রৌমারীতে ১৩ অবৈধ ট্রাক্টর আটক

রৌমারীতে ১৩ অবৈধ ট্রাক্টর আটক
- ছবি: প্রতিনিধি

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৩৮

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে অবৈধ ৭৫টি ট্রাক্টরের মধ্যে ১৩টি আটক করেছে রৌমারী থানা পুলিশ।

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে এসব ট্রাক্টর (কাকড়া) আটক করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রৌমারী উপজেলায় প্রায় শতাধিক ট্রাক্টর (কাকড়া) গাড়ি অবৈধভাবে ব্রহ্মপুত্র নদের বালু ও অন্যান্য মালামাল বহন করে আসছে। এসব ট্রাক্টরের বিকট শব্দে শব্দ দূষণ ও ধুলাবালিতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। যার ফলে বসতবাড়ির লোকজন শ্বাসকষ্ট জনিত রোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এসএসসি পরীক্ষার্থী ও শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ঠিকভাবে পড়াশোনা করতে পারছে না। অতিশব্দে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অফিসিয়াল কাজকর্ম ব্যহত হচ্ছে। বিকট শব্দে অসুস্থ ব্যক্তিরা আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। অতিমাত্রায় অবৈধগাড়ি চলাচলে সরকারের গ্রামীণ জনপদের রাস্তাঘাট ভেঙ্গে গিয়ে যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

রৌমারী সিজি জামান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু হোরায়রা বলেন, অবৈধ ট্রাক্টরগুলো রাস্তায় বেপরোয়াভাবে চালায়। এর আগে আমার বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। তাই প্রশাসনের কাছে গাড়িগুলো বন্ধের জোর দাবি করছি।

রৌমারী মর্নিং সান কিন্ডার গার্টেনের অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমার স্কুলটি রাস্তার পাশে হওয়ায় ট্রাক্টরের বিকট শব্দে পড়ালেখা করানোয় খুবই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুকি নিয়ে রাস্তায় যাতায়াত করে।

রৌমারী থানার ওসি আবু মোহাম্মদ দিলওয়ার হাসান ইনাম বলেন, অবৈধ ট্রাক্টর (কাকড়া) আটক করা হয়েছে। প্রতিটি গাড়ির পৃথক পৃথকভাবে মামলা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষি বান্ধব সরকারের ভর্তুকি দেওয়া ট্রাক্টর জমি চাষাবাদ না করে মালবাহী হিসেবে ব্যবহার করায় প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। কেড়ে নিয়েছে কোমলমতি স্কুল শিক্ষার্থীসহ বেশ কিছু জনপ্রাণ। এ নিয়ে একাধিকবার মিছিল মিটিং ও মানববন্ধনসহ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলেও এর কোন প্রতিফলন ঘটেনি। একদিকে যেমন শব্দ দূষণ অন্য দিকে জনপ্রাণ কেড়ে নেওয়ায় এসব ট্রাক্টর নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

মানবকণ্ঠ/এসকে




Loading...
ads






Loading...