দুর্যোগ দুর্বিপাকে বিভেদ নয়, গড়ে উঠুক স্বেচ্ছাব্রতী দায়বদ্ধতা!

মো. মোজাহিদুল ইসলাম নয়ন
মো. মোজাহিদুল ইসলাম নয়ন - ফাইল ছবি

poisha bazar

  • ০৪ জুন ২০২০, ০০:২০,  আপডেট: ০৪ জুন ২০২০, ০০:৩৬

একটি বাংলা প্রবাদ ‘বিপদের দিনে যে পাশে থাকে সেই প্রকৃত বন্ধুু’ আমরা প্রায়ই বলে থাকি এমন একটি পরম সত্যের মুখোমুখি আমরা মানুষ প্রায়শই হয়েও থাকি। বিপদে যখন অন্যের সাহায্যের জন্য কেউ ব্যকুল হয় তখন সে বোঝে বন্ধু’র প্রয়োজনীয়তা। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে আমাদের অভিজ্ঞতা কেমন হয়?

এর স্ট্রেইটকাট উত্তর দেয়া কঠিন। কারণ প্রয়োজনীয়তা, প্রেক্ষিত ও ব্যক্তিবিশেষের আচরণে যে অভিজ্ঞতা হয় সেটাও ব্যক্তি নির্বিশেষ নয়। যাহোক, বিপদের দিনে অন্যের সাহায্য প্রাপ্তি ব্যক্তিক প্রক্ষিতে যেমনই হোক সামষ্টিক ক্ষেত্রে কিন্তু একেবারেই আলাদা।

ব্যক্তির সংকট এবং তজ্জনিত ক্ষয়ক্ষতি খুব বেশি হলে একটি পরিবারকে নাজুক করতে পারে কিন্তু জাতীয় সংকট পুরো জাতিকে অনেক যুগ পিছিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে বিশ্বায়নের এই যুগে কোনো সংকটই দেশ সীমাবদ্ধ নয়।

এই যেমন করোনা ভাইরাসজনিত বৈশ্বিক অনাকাক্সিক্ষত বাস্তবতা থেকে রেহাই পেতে মানুষের পাশে মানুষ আর দেশের পাশে দেশের দাঁড়ানোর কোনো বিকল্প হতে পারে না। করোনার পাশাপাশি ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’-এর মতো এসে আঘাত হেনেছ আমপান। আর এহেন ভয়াবহ বাস্তবতায় ব্যক্তি মানুষ ও সমষ্টির সামাজিক দায়বদ্ধতা একটি অন্যতম নিদান হিসেবে আলোচনার দাবি রাখে।

২. করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ, কার্যক্রম বাস্তবায়নে অবহেলা-ধীরগতি, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের অপ্রতুলতা-অনুপস্থিতি, তথ্যবিভ্রান্তি এবং ভুক্তভোগীদের অসন্তুষ্টি নিয়ে ইতোমধ্যে মূলধারার মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সরব। প্রায় প্রতি মুহূর্তেই এ নিয়ে পক্ষসমূহের মধ্যে চলছে বাতচিৎ।

সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছেন তাদের কথা আবার সেটি মেলাতে গিয়ে সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা হচ্ছে ভিন্ন। করোনা চিকিৎসা, সেবা ও পরামর্শ বিষয়ে সরকারের দেয়া তথ্যের গড়মিল, বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতা মানুষকে রীতিমতো গোলকধাঁধায় ফেলে দিয়েছে। এর পাশাপাশি দেশ-বিদেশের নানা প্রান্ত থেকে আক্রান্ত হওয়া ও মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান তথ্যে ক্ষণে ক্ষণে মানুষের মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক আর সংশয়।

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে, মানুষ আর শুধু সরকারি সেবা ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। ফলে খুব বোধগম্য কারণেই সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের এগিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তা অনিবার্য হয়ে উঠছে।

৩. চাওয়া যতই অনিবার্য হোক, অসহায়ত্বের এই অভ‚তপূর্ব সময়ে ট্র্যাডিশনাল সংগঠনসমূহকে মানুষের পাশে সেভাবে দাঁড়াতে এখনো সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, মানুষের স্বেচ্ছাব্রতী মানসিকতা অনেকটাই ফিঁকে হয়ে পড়েছে। হাতেগোনা কিছু সংগঠন ছাড়া তেমন সংখ্যায় বা পরিসরে কাউকে এখন পর্যন্ত মাঠে দেখা যায়নি।

আমি এর আগেও লিখেছি-বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন এবং উদীচীর (জনপ্রিয়তার তথাকথিত বিচারে যারা আজকাল নিতান্তই সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে) মতো সংগঠন ইতোমধ্যে বিনামূল্যে হ্যান্ড সেনিটাইজার, মাস্ক তৈরি করে স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে সেই প্রথম থেকেই বিতরণ শুরু করেছে।

বুয়েট, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন, নওগাঁ একুশে পরিষদ এবং আরো কিছু সামাজিক সংগঠন হাতে তৈরি মাস্ক, স্যানিটাইজার তৈরি ও বিতরণ করছে। কিছু কিছু সংগঠন চাল-ডাল-তেল-নুন ইত্যাদি শুকনো খাবার দিচ্ছে। কিছু কিছু এলাকায় স্থানীয় জেলা-উপজেলা সমিতি, স্থানীয় সাংসদ বা জনপ্রতিনিধিদের পক্ষেও ত্রাণ সহায়তা দেয়ার কাজ চলছে।

কিন্ত দেশের নানা প্রান্তে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন যারা নানাভাবে সক্রিয় তারা কিন্তু সংখ্যা বিচারে এই সংকটময় মুহূর্তে সেভাবে এগিয়ে আসেনি। হতে পারে করোনা ভাইরাসটির স্পর্শকাতরতা একটি কারণ। এ ছাড়া সায়েন্টিফিক জ্ঞান ও কারিগরি দক্ষতা না থাকাও আশানুরূপ সংখ্যায় সংগঠনের এগিয়ে না আসার আরেকটি কারণ হতে পারে।

তা সত্ত্বেও বিশেষ করে যারা বিশেষায়িত সংগঠন যেমন-সন্ধানী, রেডক্রস, স্বেচ্ছায় রক্তদান ক্যাম্পেইন, চিকিৎসা শিক্ষালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ তাদের যে মাত্রায় সক্রিয় হওয়া দরকার সেটা কিন্তু এখনো দেখা যাচ্ছে না।

এর বাইরে জাতীয়-আন্তর্জাতিক বেসরকারি অনেক সংগঠন রয়েছে যাদের সংকট-দুর্যোগ মোকাবিলায় এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে বিশেষ দক্ষতা ও সামর্থ্য রয়েছে তারা এখনো সবটুকু সামর্থ্য নিয়ে এগিয়ে আসেনি। যেসব বিশেষায়িত হাসপাতাল, সিটি কর্পোরেশনের আওতায় পরিচালিত হাসপাতালসমূহ, মিশনারি হাসপাতাল তারাও কিন্তু এই বিশেষ সময় প্রো-অ্যকাটিভ অ্যাকশন নিতে পারে যার ইতিবাচক প্রভাব সমাজে পড়তে বাধ্য।

৪. বাংলাদেশে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন যাদের সংখ্যা একসময় অনেক বেশি ছিল। ক্লাব, নাট্যগোষ্ঠী/থিয়েটার, সংগীত বিদ্যালয়, বিতর্ক চর্চা সংগঠন, কবিতা পাঠের সংগঠন, কবিদের সংগঠন, মানবাধিকার সংগঠন, সাংস্কৃতিক জোট ইত্যাদি সংগঠনের সামাজিক দায়বদ্ধতা অনেক বেশি বিশেষ করে এই রকম দুর্যোগের সময়।

কিন্তু এখন পর্যন্ত ছায়ানট, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র,সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, গ্রাম থিয়েটার, ঢাকার নাটক পাড়ার স্বনামধন্য সংগঠনসমূহ (ঢাকা,নাগরিক, আরণ্যক ইত্যাদি), সুরের ধারা, বুলবুল ললিতকলা একাডেমি, ব্যান্ড সংগীত দলসমূহ তাদের তরফ থেকে এখনো সেভাবে তৎপরতা দেখা যায়নি।

আমার ভুলও হতে পারে বা আমার দৃষ্টিতে পড়েনি সেক্ষেত্রে ওইসব সংগঠনের কার্যক্রম তৎপরতা সম্পর্কে জানতে পারলে বাধিত হবো। ক্রীড়া সংগঠনসমূহ (যাদের কারো কারো বিরুদ্ধে ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগ রয়েছে) যারা আর্থিকভাবে অনেক সচ্ছল তারা এবং ক্রীড়াব্যক্তিত্ব, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি তারাও এ অবস্থায় সেভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে না।

তবে জাতীয় ক্রিকেট দলের কয়েকজন খেলোয়াড় ত্রাণ সহায়তায় এড়িয়ে এসেছেন। এর মধ্যে তামিম ইকবাল, সাবিক আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাশরাফি বিন মুর্তজা তারা অনেক অর্থ দান করেছেন। তারা এমনটি নিজেদের প্রিয়সব স্যুভেনিরও নিলামে তুলে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।

কিন্তু এই অনেক সংগঠন যারা নানারকম দেন-দরবার, পুরস্কার প্রাপ্তি, বিদেশি মিশনে সহযোগী হওয়া, বিজ্ঞাপন, দলীয় পদ প্রাপ্তির খেলায় যথেষ্ট চৌকশ তাদের পারফরমেন্স হতাশাজনক। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিসরে যদি তাকানো যায় তাহলে অনেকেই যে বিশেষ বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছেন তা কিন্তু আশাবাদী করে তোলে।

যেমন- জার্মান বুন্দেসলীগার দুজন ফুটবলার ইতোমধ্যে করোনা ফান্ড গঠনে কাজ শুরু করেছে। তাদের সাথে যোগ দিয়ে পালিশ স্ট্রাইকার রবার্ট লোভোনডোভোস্কিও। ইতালির ২০০৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবল দল অধিনায়ক ফ্যবিও ক্যানাভারোর নেতৃত্বে করোনা প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে। লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, নেইমার, পাওলো দিবালা, রজার ফেদেরার তারাও কিন্তু দু’হাত খুলে দান করছেন।

এদিকে পাশের দেশ ভারতেও শচিন টেন্ডুলকার, সৌরভ গাঙ্গুলী, মহেন্দ্র সিং ধোনী, বিরাট কোহলী এরাও অনেক অর্থ সহায়তা দিয়ে সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে। চলচ্চিত্র শিল্পের অনেক তারকা যেমন শাহারুখ খান, সালমান খান, আমির খান, অক্ষয় কুমার তারাও সহায়তায় তহবিল দান করেছে।

কিন্তু বাংলাদেশে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট তেমন কাউকেই এখনো এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। ব্যবসায়ীদের সংগঠনসমূহ বিশেষ করে এফবিসিসিআই, তৈরি পোশাক শিল্প মালিক সমিতি (বিজিএমইএ, বিকিএমইএ) তারা করোনার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বা চলমান সংকটে সরকারের বিশেষ প্রণোদনা প্রাপ্তি এবং কারখানা চালু রাখার নানা কায়দা-কৌশল করেছে।

বলা যায় এক্ষেত্রে তারা অনেকটাই সফল। কিন্তু করোনা তথা চলতি দুর্যোগ বিবেচনায় শিল্প মালিক সমিতিসমূহ মাস্ক তৈরি, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সরঞ্জাম (পিপিই) সরবরাহ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে যেখানে বড় বড় হাসপাতালগুলো এ বিষয়ে তীব্র সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তখন তাদের জন্য এগিয়ে আসা জরুরি নয় কি?

যতদূর জানি, সরকার এবং জাতীয় সংসদের একটি বড় অংশ ব্যবসায়ী তারা এ সময় কী ভূমিকায় আছেন সেটা দেশবাসী দেখতে চায়। এখন পর্যন্ত আইনপ্রণেতা হিসেবে তারা যে সব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বা হচ্ছে বলছেন তা শুনতে তো ভালোই। কিন্তু তার যথাযথ কার্যকারিতা দেখিয়ে দেশবাসীকে আস্থায় নিতেও তাদের বড় দায় রয়েছে।

সরকার ব্যবসায়ীদের জন্য যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা দিয়েছে তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করার মাধ্যমেও কিন্তু বড় অবদান রাখতে পারেন। শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষা, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা প্রদান, তাদের আসা-যাওয়ার জন্য নিরাপদ পরিবহন সরবরাহও কি অনেক গুরুত্বপূর্ণ এ সময়। বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষে তৈরিকৃত দুই হাজার সজ্জার বিশেষায়িত করোনা হাসপাতাল স্বেচ্ছাসেবার একটি বড় দৃষ্টান্ত।

৫. আমাদের অতীত যদি দেখা যায়, তাহলে পাওয়া যাবে, স্বেচ্ছাব্রতী মানসিকতার অনেক ইতিহাস রয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে সর্বসাধারণের অকুতোভয় অংশগ্রহণ, লড়াই-সংগ্রাম আর ত্যাগ তো কিংবদন্তিতুল্য (যদিও তারা এখন আর মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব তেমন পায় না!)। এ ছাড়া নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বন্যা, আইলা, সিডর), মানবসৃষ্ট দুর্যোগ (যেমন- অগ্নিকান্ড), যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে গণজাগরণ ম গড়ে তোলা এবং সর্বসাম্প্রতিক নিরাপদ সড়কের দাবিতে তরুণ প্রজন্মের এগিয়ে আসা-সবকটিই তো স্বেচ্ছাসেবার উজ্জ্বলতম উদাহরণ।

কিন্তু প্রায় চারমাস বয়সী করোনার মতো একটি সর্বব্যাপী দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবার সুমহান উপস্থিতি কেনো এত কম? তাৎক্ষণিক কিছু কারণ হয়তো আছে যা পূর্বেই উল্লেখ করেছি। সেটা মেনে নিয়েও বলা যায় মানুষ বা সামাজিক সমষ্টি এ সংকটময় মুহূর্তে অনেক কিছু করতে পারে বিশেষ করে ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, জনদূরত্ব মেনে চলায় সহায়তা, হোম কোয়ারেন্টাইনে ভিকটিমের পাশে দাঁড়ানো, আর্তজনে সহায়তা এমন অনেক কিছুই।

৬. স্বেচ্ছাব্রতী এবং ত্রাণসহায়তার সব পদক্ষেপই কিন্তু হওয়া উচিত সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে। মানুষের প্রতি মানুষের মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে। যারা আজ অসহায়, অসুবিধাগ্রস্ত’, পশ্চাতপদ মনে রাখতে হবে এটি কিন্তু আমাদের সবার কৃতকর্মের কোনো না কোনো ফেইলিওর থেকেই হয়েছে।

আমরা এমন একটি অসাম্য, বৈষম্যপূর্ণ আর্থ-রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করেছি ফলে এতো বিপুলসংখ্যক মানুষ যে কোনো সংকটে বিপদাপন্ন হয়ে পড়ছে। তাই ত্রাণ কার্যক্রম কারো নির্বাচনী প্রচারণা, কারো হিরো ইমেজ তৈরি করা বা অন্য কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে করা উচিত নয়। মানুষকে করুণার চোখে দেখার কোনো অবসর থাকতে পারে না।

বাংলাদেশের জনঘনত্ব, শিক্ষা ও সচেতনতার নিম্নমাত্রা, সরকারি সেবার অপ্রতুলতা আর শাসনতান্ত্রিক দুর্বলতা বিবেচনায় নিলে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং স্বেচ্ছাব্রতী মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসার তেমন কোনো বিকল্প এ মুহূর্তে নেই। তাই আমরা চাই, দলীয় রাজনীতির চিরাচরিত বিভেদ, শ্রেণীবৈষম্য, ছিদ্রান্বেষী মানসিকতা ভুলে সামাজিক দায়বদ্ধতাভিত্তিক একটি মানবিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা হোক। তৈরি হোক স্বেচ্ছাব্রতী মানবিক সামষ্টিক শক্তির নবউদ্বোধন।

লেখক: মো. মোজাহিদুল ইসলাম নয়ন- অধিকারভিত্তিক উন্নয়ন সন্ধানী।

মানবকণ্ঠ/এমএইচ





ads







Loading...