়ছে ক্রেতাবিক্রেতার সমাগম।

ক্রেতা আকাশ বলেন, দূরের বাজারে না গিয়ে সুলভমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস হাতের নাগালে পাচ্ছি; তাই এ বাজারে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে আসি। বিক্রেতা আলম, কালাম, বাদশাহ বলেন, ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করছি। আবহাওয়া ভালো থাকলে যা নিয়ে আসি তাই বিক্রি হয়। দিন দিন ক্রেতাও বাড়ছে।

বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল ইসলাম বলেন, এই বাজারটি ধর্মপুরের প্রাণকেন্দ্র ছিল। সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি। এখন প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বাজার বসছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ন্যায্যমূল্যে ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে। আমরা বাজার মনিটরিং করছি। বাজারে একটি ব্যাংক আনার কথা চলছে। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে আরো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জমিল উদ্দিন বলেন, এই বাজারটি ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী একটি বাজার। এখানে একসময় প্রতি বাজারে ২/৩টি গরুর মাংস বিক্রি হতো। কিন্তু দুঃখের বিষয়; কোন অদৃশ্য কারণে এই বাজারের বেচাকেনা ধীরে ধীরে ঝিমিয়ে পড়ে। আমরা সকলের সহযোগিতায় বাজারের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছি।

মানবকণ্ঠ/এসকে




Loading...
ads






Loading...