রিফাত হত্যা মামলা

সাক্ষ্য দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট, ওসি ও রাসায়নিক পরীক্ষক

মানবকণ্ঠ

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৯:১১

রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রোববার তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহন করেছেন আদালত। বরগুনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সিরাজুল ইসলাম গাজী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। এছাড়া একই দিনে মামলায় সদর থানার ওসি আবির হোসেন মোহাম্মদ ও রাসায়নিক পরীক্ষক রবিউল ইসলাম, জেলা ও দায়রা জজ আসাদুজ্জামানের আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

আদালত সূত্র জানায়, রোববার সকালে ঢাকা থেকে আগত রাসায়নিক পরীক্ষকের রবিউল ইসলামের স্বাক্ষ্যগ্রহন করেন আদালত। মধ্যাহ্ন বিরতির পর বিকেল ৩টার দিকে বরগুনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম গাজী সাক্ষ্য দেন। আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহন বিষয়ে তার সাক্ষ্য গ্রহন করা হয়। পরবর্তীতে সদর থানার ওসি আবির হোসেন মোহাম্মদ রেকর্ডিং অফিসার হিসেবে এ মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেন।

সাক্ষীদের জেরা করেন ঢাকা থেকে আগত আসামিপক্ষের আইনজীবী ব্লাস্টের একিউএম ফারুক ও বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারি আসলাম। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ভুবন চন্দ্র ও বাদীর নিয়োজিত আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার রিফাত হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবিরের সাক্ষ্য গ্রহনের মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহন পর্ব শেষ হবে। এছাড়াও একই দিন সোমবার মিন্নির জামিন বাতিলের তদন্তের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর রায় প্রদানের তারিখ ঘোষণা করতে পারেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসূলি ভুবন চন্দ্র বলেন, আদালত রোববার রাসায়নিক পরীক্ষক, রেকর্ডিং অফিসার ও আসামিদের জবাবন্দি গ্রহনকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য গ্রহন করেন। সোমবার এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সবশেষ সাক্ষ্য গ্রহনের কথা রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মামলায় প্রাপ্ত বয়ষ্ক ১০ আসামির বিচারিক কার্যক্রমের শেষে রায় প্রদানের তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন আদালত।

সাক্ষ্য গ্রহনের সময় প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির আটজনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এছাড়াও জামিনে থাকা আসামি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলায় প্রাপ্ত বয়ষ্ক ১০ আসামির আটজন জেলহাজতে, মিন্নি জামিনে ও মুছা বন্ড নামের একজন এখনো পলাতক রয়েছেন।

এছাড়াও বরগুনা নারী শিশু আদালতের বিচারক হাফিজুর রহমানের আদালতে এ মামলায় ১৪ শিশু আসামির বিচারিক কার্যক্রম চলছে।

মানবকণ্ঠ/আরবি




Loading...
ads






Loading...