রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা

ব্রি. জে. হাসান মো. শামসুদ্দীন
ব্রি. জে. হাসান মো. শামসুদ্দীন - সংগৃহীত

poisha bazar

  • ব্রি. জে. হাসান মো. শামসুদ্দীন
  • ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১১:১২

২৫ আগস্ট ২০১৭ সালের পর মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। মানবতার জননী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের দুর্দশা স্বচক্ষে দেখার জন্য ঘটনার অব্যবহিত পরেই ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো পরিদর্শন করে নিপীড়িত এই জনগোষ্ঠীর প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

এর পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের অবস্থানকে মানবিক এবং সহনীয় করার জন্য কাজ করতে আগ্রহী কয়েক শত বিদেশি সংস্থাকে ক্যাম্পগুলোতে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। এই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বাংলাদেশ সফলতার সঙ্গে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়।

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব করেন। এই প্রস্তাবে অনতিবিলম্বে এবং চিরতরে মিয়ানমারে সহিংসতা এবং জাতিগত নিধন নিঃশর্তে বন্ধ করা, দ্রুত মিয়ানমারে জাতিসংঘ মহাসচিবের নিজস্ব অনুসন্ধানী দল পাঠানো, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে মিয়ানমারের ভেতরে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে সুরক্ষা বলয় গড়ে তোলা, রাখাইন রাজ্য থেকে জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া, সব রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে তাদের নিজেদের বাড়িতে প্রত্যাবর্তন ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং কফি আনান কমিশনের সুপারিশমালা নিঃশর্ত, পূর্ণ এবং দ্রæত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

২০১৮ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ৭৩তম অধিবেশনের বক্তৃতায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন ত্বরান্বিত করতে রাখাইন রাজ্যে তাদের জন্য একটি সেইফ জোন তৈরি করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ দফা দাবি তুলে ধরেন।

রোহিঙ্গা সংকটকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার হুমকি উল্লেখ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন এবং আত্তীকরণে মিয়ানমারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে রাজনৈতিক সদিচ্ছার পূর্ণ প্রতিফলন দেখানো, বৈষম্যমূলক আইন ও রীতি বিলোপ করে মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের আস্থা তৈরি করা এবং রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের উত্তর রাখাইন সফরের আয়োজন করা, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে বেসামরিক পর্যবেক্ষক মোতায়েনের মাধ্যমে মিয়ানমার কর্তৃক রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেয়া, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই রোহিঙ্গা সমস্যার মূল কারণগুলো বিবেচনায় আনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অন্যান্য নৃশংতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এই মানবিক বিপর্যয়ের শুরু থেকে জুলাই অর্থাৎ ২০১৭ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে সর্বমোট ২.০৮ বিলিয়ন ডলার সহায়তা গৃহীত হয়েছে। ২০১৭ সালে ৪.৩৪ মিলিয়ন ডলার চাহিদার বিপরীতে ৩১৭ মিলিয়ন ডলার পাওয়া গিয়েছিল, ২০১৮ সালে ১০০০ মিলিয়ন ডলার চাহিদার বিপরীতে ৬৫০ মিলিয়ন ডলার এবং ২০১৯ সালে ৯২০ মিলিয়ন চাহিদার বিপরীতে ৬৯৫ মিলিয়ন ডলার, ২০২০ সালে ১১০০ মিলিয়ন এর বিপরীতে জুলাই মাস পর্যন্ত ৪০৯ মিলিয়ন সহায়তা পাওয়া গেছে যা চাহিদার ৩৯ শতাংশ।

ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে আশা করা যায়। তা না হলে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর ভার বহন করা বাংলাদেশের একার পক্ষে সম্ভব হবে না। বাংলাদেশের কোষাগার থেকে ইতোমধ্যে রোহিঙ্গাদের পেছনে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা নানা ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এই পর্বে কয়েকটা দেশের গৃহীত কার্যক্রম সম্বন্ধে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করা হবে।

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনের জন্য সমালোচনা করেন। তিনি রোহিঙ্গাদের সম্মানের সঙ্গে এবং নিরাপদে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে একটা সুন্দর সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেন এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাকে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ধন্যবাদ জানান।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চলমান রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই সংকট সমাধানে তিনি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মিয়ানমারের মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইয়াংহিলি, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পৃথিবীর বৃহৎ সব দেশকে দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে উল্লেখ করেছিলেন।

রোহিঙ্গা সমস্যা একটা বড় সমস্যা এবং জাতিসংঘ এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চায়। সমস্যা যত দীর্ঘায়িত হবে সমাধান ততই অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে তিনি মত পোষণ করেছিলেন। ঢাকাস্থ জাতিসংঘ রেসিডেন্ট কো-অর্ডিনেটর মিয়া সেপ্পো জানান, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সমস্যায় যা করণীয় তা করেছে। এখন বিশ্ব নেতৃত্বের এই সমস্যা সমাধানে কাজ করা প্রয়োজন।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমসহ অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ২০১৯ সালের ২৭ ডিসেম্বরে নিন্দা প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রস্তাবে মিয়ানমারের প্রতি রোহিঙ্গা ও অন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা, বিদ্বেষমূলক উত্তেজনা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয় ১৩৪টি দেশ। বিপক্ষে ভোট দেয় ৯টি দেশ। আর ২৮টি দেশ ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে। ব্রাজিল রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশকে সহায়তা দেয়ার জন্য সব সময় প্রস্তুত বলে জানায়। ঢাকাস্থ ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত জানান, ব্রাজিলের এই সমর্থন আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। ব্রাজিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এবং ইউএনএইচসিআর এ গৃহীত রেজুলিউশনে সমর্থন দিয়েছে। ব্রাজিল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিরাপদে তাদের নিজ দেশে অর্থাৎ এর আগে যেখানে তারা বসবাস করত সেখানে ফেরত যাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে সহায়তা করার জন্য চেষ্টা করছে।

বাংলাদেশে অবস্থানরত ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসন জানান যে, রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের সমস্যা নয়, এটা সারা বিশ্বের সমস্যা এবং এই সমস্যার দ্রুত সমাধান আবশ্যক। ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই তারিখে লন্ডনের উইম্বলডনে লর্ড আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান চায়। লুক্সেমবার্গ, টেকসই এবং শান্তিপূর্ণভাবে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সব ধরনের সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে বাংলাদেশ সরকারকে আশ্বস্ত করেছে।

লুক্সেমবার্গের ডেভলপমেন্ট কো-অপারেশন এবং হিউমেনিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক মন্ত্রী তাদের সরকারের এই অবস্থানের কথা জানায়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী লুক্সেমবার্গকে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর দৃশ্যমান ও আন্তরিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানান যাতে রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার জন্য অনুক‚ল পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং তারা নিরাপদে সেখানে ফিরে যেতে পারে।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক এবং মানবাধিকার বিষয়ক আইনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে সুইজারল্যান্ড মতো পোষণ করেছে। সুইজারল্যান্ড, রোহিঙ্গা সমস্যার প্রথম দিকের সহায়তা দানকারী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি রাষ্ট্র যার এই সমস্যার শুরুতে মানবিক সাহায্য নিয়ে বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল।

সুইজারল্যান্ড রাখাইন প্রদেশে অ্যাডভাইজর কমিশনের সুপারিশ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। সুইজারল্যান্ড আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে একত্রে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের সঙ্গে থেকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। সুইজারল্যান্ড রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, সম্মানজনক এবং নিরাপদে প্রত্যাবর্তন দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সুইজারল্যান্ড মানবিক সাহায্য এবং রোহিঙ্গাদের দুর্দশা লাঘবের জন্য ৩০ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অর্থনৈতিক সাহায্যের পাশাপাশি সুইস বিশেষজ্ঞরা কক্সবাজারে কর্মরত জাতিসংঘের সংস্থাগুলো এবং এনজিওদেরও সহায়তা প্রদান করে আসছে।

সুইজারল্যান্ড রোহিঙ্গাদের মানবিক এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহায়তা দেয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের সঙ্গে দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মারি এনিক বুর্দিন জানিয়েছেন, ফ্রান্স রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে। ব্রুনাইয়ের সুলতান হাজী হাসান আল বলখিয়াহ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে একটি সঠিক এবং স্থায়ী সমাধানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি রোহিঙ্গারা যেন মিয়ানমারে ফেরত যেতে পারে সে জন্য যে কোন পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে তার সমর্থন ব্যক্ত করেন।

গত তিন বছরে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নানাভাবে তাদের কার্যক্রম চালু রেখেছে। এই সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সফলতার সঙ্গে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। তিন বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আশ্রয় নেয়া বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মানবিক সহযোগিতা পেয়ে আসছে। জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফেরত যাওয়া নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপগুলোতে তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেছে। এত কিছুর পরও রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন এখনও শুরু হয়নি।

২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর এবং ২০১৯ সালের ২২ আগস্ট এই দুইবার প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু তারিখ ঘোষণা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তথ্য অনুসারে রাখাইন প্রদেশে প্রত্যাবাসন সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে মিয়ানমার ব্যর্থ হওয়ার কারণে রোহিঙ্গারা ফেরত যেতে অস্বীকৃতি জানায়।

শরণার্থী ত্রাণ এবং প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) জানায়, তাদের চেষ্টা থাকবে কিভাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরত পাঠানো যায়। এর জন্য অনুক‚ল পরিবেশ সৃষ্টি করা জরুরি এবং সে জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশ বিশ্ব জনমতকে সঙ্গে নিয়ে এই সমস্যা সমাধানে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টির এই আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিজ্ঞচিত সিদ্ধান্ত এবং দূরদর্শিতার ফলেই সম্ভব হচ্ছে।

লেখক: ডেপুটি কমান্ড্যান্ট, বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা






ads