চীন-ভারতের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও বাংলাদেশ

ফনিন্দ্র সরকার
ফনিন্দ্র সরকার - সংগৃহীত

poisha bazar

  • ফনিন্দ্র সরকার
  • ২৯ জুন ২০২০, ১০:৪১

সম্প্রতি চীন-ভারতের মধ্যকার সংঘাত বিশ্বব্যাপী আলোচনায় স্থান করে নিয়েছে। করোনা ভাইরাস সংকটে যখন বিশ্ব সভ্যতাই বিপর্যয়ের মুখে ঠিক এ সময় চীন-ভারতের যুদ্ধময় পরিস্থিতি বর্তমান সময়ের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। বৈশ্বিক করোনার কারণে বিশ্বের অধিকাংশ দেশের অর্থনীতি এখন সংকটাপন্ন।

এ পরিস্থিতির মধ্যে চীন-ভারত যুদ্ধ উপমহাদেশের অর্থনীতিকে এতটাই দুর্বল করবে যে অজস দুর্ভোগ টেনে আনবে এ লেখা। যদিও চীন ভারতের যুদ্ধ পরিস্থিতির উদ্ভব নতুন নয়। এ রকম পরিস্থিতি মাঝে মধ্যেই তৈরি হয় আবার আলোচনা সাপেক্ষে পরিস্থিতি শান্তও হয়, কিন্তু এবারে যে ঘটনা ঘটছে তা পুরো অনাকাক্সিক্ষত।

তবে উপমহাদেশের শান্তির লক্ষ্যে এর একটা স্থায়ী সমাধান দরকার। উল্লেখ্য, দেশ দুটো ১৯৬২ সালে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল। সে যুদ্ধে ভারতের পরাজয় ঘটেছিল। সময় বদলে গেছে, পৃথিবীও বদলে গেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে চীন যেমন এগিয়ে, ভারতও একেবারে পিছিয়ে নেই।

১৯৬২ সালে ভারত চীন থেকে শক্তিমত্তায় যতটা দূরে ছিল সে তুলনায় দু-দেশের শক্তির দূরত্ব এখন অতটা নয়। দুটো দেশই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। যদিও চীন এ শক্তি বহু আগেই অর্জন করে রেখেছে। ভারতও আধুনিক শক্তির কাতারে নাম লিখিয়েছে। ভারতের সঙ্গে চীনের বৈরী সম্পর্কটা তৈরি হয় প্রথমে চল্লিশের দশকে আমেরিকা চীন আক্রমণ করলে নেহেরু সরকার তার ৬টি বিমানঘাঁটি আমেরিকাকে ব্যবহার করতে দেয়।

এরপরে চীন অধিকৃত তিব্বতের ধর্মীয় নেতা দালাইলামাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিলে চীন-ভারত সম্পর্কের অবনতি হয়। সীমানা দ্ব›দ্ব যে কারণে বাড়িয়ে চীন তার পুরনো ক্ষোভের শোধ নিতে মরিয়া। আসলে সীমানা নিয়েই পৃথিবীতে প্রতিবেশী পারস্পরিক দেশগুলোর সাথে ঝগড়া ফ্যাসাদ লেগে আসছে। ঝগড়া ফ্যাসাদ থেকে আলোচনার ভিত্তিতে বেরিয়ে আসার সহজ উপায় থাকা সত্তে¡¡ও সহজে কোনো দেশ সরল পথে না গিয়ে ঠোকাঠুকি করে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি করে।

ভারত-পাকিস্তান কারগিল যুদ্ধের কথা নিশ্চয়ই স্মরণ করলে দেখা যায় কোনোপ্রকার জয়-পরাজয় ছাড়াই সমাপ্ত সে যুদ্ধে ভারত-পাকিস্তান দুদেশেরই অজস সৈন্য প্রাণ হারিয়েছে। দীর্ঘদিনের বৈরীভাবাপন্ন ভারত-পাকিস্তান যেমন মাঝে মধ্যে যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলায় মেতে ওঠে, তেমনি চীন-ভারতও ঐ একই খেলায় মেতে উঠে খবরের শিরোনাম হয়।

কিসের জন্যে, কার জন্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয়? এতে কার কী লাভ হয়। মানবতা ও মানব সভ্যতার ক্ষতি ছাড়া যুদ্ধে কোনো অর্জন থাকে না সেটা বহুবার প্রমাণিত। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে পারস্পরিক যুদ্ধ কখনো শান্তি বয়ে আনেনি। যা আলোচনায় সমাধানযোগ্য তা নিয়ে অহেতুক অস্ত্রবাজি করে যে ক্ষতি করা হয় সে ক্ষতি কখনো পূরণ হয় না।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের যে অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধিত হয় তাতে করে রাষ্ট্রের ভেতরে অর্থনৈতিক বৈষম্যও প্রকট হয়ে ওঠে। সে জন্যেই আজকে কোভিড-১৯ এর মহামারী রুখতে কেউ সামর্থ্যবান হয়ে উঠছে না। এড়াতে পারছে না মৃত্যু। এটাই প্রকৃতির খেলা। বিশ্বের একক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রও কোভিডের কাছে পরাস্ত প্রায়।

কোভিড প্রাণ কেড়ে নিয়েছে প্রায় দেড় লাখ মার্কিন নাগরিকের। তারপরও কি ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুশ হবে? চীন এবং ভারতের রাষ্ট্রনায়কদের বিষয়টি আমলে আনা জরুরি। এমন পরিস্থিতির মধ্যে লাদাখের এমন যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতো না এবং নিরীহ কিছু সৈনিকের প্রাণহানিও ঘটত না।

সারা পৃথিবীকেই কোভিড-১৯ তছনছ করে দিয়েছে। বিশ্ব নেতাদের হুঁশ কবে হবে তা জানা না গেলেও যুদ্ধ রাজনীতির অবসান যে কোনোদিনই হবে না তা সহজেই অনুমেয়। কৌশলগত রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে এটাই স্বাভাবিক।

বিশ্বের বৃহত্তর গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের একটা উদার নীতি সব সময় লক্ষ করে আসছে বিশ্ববাসী। গান্ধীর ধ্যানের ভারত অহিংস নীতি অনুসরণের পক্ষে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনেও ভারত কখনো তার মৌলিক আদর্শ থেকে সরে যেতে পারবে না। গান্ধীর অহিংস নীতি মানে কোনো আঘাতের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যাবে না তা নয়।

লাদাখে যে অনাকাক্ষিত ঘটনা ঘটেছে তাতে ভারত- চীন দু’জন সেনা অফিসারসহ জোয়ানদের প্রাণহানি ঘটেছে। এ ধরনের ঘটনা কল্যাণ বয়ে আনে না। সীমান্ত দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সব সময় উন্নয়ন বয়ে আনে। আমেরিকা উস্কানি দেবে যুদ্ধ বাধাতে। করোনার কারণে মার্কিন অর্থনীতির দুর্বলতা কাটাতে যুদ্ধ বাধানো জরুরি।

তাতে তার অস্ত্র বিক্রি হবে। ভারত অস্ত্র আমদানিতে বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় দেশগুলোর একটি। আর চীন নিজেই ভয়ংকর সব অস্ত্রের কারিগর। তার অর্থনীতিও ভালো। বর্তমান যুদ্ধ অর্থনীতির। তাই চীন যুদ্ধ বাধাবে বলে মনে হয় না। কারণ ভারতে তার বাজার বিশাল, সেটা সে হারাতে চাইবে না।

আবার ভারত আমেরিকা-ইসরাইল জোটে যেমন আছে তেমনি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদ অর্জন করছে ইতিমধ্যে। সব মিলিয়ে চীন এতে ক্ষুব্ধ যার প্রকাশ ঘটেছে লাদাখের গালোয়ান উপত্যকা ও সিকিম ভুটানের মাঝখানের দোকলামে। উত্তপ্ত পরিস্থিতি শীতল হবে। রাশিয়া সে মধ্যস্থতা শুরু করেছে।

উভয় দেশ তাদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে ইতিবাচক খবর প্রচার করে থাকবে এটাও একটা ক‚টনৈতিক যুদ্ধ। লাদাখে অপ্রত্যাশিত আঘাতের পর ভারত ভয়ানকভাবেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর স্পর্শকাতর এলাকাগুলোয় অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি বিমান বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিও বাড়ানো হয়েছে।

ভারত-চীনের প্রায় চার হাজার কিলোমিটার সীমান্তবর্তী এলাকায় বাড়ানো হয়েছে যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টারের উপস্থিতি। ভারতের বিমান বাহিনী প্রধান আর. কে. এস ভাদুরিয়া সম্প্রতি লাদাখ ও শ্রীনগর সফর করেছেন। এর পরই এসব সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

গালোয়ান পর্বের পর ভারত ত্রিমুখী কৌশল অবলম্বন করছে। প্রথমত, সামরিক ও ক‚টনৈতিক স্তরে আলোচনার মধ্য দিয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে আনা; দ্বিতীয়ত, কূটনৈতিক পর্যায়ে বৈশ্বিক জনমত ভারতের পক্ষে ও চীনের বিপক্ষে নিয়ে যাওয়া; তৃতীয়ত, ভারতীয় অর্থনীতিকে চীন নির্ভরতা কমিয়ে আনা।

এ ইস্যুতে ইতোমধ্যে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে চীনা পণ্য বর্জন নিয়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। ভারতের রাষ্টায়ত্ত দুটি সংস্থা বি.এস.এন.এল ও এমটি.এন.এল কে কেন্দ্রীয় সরকার চীনা সংস্থার তৈরি যন্ত্রাংশ ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছে। কনফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া (সিএআইটি) চীনা পণ্য বর্জনের জন্যে সাড়া ভারতে প্রচার অভিযান শুরু করেছে।

চীনের সাথে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রধান বিরোধী নেত্রী সোনিয়া গান্ধী এ পরিস্থিতির জন্যে মোদি সরকারকে দায়ী করলেও চীনা আগ্রাসনের নিন্দা করে সরকারের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এটাই ভারতের রাজনীতি।

অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সব দলমত নির্বিশেষে ঐকমত্যে পৌঁছানোর সংস্কৃতি হচ্ছে দেশ প্রেমের অনুষজ্ঞ। চীন-ভারতের যুদ্ধ দামামা এমন সময় বেজে উঠেছে যখন ভারতে কোভিড সংক্রমণ ও মৃত্যু দ্রুত বেড়ে চলেছে পাশাপাশি বাংলাদেশের সাথে চীনের বন্ধুত্বের সম্পর্কটা ভারতের তুলনায় অনেকটা গাঢ় হয়েছে। বাংলাদেশ যখন চীনা চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ দল কোভিড নিয়ন্ত্রণে কাজ করছিল ঠিক সেই মুহূর্তে লাদাখে সংঘাতময় পরিস্থিতিও বিরাজ করছিল।

পাশাপাশি সাগরে চীনা তৈরি যুদ্ধ জলযানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান শেখ হাসিনা। একই সময়ে চীনে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি সুবিধাও বাড়ানো হয়। বাংলাদেশ যত পণ্য বিদেশে রফতানি করে তার মধ্যে ৯৭ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্তভাবে চীনে রফতানি করতে পারবে। চীন এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে গত ১৬ জুন বাংলাদেশকে চিঠি পাঠিয়েছে।

আগামী ১ জুলাই ২০২০ থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে এখন বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাকসহ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধা পেল। শুধু বাংলাদেশ নয়, সব স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) জন্য নেয়া সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবেই বাংলাদেশ এ সুবিধা পাবে।

এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিদিন এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বাণিজ্য চুক্তির (আপটা) আওতায় ২ হাজার ৩৭৩টি পণ্যের শুল্পমুক্ত রফতানি সুবিধা পাচ্ছিল। ২০১০ সালে কিছুটা বাড়ানোর কারণে চীনে একই সুবিধায় রফতানি করা যেত ৫ হাজার ১৬১টি পণ্য। নতুন করে যুক্ত হলো ৩ হাজার ৯৫টি পণ্য।

সব মিলিয়ে চীনে শুল্কমুক্ত রফতানি পণ্যের সংখ্যা দাড়াচ্ছে ৮ হাজার ২৫৬টি। জানা গেছে, এতদিন যে ৫ হাজার ১৬১টি পণ্যে শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধা ছিল, তার মধ্যে বাংলাদেশি প্রধান ১৭টি (তৈরি পোশাক ও চামড়াজাত) পণ্য ছিল না। নতুন তালিকায় এগুলো যুক্ত হয়েছে। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ১ হাজার ২০০ কোটি ডলারেরও কম পণ্য।

চীন ২০১০ সাল থেকে এলডিসি দেশগুলোকে বাজার প্রবেশাধিকার দিয়ে এলেও ক‚টনৈতিক সম্পর্ক ভালো থাকা বাংলাদেশসহ ৩৩টি দেশের জন্যে দরজাটি খোলা রেখেছিল। পরে যদিও ৪০টি দেশের জন্যে সুবিধা উন্মুক্ত করেছে। বাংলাদেশ পরীক্ষা করে দেখেছে। প্রধান রফতানি পণ্যই যেহেতু চীনের শুল্কমুক্ত সুবিধার বাইরে, তাহলে খুব বেশি লাভ নেই। তখন থেকে শুরু হয় দরকষাকষি।

চীন বলেছিল, ১৭টি পণ্য অন্তর্ভুক্ত করলে আপটার আওতায় যে রফতানি করা হয় বাংলাদেশকে তা বাদ দিতে হবে। তবে শেষ পর্যন্ত এ শর্ত থেকে সরে এসেছে চীন। বাণিজ্যের চাইতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কৌশল হিসেবে চীন বাংলাদেশকে এ সুবিধা দিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এদিকে অর্থনীতির ক‚টনীতিকে অগ্রাধিকার দেয়ার নীতিকে অনুসরণ করে বাংলাদেশ চীন-ভারতের সঙ্গে চেক অব ব্যালেন্স সম্পর্ক রাখাকে সুবিধাজনক মনে করে আসছে।

বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে এ যাবৎ প্রচারিত হয়ে আসছে। সম্পর্কের মাত্রার প্রতি উভয় দেশের পারস্পরিক অকৃত্রিম সম্মান রয়েছে। বাঙালির চিরশত্রু পাকিস্তান ছিল চীনের অকৃত্রিম বন্ধু। বন্ধুত্বের মর্যাদা রক্ষায় ১৯৭১ সালে চীন বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ায়নি। পাকিস্তানের বর্বরতাকে চীন সমর্থন যুগিয়েছে।

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর জীবদ্দশায় চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতিও দেয়নি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পাকিস্তান আদর্শের বাংলাদেশকে চীন স্বীকৃতি দেয়। এ ইতিহাস কারো অজানা নয়। রাজনৈতিক নানা ঘটনার পরম্পরায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তি আওয়ামী লীগ টানা এক যুগ ধরে ক্ষমতায়। এ সময় বিশ্ব পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অবস্থান অনেকটাই শক্তিশালী।

স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। অতীতের জঞ্জাল ভুলে কোনো বৈরিতা নয়, সবার সাথে বহুত্ববাদের ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপন করাই বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই করোনাকালের সংকট নিরসনে বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে। ভারত-চীন যত শক্তিই অর্জন করুন না কেন সে শক্তিকে সংহত রাখার উপায় তাদেরকেই বেড় করতে হবে। এমন প্রত্যাশার আলোকে বাংলাদেশ তার মাত্রা ঠিক রেখে এগিয়ে যাবে অবিরাম গতিতে। হারবে না বাংলাদেশ।

লেখক: কলামিস্ট

মানবকণ্ঠ/এফএইচ




Loading...
ads






Loading...