জেরুজালেম : রক্তাক্ত এক দুঃখের নগরী


  • ড. মোঃ কামরুজ্জামান
  • ২৯ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৩০,  আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২১, ১৪:১৯

খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের নৃশংসতা থেকে বাঁচতে অনেকে উমার (রা.) এর মসজিদে আশ্রয় নিলো। কিন্তু ক্রুসেডারদের তরবারির কোপে সেখানে শুধু মৃত্যুর গোঙ্গানির শব্দই বের হলো। হাহাকার আর আর্তনাদ ছাড়া মসজিদ থেকে মুক্তির কোনো বার্তা শোনা গেল না। হায় উমার! হায় সোফরিনিয়াস! উমার ও সোফরিনায়াস এই জেরুজালেম নগরীকে রক্তপাতমুক্ত রাখার জন্য অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়েছিলেন। সেই অঙ্গীকারি আজ ভেসে গেল নিরীহ মানুষের রক্তের বন্যায়। রক্তের নদীতে ভাসতে থাকলো অসংখ্য মুসলিম ও ইহুদির লাশ। লাশের এ সারিতে ছিল বৃদ্ধ, যুবক, নর-নারী ও শিশুরা।

জেরুজালেমে নৃশংসতার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর নাম রেমন্ড দা এজিলেস। তিনি ক্রুসেডারদের নৃশংসতার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন এভাবে-‘মসজিদের বারান্দায় মানুষের হাঁটু পরিমাণ রক্ত জমে গিয়েছিল। আর ঘোড়ার লাগাম পর্যন্ত রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল’। ১০৯৯ সালের ১৫ জুলাই। ক্রুসেডারদের হাতে বায়তুল মুকাদ্দাস পদানত হয়। খ্রিস্টানরা বায়তুল মুকাদ্দাসে প্রবেশ করে। তারা মসজিদে অনেক পরিবর্তন সাধন করে। তারা মসজিদকে গির্জায় পরিণত করে। এভাবেই মুসলিম শাসনের গৌরবময় ৪৬২ বছরের পতন ঘটে।

ইহুদিদেরকেও মুসলমানদের মতো ভাগ্যবরণ করতে হয়। কারণ তারাও মুসলমানদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। সেজন্য তাদের ভয়াবহ মূল্য দিতে হয়। খ্রিস্টানরা তাদেরকে হেয় ও ঘৃণ্য জীব হিসেবে বিবেচনা শুরু করলো। তাদের জন্য জমি চাষ করার অনুমতি রহিত হয়ে গেল। তাদের জন্য চাকরি নিষিদ্ধ করা হলো। আর যারা চাকরিরত ছিল তাদেরকে চাকরি থেকে বিতাড়িত করা হলো। গলায় মোজেসের নির্দেশনামা কিংবা অপমানকর হলুদ ব্যাজ ঝুলিয়ে দেয়া হলো। ঘোড়ার গাড়িতে চড়া নিষিদ্ধ করা হলো। এক শহর থেকে আরেক শহরে ঢুকতে কর আরোপ করা হলো। বসবাসের জন্য একটি বস্তিকে নির্দিষ্ট করে দেয়া হলো। এটাই ছিল তাদের একমাত্র বসবাসের ঠিকানা।

যখন যেভাবে খুশি তাদেরকে ধরে নিয়ে হত্যা করা শুরু হলো। রীতিমতো উত্সবের আমেজে ইহুদিদের ধরে ধরে গণবলি দেয়া হলো। ঘরবাড়ি মনের আনন্দে খ্রিস্টানরা জ্বালিয়ে দিল। তাদেরকে সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে ভর্তি করা হলো। উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধে গিয়ে শত্রুদের হাতে যেন তাদের মৃত্যু হয়। রাশিয়ার জার সরকার সকল ইহুদি নারীর গলায় বেশ্যার চাকতি পরিয়ে দিল।

এভাবেই খ্রিস্টানরা ইহুদিদেরকে অমানবিক নির্যাতন শুরু করলো। বিশ্বের ইতিহাস থেকে ইহুদিবসতি প্রায় সম্পূর্ণ উচ্ছেদ হলো। অবশেষে ইহুদিরা ভূমিহীন এক যাযাবর জাতিতে রূপান্তরিত হলো। জেরুজালেম অবরোধকালীন সময়ে প্রবীণ উহুদিরা জীবন বাঁচাতে অতীত নীতি অনুসরণ করলো। তারা নগরের সমস্ত ইহুদিদেরকে সিনাগগে জড়ো হতে নির্দেশ দিল। ফলে ইহুদি নরনারী, শিশু-বৃদ্ধ সবাই প্রধান সিনাগগে জড়ো হলো। তারা সেখানে প্রার্থনায় মগ্ন হলো। কিন্তু এতে তাদের শেষ রক্ষা হলো না। ধর্মোন্মাদ খ্রিস্টান ক্রুসেডাররা সিনাগগের চারিদিক ঘিরে ফেলে আগুন লাগিয়ে দিলো। একটি শিশুও যাতে ফাঁক-ফোকর দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে সেদিকে ক্রুসেডাররা কড়া নজর রাখলো। ফলে হাজার হাজার ইহুদি নর-নারী, শিশু ও বৃদ্ধ জীবন্ত পুড়ে মারা গেল। ক্রুসেড নামক এই অবরোধের জন্য ৯০০ (নয় শত) বছর পরে ভ্যাটিকানের পোপ মুসলিম ও ইহুদিদের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন।

খ্রিস্টানরা ধারণা করতো যে, যিশুর মৃত্যু ও পুনরুত্থানের সহস্রাব্দ পূর্ণ হলে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। আর পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার আগে পাপমোচন না হলে তাদেরকে নিশ্চিত নরকে যেতে হবে। আর ক্রুসেড ছিল তাদের কাছে পাপমোচনের একমাত্র উপায়। ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টানরা জানতো যে, তারা অনেক পাপ করেছে। এবং ক্রুসেড বা ধর্ম যুদ্ধে যোগ দিলে ঈশ্বর তাদের মার্জনা করবেন। পোপ দ্বিতীয় আরবান তাদের এই বলে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন যে, ক্রুসেডে জীবন উত্সর্গ করলে ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টানরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্বর্গে যাবে।

আরেক শ্রেণির খ্রিস্টান ছিল যারা বিশ্বাস করতো, জেরুজালেম জয় করলে তারা সেখানকার সম্পদ দখল করে রাতারাতি ধনী হয়ে যাবে। এটা জয় করা সম্ভব হলে তীর্থযাত্রায় কর দিতে হবে না। গির্জা তাদের নিরাপত্তা প্রদান করবে। এ ধারণা থেকে খ্রিস্টানরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ধর্মযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ অভিযান বৃহত্তর কেনান দেশে (বর্তমানে সিরিয়া) পরিচালিত হয়। পরিচালিত হয় উত্তর আফ্রিকা, আইবেরীয় উপদ্বীপ ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলেও।

এছাড়া বাল্টিক উপকূলীয় অঞ্চল ছাড়িয়ে পশ্চিম ইউরোপেও পরিচালিত হয়। ক্রুসেড শুধু মুসলমানদের বিরুদ্ধে ছিল না। এ ক্রুসেড ছিল পোল্যান্ডের ধর্মহীন পোলিশ ওয়েল্ডিশ, বাল্টিক অঞ্চলে বাল্ট ও লিথুয়ানীয়দের বিরুদ্ধেও। এছাড়া মঙ্গোলীয়, অর্থোডক্স রুশ, গ্রিক, ক্যাথার ও ধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধেও ক্রুসেড পরিচালিত হয়। রোমান গির্জার শত্রু ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধেও পরিচালনা করা হয় এ ক্রুসেড। রোমান গির্জার নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব নিশ্চিত করতেও এ ক্রুসেড পরিচালিত হয়। পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও বিরোধ নিরসনে স্বধর্মের বিরুদ্ধেও চালানো হয় এ ক্রুসেড। ধর্মীয় উন্মাদনা ও চেতনার আড়ালে ক্রুসেড ছিল মূলত তাদের নিজেদের হীনি স্বার্থ চরিতার্থ করা।

বিশেষত মুসলিম বিশ্বে ‘সেক্যুলারিজম’ তথা ধর্মহীনতা চাপিয়ে দেয়া ছিল তাদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। আর এ ক্ষেত্রে তারা যথেষ্ট সাফল্যও লাভ করেছে। পাশ্চাত্যের অধিকাংশ খ্রিস্টান ঐতিহাসিক ক্রুসেডারদের তাই ‘সেক্যুলার’ বা ধর্মহীন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। মূলত ক্রুসেড পরিচালনা করার পিছনে ধর্মীয় আবেগ যতটা কাজ করেছিল তার চেয়ে বেশি কাজ করেছে জাগতিক স্বার্থ। সাধারণ খ্রিস্টানরা ক্রুসেডে যোগদান করেছিল ধর্মীয় আবেগে। অন্যদিকে ইউরোপীয় রাজা, নাইট, ভূস্বামী ও বণিকরা যোগদান করেছিল রাজনৈতিক স্বার্থে।

তাদের মধ্যে কাজ করছিল সামরিক ও বাণিজ্যিক স্বার্থও। নয়া ভূখণ্ড দখল করে ধনী হওয়ার উদগ্র লোভও ছিল ক্রুসেডের অন্যতম উদ্দেশ্য। ক্রুসেডে খ্রিস্টানদের যোগদানের যোগ্যতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ১২৭০ দশকে রোমাঞ্চের হুবার্ট বলেছিলেন: ‘ঈশ্বরের জন্য মৃত্যুবরণ তাদের উদ্দেশ্য ছিল না। তাদের উদ্দেশ্য ছিল মুসলিমদের প্রতি সৃষ্ট ঘৃণা-বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ ঘটানো। লক্ষ্য ছিল, জেরুজালেম দখল ও তাতে রক্ষিত সম্পদ লুণ্ঠন করা।”

ক্রুসেড! রক্তের নদী প্রবাহিত হওয়া যার নাম! শব্দটির ব্যাপ্তি ও গভীরতা সীমাহীন। এর বিষাদময় পরিণতির খবর পৃথিবীর অনেকের কাছেই অজানা। মধ্যযুগে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানকে বোঝানোর জন্য এ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৬৩৮ সালে ক্লারমেন্টের ঐতিহাসিক এক গ্রন্থে ‘ক্রয়েসাডি’ শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহূত হয়। এ শব্দটিই পরবর্তীতে ক্রুসেড অর্থে ব্যবহূত হতে থাকে। ১৭৫০ সাল নাগাদ ক্রুসেড শব্দটি ইংরেজি, ফরাসি ও জার্মান ভাষায় স্থান করে নেয়। ইংরেজ কবি উইলিয়াম শেনস্টোন ১৭৫৭ সালে সর্বপ্রথম অক্সফোর্ড ইংরেজি অভিধানে শব্দটি সংযোজন করেন। ক্রুসেড শব্দটির সাথে যার নামটি অবিচ্ছিন্ন মিশে আছে তিনি হলেন কুর্দি বীর সালাহউদ্দিন আইয়ুবী। ইউরোপিয়ানরা যাকে সালাদিন বলে থাকে।

সালাদিন ইরাকের তিকরিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এ মুসলিম বীর খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের রুখে দিয়েছিলেন। তিনি জেরুজালেমে বিদেশি আধিপত্যের বিশ দাঁত ভেঙ্গে দিয়েছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে তিনি এমন আঘাত হেনেছিলেন যা শত শত বছরেও খ্রিস্টানরা ভুলতে পারেনি। ১৯২০ সালে জেরুজালেম মুসলিমদের হাত ছাড়া হয়ে যায়। ফরাসি জেনারেল হেনরি গুরাউড এটি দখল করে নেন। দখল করেই তিনি পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে অস্থির হয়ে ওঠেন। তিনি চলে যান মৃত সালাহউদ্দিনের কবরের পাশে। অতঃপর মৃত সালাহউদ্দিনের কবরে তিনি লাথি মারেন। কাপুরুষের মতো তিনি সদম্ভে বলেছিলেন, Awake Saladin, we have returned অর্থাত্ ‘হে সালাদিন জেগে উঠো, দেখো আমরা ফিরে এসেছি’। ইতিহাসের মুসলিম এ মহানায়কের পূর্ণ নাম হচ্ছে, আবু-নাসির সালাহউদ্দিন ইউসুফ ইবনে আইয়ুব। ৫৩২ হিজরি (১১৩৮ খ্রিস্টাব্দে) ইরাকের তিকরিতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

১০৯৯ সালের এক ঘটনা। বায়তুল মুকাদ্দাস তখন খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের দখলে। বাগদাদ শহরে বাস করতেন এক কাঠমিস্ত্রি। তিনি কাঠ দিয়ে মনের মাধুরি মিশিয়ে নির্মাণ করেন এক মনোরম মিম্বর। মিম্বরটির সৌন্দর্যের কথা ছড়িয়ে পড়ে চতুর্দিকে। আর সেটা পরিদর্শন করতে তার বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকে অসংখ্য মানুষ। সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে অনেক দর্শনার্থী মিম্বরটি কিনতে চায়। কিন্তু মিস্ত্রি সেটা বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি জানান, এটা নির্মাণ করেছেন বায়তুল মুকাদ্দাসের জন্য। এ কথা শুনে দর্শনার্থীরা হাসাহাসি করতো। তারা তাকে পাগল বলে আখ্যায়িত করতো। তথাপিও কাঠমিস্ত্রি তার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। এর বহুদিন পরের কথা। ইরাকের তিকরিত থেকে আগমন ঘটলো একজন দর্শকের। তার সাথে ছিল ছোট এক বালক।

বালকটি কাঠমিস্ত্রির সব কথা শুনলো। সে কাঠমিস্ত্রির স্বপ্ন পূরণ করবার প্রতিজ্ঞা করলো। এই ছেলেটিই হলো সেই ছেলেটি; ইতহাসের মহানায়ক, জেরুজালেমকে পুনরুদ্ধারকারী বীরসেনানী আবু-নাসির সালাহউদ্দিন ইউসুফ ইবনে আইয়ুবী (র.)। তার নেতৃত্বেই মুসলিমগন বায়তুল মুকাদ্দাস উদ্ধার করেছিলেন। আর জেরুজালেমকে মুক্ত ও স্বাধীন করেছিলেন। এ মহাবীরের জন্ম হয় ১১৩৭ সালে বর্তমান ইরাকের তিকরিত এলাকায়। তার আসল নাম ইউসুফ। আর তার উপাধি ছিল সালাহ-আদ-দ্বীন (সালাহ উদ্দিন আইয়ুবী)। যার অর্থ ধর্মের ন্যায়তা। সালাহউদ্দিনের জন্মের পাঁচ বছর আগের কথা। ইরাকের মসুল শহরের শাসক তখন ইমামুদ্দিন জাঙ্কি। ইমামুদ্দিন এক যুদ্ধে পরাজিত হয়ে পালাবার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি টাইগ্রিস নদীতে বাধাগ্রস্ত হন। আর নদীর উল্টোপ্রান্তে ছিল তিকরিত নগরী। এ নগরীর রক্ষক ছিলেন সালাহ উদ্দিনের বাবা নাজমুদ্দিন আয়ুব। নদী পার হতে নাজমুদ্দিন আয়ুব ইমামুদ্দিনের জন্য ফেরির ব্যবস্থা করেন। তিনি তাকে তিকরিতে আশ্রয় দেন। ইমামুদ্দিনকে আশ্রয় দেয়ার অপরাধে নাজমুদ্দিন আয়ুবকে তিকরিত থেকে বহিষ্কার করা হয়।

তিনি কোনো এক রাতের বেলা তিকরিত ত্যাগ করেন। আর ঐ রাতেই ইতিহাসের এ মহাবীর সালাহউদ্দিন আইয়ুবী (র.) জন্ম গ্রহণ করেন। ইতিহাসের এ মহাবীরের বাল্যকাল সম্পর্কে খুব একটা জানা যায় না। অবশ্য তিনি এ সময় দামেস্কে বড় হতে থাকেন। এ শহরকে তিনি খুব ভলোবাসতেন। কিশোর বয়সে সালাহউদ্দিন ধর্মতত্ত্ব সম্পর্কে যথেষ্ট ব্যুত্পত্তি অর্জন করেন। কুরআন-হাদিস, আকাইদ, ফিকহ, দর্শনসহ বিভিন্ন জ্ঞানের শাখায় বিচরণ করেন। ইউক্লিড জ্যামিতি, গনিত আর আইন শাস্ত্রেও দক্ষতা অর্জন করেন। ইতিহাসের জ্ঞানটিও তিনি ইতিমধ্যে সেরে ফেলেন। আরব ইতিহাস আর আরবি ঘোড়ার বংশ-ইতিহাসও তিনি আয়ত্ত করেন। আরবি ও কুর্দি ভাষা শেখার কাজটিও তিনি সেরে ফেলেন। (চলবে)

লেখক: অধ্যাপক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া


poisha bazar

ads
ads