কম্বল নিয়ে শীতজনিত রোগীদের পাশে ডিসি

কম্বল নিয়ে শীতজনিত রোগীদের পাশে ডিসি
কম্বল বিতরণ করছেন ডিসি আবু জাফর - ছবি: প্রতিনিধি

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ২২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:২৭

লালমনিরহাটে প্রচণ্ড শীতের কারণে শীতজনিত রোগ দেখা দিয়েছে। বেড়েছে রোগের প্রদুর্ভাগ। রোগে আক্রান্ত হয়ে লোকজন স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। গত তিনদিনে শীতজনিত রোগে দুই শতাধিক ব্যক্তি আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আক্রান্তদের দেখতে শনিবার রাতে হাতীবান্ধা হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক আবু জাফর। এ সময় সরকারিভাবে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

শনিবার রাতে জেলার হাতীবান্ধা হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ওই হাসপাতালের জরুরী বিভাগে সারা দিন ৩১ জন রোগী চিকিৎসা নিলেও তাদের মধ্যে ২২ জন রোগী শীত জনিত রোগে আক্রান্ত। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে শিশু ও নবজাতকের সংখ্যাই বেশি। রোগে আক্রান্তদের কেউ কেউ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। আবার অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে।

শনিবার রাতে শীত জনিত রোগে আক্রান্তদের দেখতে হাতীবান্ধা হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক আবু জাফর। এ সময় ইউএনও সামিউল আমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীমা সুলতানা ও পিআইও ফেরদৌস আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন।

এ দিকে গত কয়েক দিন ধরে জেলায় বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে শীতার্ত মানুষজনের মাঝে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা শীত বস্ত্র বিতরণ করছেন। শনিবার রাতে জেলা প্রশাসক আবু জাফর জেলার হাতীবান্ধা ও কালীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতাল, এতিম খানাসহ বিভিন্নি এলাকায় শীত বস্ত্র বিতরণ করেন। এ সময় হাতীবান্ধায় চিকিৎসাধীন অগ্নিদগ্ধ স্কুলছাত্রী সুমিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন হাতীবান্ধা উপজেলা প্রশাসন।

হাতীবান্ধা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্মরত মেডিকেল অফিসার যুগল কিশোর রায় বলেন, শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। যারা অল্প অসুস্থ তারা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে। যাদের বাড়ি দূরে বা অসুস্থ বেশি তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর জানান, শীতার্ত মানুষজনের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। যত দিন শীত থাকবে তত দিন শীত বস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

মানবকণ্ঠ/আরবি





ads







Loading...