ইতিহাসের সত্য ও গণহত্যা দিবস

তোফায়েল আহমেদ
তোফায়েল আহমেদ - ফাইল ছবি

poisha bazar

  • ২৫ মার্চ ২০২০, ০২:৫১,  আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২০, ১০:০৭

প্রকৃতপক্ষে ১৯৭১-এর ১ মার্চ থেকেই অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। সাতই মার্চ জাতির জনক তার জীবনের শ্রেষ্ঠ বক্তৃতার মধ্য দিয়ে- যে বক্তৃতা আজ বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তৃতা, একটি নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র জাতিতে রূপান্তরিত করেন। বক্তৃতায় তিনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, একাত্তরের দিনগুলোতে আমরা অক্ষরে অক্ষরে সেসব নির্দেশ পালন করেছি।

এ বক্তৃতার মধ্য দিয়ে তিনি একটি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাঙালি জাতিকে এক মোহনায় দাঁড় করিয়েছিলেন। অসহযোগ আন্দোলনের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে আমরা ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলেছি। বাংলার মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়ে ‘আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ’ গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে।

মধ্য মার্চে ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে যখন বঙ্গবন্ধুর সংলাপ চলে, তখন প্রতিদিনই আমাদের চারজনকে- আমরা যারা পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের কালপর্বে মুজিব বাহিনীর অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছি- মণি ভাই, সিরাজ ভাই, রাজ্জাক ভাই এবং আমাকে প্রতিরাতেই ব্রিফ করতেন যে- কী হয়েছে, কী ঘটছে এবং কী হতে চলেছে। তিনি কখনই মনে করেননি সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। তিনি বলেছিলেন, ‘ইয়াহিয়া খানের সময় দরকার, আমারও সময় দরকার। তোমরা প্রস্তুতি নাও। আ

মি আক্রান্ত হব। কিন্তু আক্রমণকারী হব না। যখনই ওরা আক্রমণ করবে এবং আমরা আক্রান্ত হব, তখনই পৃথিবীর মানুষ বুঝবে স্বাধীনতা ঘোষণা করা ছাড়া আমার আর কোনো বিকল্প ছিল না।’ ২৩ মার্চ ছিল পাকিস্তান দিবস। সেদিন পাকিস্তানের পতাকা কোথাও ওড়েনি, শুধু ক্যান্টনমেন্ট ছাড়া। আসগর খান তার বইতে লিখেছেন, ‘পূর্ব পাকিস্তান সফরে গিয়ে আমি অবাক হয়েছি। কারণ, পাকিস্তানের চিহ্ন আমি পূর্ব পাকিস্তানের কোথাও দেখিনি। শুধু ক্যান্টনমেন্ট ছাড়া।’

ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে আলোচনা শুরুর আগে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বৈঠকে আসগর খান জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘এরপর কী হতে পারে?’ বঙ্গবন্ধু উত্তর দিয়েছিলেন, ‘ইয়াহিয়া খান আসবে। তার সঙ্গে অর্থনীতিবিদ আসবে। প্ল্যানিং কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান এমএম আহমেদ আসবে।

তার সঙ্গে বিচারপতি কর্নেলিয়াস আসবে। আরো কিছু লোক আসবে এবং এসে আমার সঙ্গে আলোচনা করবে। কিন্তু এ আলোচনা ফলপ্রসূ হবে না। একদিন সে বাঙালি জাতির ওপর আক্রমণ করবে এবং সেদিনই পাকিস্তানের সমাধি রচিত হবে।’ ২৩ মার্চ আমরা ঘরে ঘরে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছি। মনে পড়ে, ২২ মার্চ বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে সাবেক বাঙালি সৈনিকদের সঙ্গে বৈঠকে কর্নেল ওসমানী সাহেব বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘ডু ইউ থিংক দ্যাট টুমরো উইল বি এ ক্রুসিয়াল ডে?’ বঙ্গবন্ধু জবাবে বলেন, ‘নো, আই থিংক, ইট উইল বি টুয়েন্টি ফিফথ্।’

তখন ওসমানী সাহেব পুনরায় তীক্ষè স্বরে তার কাছে প্রশ্ন রাখেন, ‘কাল তো তেইশে মার্চ। পাকিস্তান দিবস। সে উপলক্ষে ওরা কী কিছু করতে চাইবে না?’ বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘ওরা যে কোনো মুহূর্তে যে কোনো কিছু করতে পারে। তার জন্য কোনো দিবসের প্রয়োজন হয় না।’ কী নিখুঁত হিসাব বঙ্গবন্ধুর। হিসাব করেই তিনি বলেছিলেন, ২৫ মার্চেই পাকিস্তানিরা ক্র্যাকডাউন করবে। আমার স্মৃতির পাতায় সেই ২৫ মার্চের কথা মনে পড়ে। ’৭০-এর ২১ মার্চ ছাত্রলীগের সভাপতির পদ থেকে বিদায় নিয়ে আমি এবং রাজ্জাক ভাই ওই রাতেই হল ত্যাগ করে ২০০ টাকা ভাড়ায় গ্রিন রোডে ‘চন্দ্রশীলা’ নামে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করি।

অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে শিল্পপতি শ্রদ্ধেয় জহিরুল ইসলামের কাছ থেকে আমরা একটা গাড়ি চেয়ে নিয়েছিলাম। এই গাড়ির পেছনে আমাদের ব্যাগ থাকত। কারণ, আমরা তৈরি থাকতাম, কোন সময় কী ঘটে। বঙ্গবন্ধু সবসময় বলেছেন, ‘প্রস্তুত থেকো।’ যুদ্ধ শুরু হলে কলকাতা গেলে আমরা কোথায় থাকব? ফেব্রুয়ারির ১৮ তারিখ বঙ্গবন্ধু আমাদের ঠিকানা মুখস্থ করিয়েছেন। সানি ভিলা, ২১ নম্বর রাজেন্দ্র রোড, নর্দার্ন পার্ক, ভবানীপুর, কলকাতা।

২৫ মার্চ বহু লোক বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে এসেছেন। অনেকেই অনুরোধ করে বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু, ৩২ নম্বরের বাসভবন ত্যাগ করেন।’ বঙ্গবন্ধু বলেছেন, ‘ওরা যদি আমাকে না পায়, ঢাকা শহরকে ওরা তছনছ করবে। লাখ লাখ লোককে ওরা হত্যা করবে। আমি তো সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। আমি এভাবে অন্য জায়গায় গিয়ে আশ্রয় নিতে পারি না। আমি আমার বাড়িতেই থাকব। কারণ, আমি আমার জীবন বাংলার মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছি। জীবন এবং মৃত্যু একসঙ্গে। আমি আমার লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য বারবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি। এবারও আমি এখানেই থাকব। আমার দেশ যে স্বাধীন হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।’ বঙ্গবন্ধু সবার শুভ কামনা করে বিদায় জানিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা যাও, আমার যা করার আমি করেছি।’

আমার মনে আছে, ২৫ তারিখ তিনি বলেছিলেন, ‘সত্যিই আমার জীবন সার্থক। আমি যা চেয়েছিলাম আজ তাই হতে চলেছে। এই তো প্রথম বাঙালি বাংলার ভাগ্যনিয়ন্তা হতে পেরেছে। আজ আমার কথা মতো, আমার নির্দেশিত পথে বাংলাদেশ পরিচালিত হচ্ছে। আজ আমি যা বলি মানুষ তা পালন করে। আমার অসহযোগ আন্দোলন সার্থক ও সফল হয়েছে।’

আমরা যখন বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলাম, ওরা তো আপনাকে গ্রেফতার করবে। আপনাকে হত্যাও করতে পারে। তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, ‘আমাকে গ্রেফতার করে, হত্যা করে ওদের লাভ হবে না। ওরা আগেও আমাকে গ্রেফতার করেছিল। ওদের লাভ হয় নাই। এবারও আমাকে গ্রেফতার করুক, হত্যা করুক- ওদের লাভ হবে না। আমার বাংলাদেশ স্বাধীন হবেই। আমার মৃত্যুর পরে কেউ যদি আমার মৃতদেহ দেখে, দেখবে আমার মুখে হাসি। আমার জীবন সার্থক। কারণ, বাংলাদেশ আজ স্বাধীন হতে চলেছে।’

আমি এবং মণি ভাই সবশেষে রাত ১১টায় বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে বিদায় নিয়েছিলাম। তিনি আমাদের দু’জনের মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করেছিলেন। কোথায় গেলে অর্থ ও সাহায্য পাব সেসব কথা বলে আমাদের কপালে চুমু দিয়ে সে রাতে বিদায় দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে যখন যাচ্ছি, তখন রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড।

সেগুনবাগিচার এক প্রেসে মণি ভাই লিফলেট ছাপতে দিয়েছিলেন। সেগুনবাগিচা গেলাম। জহিরুল ইসলাম সাহেবের গাড়িটা তার বাসায় পৌঁছে দিলাম। রাস্তায় গাড়ি চালানোর মতো অবস্থা নেই। আমরা হেঁটে মণি ভাইয়ের বাসায় গেলাম। রাত ১২টা ১ মিনিটে অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে শুরু হয় ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা।

২৫ মার্চ রাতে ঢাকা নগরীর নিরীহ-নিরস্ত্র মানুষের ওপর বর্বর পাকবাহিনী ট্যাঙ্ক ও ভারি অস্ত্রসহ ঝাঁপিয়ে পড়ে। কামানের গোলা, মর্টারের শেল আর মেশিনগানের ভয়াল গর্জনে রাত ১২টার পর পুরো নগরীতে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়। চারদিকে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। মুহুর্মুহু গোলাবর্ষণের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী শুরু করে ইতিহাসের পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড।

শুরু হয় বাঙালি নিধনে গণহত্যা। চারদিকে শুধু বিকট আওয়াজ। লক্ষাধিক লোককে এক রাতেই হত্যা করেছে পাকবাহিনী। ২৬ মার্চ জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে ইয়াহিয়া খান বলেন, শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ‘মুজিব ইজ এ ট্রেইটর। দিস টাইম হি উইল নট গো আনপানিশড।’

বক্তৃতায় তিনি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে আরও আগেই আমার নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত ছিল। এদের নেতাদের আগেই আমার গ্রেফতার করা উচিত ছিল।’ পরদিন ২৭ মার্চে যখন ২ ঘণ্টার জন্য কারফিউ প্রত্যাহার হলো তখন আমরা ঢাকা থেকে কেরানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা বোরহানউদ্দিন গগনের- যিনি পরে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন-বাড়িতে আশ্রয় নিই।

কেরানীগঞ্জে দু-রাত থাকার পর ২৯ মার্চ আমি, মণি ভাই, জাতীয় নেতা ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, কামরুজ্জামান সাহেব এবং আমাদের বন্ধু ’৭০-এ নির্বাচিত প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য ডা. আবু হেনাসহ- যিনি অসহযোগ আন্দোলনের সময় যে পথে কলকাতা গিয়েছিলেন এবং এসেছিলেন সেই পথে- আমরা প্রথমে দোহার-নবাবগঞ্জ, পরে মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, সারিয়াকান্দি, বগুড়া হয়ে বালুরঘাট দিয়ে ভারতে প্রবেশ করি ৪ এপ্রিল, সেই ‘সানি ভিলা’য় আশ্রয় গ্রহণ করি।

মার্চের ২৫ থেকে ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ পর্যন্ত কালপর্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাঙালি নিধনে ৯ মাসব্যাপী বর্বর গণহত্যা পরিচালনা করে। ‘অপরাশেন সার্চলাইট’-এর নীলনকশায় ঢাকার চারটি স্থান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মূল লক্ষ্য ছিল- বঙ্গবন্ধুর বাসভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, রাজারবাগ পুলিশ লাইন এবং তৎকালীন পিলখানা ইপিআর (বর্তমান বিজিবি)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরাসহ ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ছাত্রলীগ নেতা চিশতী হেলালুর রহমান ও বর্তমান কেবিনেট সেক্রেটারির ভাই জাফর আহমদকে হত্যা করে।

এছাড়াও জগন্নাথ হলের অনেক ছাত্রকে হত্যা করা হয়। ঢাকার চারটি স্থান ছাড়াও রাজশাহী, যশোর, খুলনা, রংপুর, সৈয়দপুর, কুমিল্লা, সিলেট ও চট্টগ্রাম ছিল ‘অপরাশেন সার্চলাইট’-এর আওতাভুক্ত এলাকা। ’৭১-এর গণহত্যা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল এক ঘটনা। পৃথিবীতে অনেক দেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু এভাবে রক্ত দিয়ে একজন নেতার নেতৃত্বে সব বাঙালি জাতি এক কাতারে দাঁড়িয়ে সশস্ত্র জাতিতে রূপান্তরিত হয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে ৩০ লক্ষাধিক প্রাণ আর ৪ লক্ষাধিক মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ৯ মাসে মহান বিজয় অর্জন- মানবজাতির ইতিহাসে নজিরবিহীন বটে!

মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষাধিক মানুষ যে শহীদ হয়েছে তার অকাট্য প্রমাণ বহন করছে তৎকালে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক পত্রিকাগুলো। অস্ট্রেলিয়ার পত্রিকা হেরাল্ড ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুসারে ২৫ মার্চ রাতে শুধু ঢাকা শহরেই ১ লাখ লোককে হত্যা করেছিল পাকবাহিনী। মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি ভারতের শরণার্থী শিবিরগুলো পরিদর্শন করেন ’৭১ সালে। তিনি পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে সরাসরি গণহত্যা চালানোর অভিযোগ করেন।

‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’-এ বাংলাদেশের হত্যাযজ্ঞকে বিশ শতকের পাঁচটি ভয়ঙ্কর গণহত্যার অন্যতম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আমি অকপটে স্বীকার করি পঁচিশে মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের সিদ্ধান্ত আরো আগেই নেয়া উচিত ছিল। বহুবিধ কারণে এটি সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি। পাকিস্তানের জুনায়েদ আহমেদ নামে এক ব্যক্তি ‘ক্রিয়েশন অব বাংলাদেশ : মিথস্ এক্সপ্লোডেড’ শিরোনামে একটি বই লিখেছে। যে বইয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দোষারোপ করা হয়েছে এই বলে যে, পঁচিশে মার্চের গণহত্যার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা দায়ী। তারাই নিরীহ-নিরপরাধ মানুষদের হত্যা করেছে।

আওয়ামী লীগ জেল-জুলুম-হুলিয়ার মুখেও অবিচল থেকে ইতিহাসের সত্যকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরে রেখেছে বলেই আজ প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে গণহত্যায় লিপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারিক প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রীয়ভাবে পঁচিশে মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।

- লেখক: তোফায়েল আহমেদ- আওয়ামী লীগ নেতা, সংসদ সদস্য, সভাপতি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

 





ads







Loading...