চীন-ইরান সমঝোতা ও ভারত প্রসঙ্গ


poisha bazar

  • মো. রাশেদ আহমেদ
  • ০৪ মে ২০২১, ১৩:০৩

বর্তমান পৃথিবী অদৃশ্য ও অমঙ্গল শক্তি অর্থাৎ করোনা ভাইরাসের কাছে নাস্তানাবুদ। বলা চলে, এই ভাইরাসের কাছে একরকম অসহায়ত্ব আত্মসর্মপণ করে পরাজয়ের কাতারে বিশ্ববাসী। যেমনটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অক্ষশক্তি মিত্রশক্তির কাছে শোচনীয় পরাজয় ঘটেছিল। সা¤প্রতিক দিনগুলোতে বিশ্বে প্রতিনিয়ত হু হু করে বাড়ছে কোভিড-১৯ শনাক্ত রোগীর সংখ্যা।

সেইসাথে জ্যামিতিক হারে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। সর্বশেষ তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত বিশ্বে মারা গেছে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ। নিঃসন্দেহে বলা চলে দ্বিতীয় যুদ্ধের পর এমন ক্লান্তিলগ্ন সময় আর কখনো অতিক্রম করেনি বিশ্ববাসী। করোনার প্রকোপ ঠেকাতে আবারও কঠোর লকডাউনের কথা ভাবছে ইউরোপসহ বিশ্বের অনেক দেশ।

কিন্তু এরপরও থেমে নেই যুদ্ধ বিগ্রহ কিংবা ক‚টনীতিক কৌশলের মাধ্যমে অপরকে পরাজিত করার ফন্দি। এইতো কয়েকদিন আগে কোয়াড নিয়ে অনলাইন আলোচনায় বসেছিল উক্ত জোটের নেতৃত্ববৃন্দ। যেখানে ভারতে টিকা তৈরির আড়ালে আগামীতে চীনের প্রভাব কিভাবে ঠেকানো যায় সেই বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ১৬টি দেশ জোটবদ্ধ হয়ে ওয়াশিংটনের অবৈধ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করার সুযোগ খুঁজছে বলে বিশ্ব গণমাধ্যমে সংবাদ রটে। এবার মূল আলোচনায় ফিরে আসা যাক, বহুল প্রতীক্ষিত চীন-ইরান দ্বিপাক্ষিক ২৫ বছরের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দেশ দুটি। যা এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতি প্রাঙ্গণে আলোচনার খোড়াক জোগাচ্ছে।

এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে চীন-ইরান কেন এতো লম্বা সময়ের জন্য চুক্তি সম্পাদন করল? অথবা এর পিছনে রহস্য কি! একটু পিছনে ফিরে আসা যাক, ২০১৬ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিং পিং তেহরান সফরের সময় সমঝোতা চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কার্যত এই সময়ের মধ্যে চুক্তির খুঁটিনাটি বিষয়গুলো দেখভাল করে উভয় দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যা কূটনীতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীতে এসে বাস্তবায়ন করল।

জানা যায়, এ চুক্তি হয়েছে মূলত অর্থনৈতিক কেন্দ্রিক। যেখানে অগ্রাধিকার পেয়েছে জ্বালানি তেল, রেল সেক্টর, বন্দর উন্নয়ন, ব্যাংকিং এবং অবকাঠামোর মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ খাত। ইরানের রাজধানী তেহরানে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খতিবজাদেহ বলেন, উক্ত চুক্তিতে বাণিজ্য, অর্থনীতি ও পরিবহন সহযোগিতার একটি নির্দিষ্ট রোডম্যাপ যেখানে উভয় পক্ষের বেসরকারি খাতে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। যদিও চুক্তির বৃহত্তর অংশ এখনও প্রকাশ করেনি দেশ দু’টি। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, তেহরান-বেইজিং সমঝোতা চুক্তির ফলে আগামীতে ভ‚-রাজনীতিসহ বিশ্বরাজনীতির মঞ্চে বড় প্রভাব ফেলবে।

উল্লেখ্য, চীন-ইরান ক‚টনীতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ১৯৭১ সালে। ইরানের পারমাণবিক শক্তি ও সামর্থ্য নিয়ে পশ্চিমাদের উৎকণ্ঠা আর মাথা ব্যথার কারণ আজ নতুন নয়। যার ফলশ্রুতিতে, ২০১৫ সালে ওবামা শাসনকালে দীর্ঘ আলোচনা শেষে (চ৫+১) চুক্তিতে উপনীত হয় ইরান ও ছয় দেশ। ফলে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে কিছুটা লাঘব মিলে ইরানের অর্থনীতি। যা তেহরানের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে সাহায্য করে।

কিন্তু দুঃখজনক ভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শাসনকালে ইরান চুক্তি মানছে না এমন নিছক খোঁড়া অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৮ সালে এককভাবে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। সুনির্দিষ্ট করে বলতে গেলে ইসরাইল ও সৌদিআরবের তোষামোদ করতে গিয়ে এমন হঠকারিতা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

তিনি আজ অতীত ক্ষমতায় আসীন হয়েছেন জো বাইডেন কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া বিষপাম্প এখনও বয়ে বেড়াতে হচ্ছে ইরানকে। ট্রাম্পের দেওয়া ইরানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ফলে দেশটির অর্থনীতির অবস্থা দুর্বল হয়েছে। ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে তেল রফতানি। এছাড়া বেড়েছে মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং কমেছে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ।

এ ধারা অব্যাহত থাকলে নিকট ভবিষ্যৎতে দেশটিতে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে এমন আশংকা থেকে এই সমঝোতা চুক্তি যা অনুমেয়। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ফলে মহামারীর কঠিন সময়েও পর্যাপ্ত চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয় করতে পারেনি ইরান। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঢাকঢোল পিঠিয়ে ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তিতে ফেরার অঙ্গীকার করলেও এখন পর্যন্ত প্রত্যাবর্তন ইস্যু নিয়ে খুব বেশি আলোর মুখ দেখা যাচ্ছে না। বরং তিনি ট্রাম্পের পথেই হাঁটলে নিশ্চয় অবাক হবে না বিশ্ববাসী।

বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে আগ্রাসন নীতির কারণে আলোচিত ও সমালোচিত কমিউনিস্ট শাসিত চীন সরকার। কার্যত রাজনীতির ময়দানে প্রভাব বিস্তারের ফলে ইতিমধ্যে বহুবিধ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন বেইজিং। ইরানের সাথে দীর্ঘ মেয়াদি সমঝোতা চুক্তির ফলে অনেকটা নিস্তার মিলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে চীন উইঘুর মুসলমান নির্যাতন ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিপাকে রয়েছে। জিংজিয়াং মুসলমানের ওপর নির্যাতন, হত্যা, রেপ, জোরপূর্বক ভ্রুণ নষ্ট ও কমিউনিস্ট শিক্ষাদানের অভিযোগে চীনের শীর্ষ চার ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং কানাডা সম্মিলিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

অপরদিকে, পাল্টা জবাব হিসেবে চীনের সার্বভৌমত্ব লংঘন ও মিথ্যা অপবাদ প্রচারের অভিযোগে ইউরোপের ১০ ক‚টনীতিক এবং চার প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বেইজিং। উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন সর্বশেষ ১৯৮৯ সালে তিয়েন আন স্কয়ারে গণতান্ত্রিক পন্থির ওপর দমন পীড়নের অভিযোগে বেইজিং নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছিল।

চীন উইঘুর ইস্যুকে বরবারই অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ফিলিস্তিন মুসলমানদের ওপর ইসরাইল কর্তৃক সীমাহীন নির্যাতন, নিপীড়ন, বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে কেন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ সম্মিলিত দেশসমূহ নিষেধাজ্ঞা বা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যর্থ। বিশ্ব মোড়লদের এমন দ্বিমুখী আচরণ কতটা গ্রহণযোগ্য!

অতিস্খূভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, মূলত বিশ্বে চীনের উত্থানকে কোণঠাসা ও উইঘুর ইস্যুকে কেন্দ্র করে চীনকে বিশ্বের কাছে কালো অধ্যায় হিসেবে পরিচিতি করতে এমন সিদ্ধান্ত। তবে বেইজিং কোনক্রমেই পশ্চিমাদের কাছে মাথা নত করবে না তা একরকম নিশ্চিত। বরং পশ্চিমাদের যে কোন সিদ্ধান্তে পাল্টা পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত বেইজিং।

যার সর্বশেষ প্রমাণ পাওয়া যায় উইঘুর ইস্যু কেন্দ্রিক গৃহীত সিদ্ধান্ত। নিঃসন্দেহে চীন-ইরান সমঝোতা চুক্তির ফলে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো বেশি সুদৃঢ় হবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে ২০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে বিনিয়োগের পরিমাণ আগামী ২৫ বছরে কমপক্ষে ৪৪ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ হতে পারে।

অপরদিকে, চীন ইরান থেকে সুলভ মূল্যে তেল-গ্যাস আমদানি করার সুযোগ পাবে এবং চীনা মুদ্রায় দেয়া সেই দাম পরিশোধ করতে পারবে। জ্বালানি খাতের জন্য বিশেষ সাময়িকী পেট্রোলিয়াম ইকোনমিস্ট গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম প্রকাশ করে যে ইরানের তেল, গ্যাস এবং পেট্রো-কেমিক্যাল খাতে ২৮০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে চীন।

আরো উল্লেখ করা হয় “চীন ও ইরানের এই চুক্তি বিশ্বের তেল ও গ্যাস খাতের ভারসাম্যে মৌলিক পরিবর্তন আনবে যেখানে লেনদেনের ক্ষেত্রে মার্কিন ডলারের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।” বলা চলে, এই সমঝোতা চুক্তির ফলে তেহরান-বেইজিং সম্পর্ক ষধংঃরহম থেকে ঢ়বৎসধহবহঃ এরদিকে একধাপ অগ্রসর হলো। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসবে ভূ-রাজনীর ক্ষেত্রে।

চীন তাদের বিনিয়োগ সুরক্ষায় ইরানে তাদের ৫ হাজার সৈন্য মোতায়েন করতে পারবে। এর ফলে দীর্ঘ দিনের প্রতীক্ষার পর মধ্যপ্রাচ্যের নিজেদের সৈন্যের উপস্থিত জানান দিতে পারবে বেইজিং। সেইসাথে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে ঘনিষ্ঠভাবে প্রবেশের সুযোগ থাকবে। অপরদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

যেখানে তাদের সৈন্যরা অরক্ষিত এবং বিভিন্ন গোষ্ঠী কর্তৃক হামলার শিকার হচ্ছে। সা¤প্রতিক সময়ে ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে ওয়াশিংটন। ধারণা করা হচ্ছে, এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ইরানের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হবে। সন্দেহ নেই, এতে মধ্য-প্রাচ্যের রাজনীতির মাঠে কোণঠাসা হয়ে পড়বে ওয়াশিংটনের মিত্র সৌদি জোট।

তবে মধ্য-প্রাচ্য ইস্যু নিয়ে চীন-ইরানের সাথে সমঝোতা ঘটলে উক্ত দেশগুলোতে বেইজিং এর বিনিয়োগ বাড়তে পারে এমনটাই মনে করা হচ্ছে। কার্যত তা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয় গবেষক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক শিরিন হান্টার মিডল-ইস্ট আইতে এক নিবন্ধে বলছেন,ইরানের সাথে চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে চীনের অবস্থান সংহত করবে।

“সেই সাথে ইরানের অর্থনীতির প্রভ‚ত উন্নতি হবে। ফলে তাদের রাজনীতিও স্থিতিশীল হবে। তবে এক্ষেত্রে ইরানের সাথে সংঘাতের ব্যাপারে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের মধ্যে আগ্রহ কমবে। “এমনকি উপসাগরের অনেক দেশে চীনের সাথে এই ধরণের বিশেষ চুক্তিতে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারে।”

ইরান-চীন সমঝোতা চুক্তি এশিয়া অঞ্চলে রাজনীতির ক্ষেত্রেও পরিবর্তন লক্ষণীয়। দিল্লির জওহারলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক সঞ্জয় ভরদোয়াজ বিবিসি বাংলাকে বলেন, চীনের সাথে ইরানের অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত যে সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে ভারতের মাথাব্যথা বাড়ছে।

তিনি বলেন, “ভারতের কাছে ইরানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। সেই সম্পর্কের ফাটল ধরবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর পিছনে ভারতকেই দায়ী করা হয়। কারণ গত কয়েক বছরে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যতটা সম্পর্ক উন্নয়ন করছে তদ্রুপ ইরানকে গুরুত্ব দেয়নি। এমনি ভারতের চীনবিরোধী কঠোর অবস্থানও এ সম্পর্কে চির ধরার জন্য দায়ী।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, এশিয়ার রাজনীতিতে নিকট ভবিষ্যৎতে ইরান, চীন, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান একজোট হয়ে কাজ করবে। এতে কার্যত এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে ভারত কোণঠাসা হয়ে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

অপরদিকে, চীনের বহুল প্রতীক্ষিত ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ মহাযজ্ঞের সাথে এখনো সম্পৃক্ত হয়নি ভারত। দ্ব্যর্থহীনভাবে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ নিষেধাজ্ঞা একঘেয়েমি আচরণ আর পশ্চিমাদের সাইলেন্ট নীতি ইরান-চীন দীর্ঘ মেয়াদি সমঝোতাকে ত্বরান্বিত করেছে মাত্র। যে গর্ত খনন করেছিল বিগত ট্রাম্প প্রশাসন। এছাড়া অন্যকোন দ্বার খোলা নেই তাদের হাতে। সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়, এ চুক্তি বর্তমান পশ্চিমাদের মাথা ব্যথার বড় কারণ।

অপরদিকে চীন অথবা রাশিয়ার নেতৃত্বে ১৬ টি দেশের সমন্বয়ে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী জোট গঠনের সম্ভাবনা এখন উজ্জ্বল। যদি তা বাস্তবায়ন হয় তাহলে করোনা ভাইরাসের সময় দ্বিতীয় স্নায়ু যুদ্ধের সম্মুখীন হবে বিশ্ববাসী।

লেখক: প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট






ads
ads