এক পরিবারে ৪ খুন: ভাবী ও ভাগ্নী জামাই গ্রেফতার

এক পরিবারে ৪ খুন: ভাবী ও ভাগ্নী জামাই গ্রেফতার
নিহতরা - ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ২১:০৭,  আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ২১:০৯

কক্সবাজারের উখিয়ার রত্নাপালংয়ে চাঞ্চল্যকর একই পরিবারের ‘চার খুনের’ ঘটনায় দুই জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ঘটনার ১৪ দিন পর আলোচিত এ ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার দেখানো হলো।

বুধবার তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া দু’জন হলেন রোকন বড়ুয়ার ভাই শিপু বড়ুয়ার স্ত্রী রিকু বড়ুয়া ও রামু উপজেলার রাজারকুলের রামকূট এলাকার রোমেল বড়ুয়ার ছেলে উজ্জ্বল বড়ুয়া।

রিকু বড়ুয়া এ ঘটনায় নিহত শিশু কন্যা সনি বড়ুয়ার মা। উজ্জ্বল রোকেন বড়ুয়ার ভাগ্নীর স্বামী। পুলিশ বলছে, আলোচিত চার খুনের ঘটনায় তাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় গ্রেফতার দেখানো হলো।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল মনসুর জানান, উখিয়ার আলোচিত চার খুনের ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

ঘটনায় প্রাথমিকভাবে এ দু’জন জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তাদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

তবে ঘটনার তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত বলতে রাজী হননি ওসি আবুল মনসুর। রিমান্ড শেষে বিষয়টি পুরোপুরি জানা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ আগস্ট দিবাগত রাতে উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের পূর্ব রত্নাপালং গ্রামের বাসিন্দা প্রবীন বড়ুয়ার ছেলে কুয়েত প্রবাসী রোকেন বড়ুয়ার বাড়িতে একই পরিবারের চার সদস্যকে জবাই করে খুনের ঘটনা ঘটে।

এতে নিহতরা হলেন, রোকেনের মা সুখী বালা বড়ুয়া (৬৫), স্ত্রী মিলা বড়ুয়া (২৬), ছেলে রবীন বড়ুয়া (২) এবং ভাই শিপু বড়ুয়ার মেয়ে সনি বড়ুয়া (৬)।

এ ঘটনায় ২৬ আগস্ট রাতে রোকেনের শ্বশুড় শশাংক বড়ুয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামিদের করে উখিয়া থানায় মামলা করেন। বর্তমানের মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন ওসি (তদন্ত) মো. নুরুল ইসলাম মজুমদার।

ঘটনার দিন প্রবাসী রোকেন বড়ুয়া কুয়েতে অবস্থান করছিলেন। খবর শুনে ঘটনার পরদিন তিনি দেশে ফেরেন।

এদিকে খুনের ঘটনার পরপরই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পিবিআই এবং সিআইডির বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। এ ছাড়া তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মামলার বাদী ও স্বাক্ষী এবং নিহতদের স্বজন ও প্রতিবেশীসহ বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads




Loading...