বিসিএসে পেশা বদল: আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূর হোক

মানবকণ্ঠ
ইমরান ইমন - ফাইল ছবি

poisha bazar

  • ইমরান ইমন
  • ১২ জুলাই ২০২০, ১২:৩১

বিসিএস- তিন অক্ষরের এই শব্দের সাথে বহু স্বপ্নবাজ মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন-আশা-আকাক্সক্ষা জড়িয়ে থাকে। অনেকেই জীবনে সফল হওয়া বলতেই বুঝেন ‘বিসিএস ক্যাডার’ হওয়া। বিসিএস বলতে-বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসকে বোঝায়। দিনদিন আমাদের দেশে বিসিএসের চাহিদা, মানুষের বিসিএসের ওপর নির্ভরশীলতা অদ্ভুত হারেই বেড়ে চলছে। দেশের চাকরির বাজারে চারিদিকে এখন শুধু বিসিএসের জয়ধ্বনি।

মনে প্রশ্ন জাগে- এত এত কর্ম পরিবেশ থাকা সত্তেও এদেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠী, তরুণ প্রজন্ম কেন শুধু বিসিএসের পেছনে দৌড়াচ্ছে? সহজ উত্তর- মান-সম্মান, যশ ও খ্যাতি। কে না চায় ‘পাওয়ার প্র্যাকটিস’ করতে? কে না চায় বস হতে? আমরা কমবেশি সবাই পাওয়ার প্র্যাকটিস করতে চাই, বস হতে চাই। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিসিএসই একমাত্র চাকরি যেখানে বিশেষ মান-সম্মান, যশ-খ্যাতি পাওয়া যায়, সরকারি ছায়াতলে থেকে পাওয়ার প্র্যাকটিস করা যায়। তাই সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে দিনদিন এদেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠী, তরুণ প্রজন্ম বিসিএসের দিকে ঝুঁকছে। আর এ চাহিদাই বিসিএসকে সোনার হরিণে পরিণত করেছে।

বিসিএসের প্রতি আমাদের নির্ভরশীলতা এমন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যে- ৪০তম বিসিএসে আবেদনকারীর সংখ্যা মালদ্বীপের জনসংখ্যাকেও অতিক্রম করেছে। দেশের বিশাল এক শিক্ষিত জনগোষ্ঠী উদ্যোক্তা বা আবিষ্কারক হওয়ার নেশা ছেড়ে আমলা হওয়ার স্বপ্নে বিভোর। এটা প্রকৃতপক্ষে দেশের জন্য কোনোভাবেই মঙ্গলজনক নয়। হ্যাঁ, দেশের মেধাবীদের দেশ পরিচালনায় এগিয়ে আসা উচিত, কিন্তু তারও একটা সীমা রয়েছে। একটা দেশ তো শুধু আমলা বা আমলাতন্ত্র দিয়ে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না।

সোনার হরিণ বিসিএস পরীক্ষার সূচনা হয় ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মাধ্যমে। এর মাধ্যমে বিশাল একটা অংশ বাছাই হয়ে যায়। ৩৮তম বিসিএসে সাড়ে ৩ লাখ পরীক্ষার্থী থেকে প্রিলিমিনারিতে টিকেছে মাত্র ১৬ হাজার। এর প্রশ্ন মূলত ভাষা, সাহিত্য, সাধারণ জ্ঞান, সাধারণ গণিত ও বিজ্ঞান, রাষ্ট্র, ইতিহাস, ভূগোলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। প্রিলিমিনারির পরবর্তী ধাপ হলো লিখিত পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজি এবং বাংলাদেশ বিষয়গুলোতে ২০০ নম্বর করে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি তে ১০০ নম্বর করে রয়েছে। আর ১০০ নম্বর করে বরাদ্দ রয়েছে গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা বিষয়ে। সর্বমোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা।
অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে গত ৩০ জুন ৩৮তম বিসিএসের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ৩৮তম বিসিএস এক ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবে। কারণ- এ বিসিএস থেকেই কোটা পদ্ধতির বিলুপ্তি ঘটছে যাচ্ছে। বৈষম্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অবশেষে সফল হয়েছে। যুগ যুগ ধরে শিক্ষার্থীদের সব আন্দোলনই সফল হয়েছে। ছাত্র সমাজ চাইলেই যেকোনো কিছু বাস্তবায়ন করতে পারে। ৩৮তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডার পদে সর্বমোট ২ হাজার ২০৪ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

৩৮তম বিসিএসের ক্যাডার পদ বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে- ইঞ্জিনিয়ারিং, ডাক্তারি পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই তাদের পেশার সাথে জড়িত ক্যাডার পদ ছেড়ে পররাষ্ট্র, প্রশাসন ও পুলিশ এবং অনেকেই সাধারণ ক্যাডার পদে যোগ দিয়েছেন। মোট ২২০৪ জনের মধ্যে লোভনীয় পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ২৫ জন। এ ২৫ জনের ৭ জন বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী, ১৩ জন বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আবার এ ১৩ জনের ১০ জনই বুয়েটের শিক্ষার্থী।

এখন আমর সাদাসিধে প্রশ্ন- একজন মেডিকেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী এত কষ্ট, এত পরিশ্রম করে, এত লাখ লাখ টাকা খরচ করে দীর্ঘ ৫/৬ বছর ডাক্তারি পড়াশোনা করে কেন স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগদান না করে পররাষ্ট্র, প্রশাসন, পুলিশ বা কর ক্যাডারে যোগদান করলেন?

তাদের পেছনে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে। তাদের কি উচিত নয় পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রের ঋণ শোধ করা? আমাদের বাবা-মায়েরা একজন ছেলে বা মেয়েকে চোখ ভরা স্বপ্ন আর বুক ভরা আশা নিয়ে মেডিকেলে ভর্তি করান, তার ছেলে বা মেয়েটিকে ডাক্তার বানাবেন বলে। তাছাড়া একজন ডাক্তার স্বাস্থ্য ক্যাডারে আসলে সেটা আমাদের দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য যেমন কল্যাণকর তেমনি দেশ ও জাতির গর্বের বিষয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশে এক লাখের বেশি চিকিৎসক নিবন্ধন নিয়েছেন। বর্তমানে সরাসরি চিকিৎসা পেশায় যুক্ত এমন চিকিৎসকের সংখ্যা (সরকারি ও বেসরকারি) ৬০-৭০ হাজার। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র ২৫-৩০ হাজার। কিন্তু দেশের জনসংখ্যা ও রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় কমপক্ষে দুই লাখ চিকিৎসক প্রয়োজন। সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ সূত্র অনুযায়ী, দেশে বেসরকারি মেডিকেল কলেজে পাঁচ বছরের এমবিবিএস ডিগ্রি নিতে একজন শিক্ষার্থীর ব্যয় হয় ১৮-২০ লাখ টাকা। সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে প্রতি শিক্ষার্থীর পেছনে সরকারের ব্যয় ১৫ লাখ টাকার অধিক। এমন পরিস্থিতিতে মেডিকেলের শিক্ষার্থীদের দিনদিন অন্য পেশায় চলে যাওয়া দেশের জন্য কোনোভাবেই মঙ্গলজনক নয়। এমনিতেই আমাদের দেশের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা ভয়াবহ। করোনা পরিস্থিতিতে আমরা তা চরমভাবে উপলব্ধি করতে পারছি। এমতাবস্থায় ডাক্তারদের ডাক্তারির মতো মহৎ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাওয়া দেশের জন্য অশনি সংকেত। প্রশ্ন উঠতে পারে- এ দেশে ডাক্তাররা তো আর প্রশাসন ক্যাডারে কর্মরত একজন ক্যাডারের মতো সমান সুযোগ-সুবিধা, যশ-খ্যাতি, পাওয়ার প্র্যাকটিস করতে পারেন না। হ্যাঁ এটা সত্য যে, একজন প্রশাসন কর্মকর্তা যে গাড়ি, বাড়ি বা অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পান একজন ডাক্তার কিন্তু তেমনটা পান না।

স্বাস্থ্য ক্যাডারের শুরুতে প্রথমে একজন ডাক্তারকে নিয়োগ দেয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে নেই কোনো গাড়ির সুবিধা, ভাড়ায় থাকতে হয় সরকারি কোয়ার্টারে। ব্যক্তিগত সহকারী ও আলাদা কোনো অফিস থাকে না। পদোন্নতির জন্য প্রয়োজন হবে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রির, যা শেষ করতে লাগে ১৪-১৫ বছর।
অন্যদিকে প্রশাসন ক্যাডারে চাকরির শুরুতে মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব, ডিসি অফিসের কর্মকর্তা, এসিল্যান্ড হিসেবে যোগদানের সুযোগ রয়েছে। রয়েছে ধারাবাহিক পদোন্নতির সুযোগ, গাড়ি-বাড়ির সুবিধা, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণে মাসিক ৫০ হাজার টাকা। ব্যক্তিগত সহকারী, পাওয়া যাবে আলাদা অফিসও। আর ইউএনও হলে সরকারি বাংলো ও গাড়ির সুবিধা তো রয়েছে। পদোন্নতি পেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিবও হতে পারেন। রয়েছে স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে পড়ার সুযোগ, প্রেষণে আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজের সুযোগও রয়েছে। এসব বৈষম্যের দেয়ালই হয়তো ডাক্তারদের স্বাস্থ্য ক্যাডার ছেড়ে অন্য ক্যাডারে যোগ দিতে বাধ্য করছে।

ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদেরও একই অবস্থা। বুয়েটে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়াশোনা করা শিক্ষার্থী বিসিএস দিয়ে এখন পররাষ্ট্র ক্যাডার। এত বছর তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সাথে এখন চাকরির পরিবেশের কোনো মেলবন্ধন নেই। সে যদি তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পেশায় থাকত, আমরা হয়তো পেতাম সেরা আইটি চিপ নির্মাতা, ভবিষ্যৎ মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠান নির্মাতা, বিশ্বের সেরা প্রযুক্তিবিদ বা সফল বিজ্ঞানী।

ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদদের তাদের নিজস্ব পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় যোগদানের ফলে সাধারণ বিষয় নিয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে তাদের অধিকার হতে। বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, দর্শনসহ ইত্যাদি সাধারণ বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীরাই তো যোগ্যতা বলে পররাষ্ট্র, প্রশাসন, পুলিশ, কর, সাধারণ ক্যাডার পাওয়ার কথা। সাধারণ এসব বিষয় নিয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল বা কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীদের মতো আলাদা তেমন কোনো চাকরির বাজার নেই। একজন মেডিকেল শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে মেডিকেলে চাকরি, ডাক্তারি। একজন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন শিল্প কারখানায় চাকরি। একজন কৃষিবিদেরও চাকরির আলাদা সেক্টর রয়েছে। কমার্স ফ্যাকাল্টির শিক্ষার্থীদের জন্যেও রয়েছে আলাদা চাকরির পরিবেশ। তাদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ব্যাংক ও বিমা সেক্টর। বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে আর্টস ও সোশ্যাল সাইন্স ফ্যাকাল্টির শিক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসা এই বিসিএস। এই বিসিএসই তাদের একমাত্র স্বপ্ন, আশা-আকাক্সক্ষা। কিন্তু বিসিএসে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে এ সমন্বয়হীনতার কারণে অনেক স্বপ্ন রীতিমতো ধূলিসাৎ হয়ে যাচ্ছে।

যে ক্যাডারগুলো সাধারণ এসব বিষয় নিয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পাওয়ার কথা সেসব ক্যাডার এখন দখল করে আছে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও কৃষিবিদরা। সাধারণ এসব বিষয় নিয়ে পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থীর তো আর ডাক্তার তথা স্বাস্থ্য ক্যাডার হওয়া সম্ভব না। ৩৮তম বিসিএস তার জ্বলন্ত উদাহরণ। সাকিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করে বিসিএস দিয়েছে। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখে আসছে বিসিএস দিয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) হবে। ৩৮তম বিসিএসে সাকিব ক্যাডার হয়েছে ঠিকই তবে পুলিশ ক্যাডার নয়, হয়েছে শিক্ষা ক্যাডার। এতদিনের স্বপ্ন ভেঙে তছনছ! ঐ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদরা যদি তাদের নিজস্ব পেশার ক্যাডারে থাকত সাকিবের দীর্ঘদিনের লালিত সেই স্বপ্ন আর ভেঙে চুরমার হতো না। শুধু লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাবে এ রকম অসংখ্য স্বপ্নবাজের স্বপ্ন ভেঙে তছনছ হয়ে গেছে।
আমার কোনোভাবেই বুঝে আসে না কৃষি ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা কেন কৃষি সচিব হবেন না? কেন স্বাস্থ্য ক্যাডারের একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরিবর্তে ইংরেজি সাহিত্যের ছেলেটিকেই স্বাস্থ্য সচিব হতে হবে? কেন সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী একজন শিক্ষক শিক্ষাসচিব হবেন না বা হতে পারবেন না? আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি। দিনশেষে আমাদের দেশে দেখা যায় প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা বা ডিগ্রির সাথে আমাদের চাকরি বা কর্মক্ষেত্রের কোনো মিল থাকে না। এজন্য ডাক্তারি পড়ুয়া একজন ডাক্তার ডাক্তারি না করে যোগদান করেন প্রশাসনে। ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে আজীবন পড়োশোনা করে যোগ দেন পুলিশে। তাহলে আমাদের এ শিক্ষার কী দাম রইল? শিক্ষা তো তার মহৎ উদ্দেশ্য সাধনে ব্যর্থ হলো!

শিক্ষাব্যবস্থাকে এখন ঢেলে সাজানোর সময় এসেছে। যে যে বিষয়ে পড়াশোনা করছে তার জন্য, তার বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত সে রকম কর্ম পরিবেশ তৈরি করতে হবে। পেশা অনুযায়ী সব পেশাতে সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য শিক্ষা খাতের সংস্কারের জন্য প্রচলিত নিয়মকানুন পরিবর্তনে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিসিএসের মতো তুমুল প্রতিযোগিতাপূর্ণ চাকরি পরীক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির ওপর সমন্বয় তথা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ক্যাডার মনোনয়ন দিতে হবে, দূর করতে হবে আন্তঃক্যাডার বৈষম্য। তখন হয়তো বৈষম্যের দেয়াল ভাঙবে। শিক্ষার মহৎ উদ্দেশ্য সাধিত হবে।

লেখক-ইমরান ইমন: শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

মানবকণ্ঠ/এইচকে






ads