ইভিএমে ভোট, জ্ঞাননির্ভর রাষ্ট্র ও বন্ধু রোকনউদ্দিন

মানবকণ্ঠ
ফনিন্দ্র সরকার - ফাইল ছবি।

poisha bazar

  • ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫:০১

সদ্য সমাপ্ত ঢাকা সিটি নির্বাচন নিয়ে নানারকম ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পত্র-পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে। এবার সম্পূর্ণ ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণে একটি আলাদা বৈশিষ্ট্যের ছাপ ছিল। নেতিবাচক-ইতিবাচক বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও এটা যে, আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক একটি পদ্ধতি তা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। ডিজিটাল বাংলাদেশের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের এটাকে অন্যতম একটি শর্তও স্বীকার করতে হবে। প্রথম দিকে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকাটা অস্বাভাবিক নয়, এর ব্যবহার টেকসই করার জন্য আরো সতর্ক হতে হবে। তবে দেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের পথে, সে বিশ্লেষণের অন্যতম অনুষজ্ঞ ইভিএম ভোটিং পদ্ধতি।

প্রায় সব দলের অংশগ্রহণ সেই সঙ্গে প্রচার-প্রচারণায় লেভেল প্লেয়িংয়ের কোনো ঘাটতি ছিল না। প্রধান দুটি বড় রাজনৈতিক দল ও ইসলামিক শাসনতন্ত্র আন্দোলনের ব্যাপক শো-ডাউন ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রচার অনুযায়ী ভোটের দিন ভোটাধিকার প্রয়োগে ভোটার উপস্থিতি আশানুরূপ ছিল না। গড়পড়তা মাত্র ২৮ শতাংশ ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। ৭২ শতাংশের অনুপস্থিতিতে ভোটের প্রতি অনাগ্রহকেই দায়ী করা হচ্ছে। এই অল্পসংখ্যক ভোটারের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের গুরুত্বহীন প্রতিনিধি হিসেবে মন্তব্য করছেন কেউ কেউ কিন্তু এর চুলচেরা বিশ্লেষণে কারো মৌলিক ভাবনার প্রতিফলন ঘটছে না।

বিএনপি কারচুপি ও প্রহসনের নির্বাচন হিসেবে আখ্যায়িত করছে। তবে তার কোনো প্রমাণ হাজির করা সম্ভব হয়নি। ইভিএম পদ্ধতির নির্বাচন ব্যবস্থাটা সম্পূর্ণ বিজ্ঞানভিত্তিক। এতে কারচুপির নিম্নতম সুযোগও নেই। মেশিনারি যন্ত্র দিয়ে ভোট নেয়া হয়েছে। মেশিন কখনো কারচুপি করতে পারে না। হয়তো অপারেশনে কিছু ত্রুটি ছিল। এদিকে যারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন তাদেরও কারচুপি করে ভোট দেয়ার সুযোগ ছিল না। অন্যদিকে ভোট প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও কোনোরকম কারচুপি জ্বালিয়াতি করা সম্ভব হয়নি। এ পদ্ধতিতে কোনোক্রমেই অন্যায় করার ক্ষমতা নেই। ইচ্ছা করলেও পারবে না। ভোটের স্বচ্ছতার কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না। এদিকে ভোটার উপস্থিতি কম বলে কেউ কেউ গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত বলেছেন তাদের উদ্বেগের কোনো যৌক্তিকতা আছে বলে আমি মনে করি না।

ভোটাধিকার প্রয়োগ যেমন গণতান্ত্রিক অধিকার, না করাও গণতান্ত্রিক অধিকার। কেউ যদি ভোট দিতে না যায় তার অর্থ এই নয় যে, তিনি কাউকে সমর্থন করেন বা করেন না। স্বল্পসংখ্যক ভোটে নির্বাচিতরা সংখ্যাগরিষ্ঠের প্রতিনিধিত্ব করেন না বলে যারা প্রচার করছেন তাদের ধারণাও ভুল। যদি তাই হতো, তাহলে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদে রাজপথে নামত কোনো নেতৃত্ব ছাড়াই। তাই বুঝতে হবে নির্বাচিতদের প্রতি তাদের অকুণ্ঠ সমর্থন রয়েছে। মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে সেটারই প্রমাণ বহন করে। উন্নত দেশগুলোতেও ২০ শতাংশ-২২ শতাংশের বেশি ভোটাধিকার প্রয়োগ হয় না। সমৃদ্ধিশালী দেশের মানুষ আত্মসচেতনতার জায়গা থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ভোট দেয়া না দেয়াটা তাদের কাছে মুখ্য বিষয় নয়। জনগণের মৌন সমর্থনই আসল কথা।

তবে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে কমসংখ্যক ভোটাধিকার প্রয়োগ কতগুলো কারণ রয়েছে। আর তা হচ্ছে রাজনৈতিক নেতৃত্বের উদাসীনতা। রাজনৈতিক নেতারা যদি সাধারণ নাগরিকদের ভোটদানে উৎসাহী করে তুলতে না পারেন সে ক্ষেত্রে ভোটাররা ভোটদানে বিরত থাকে এটাই স্বাভাবিক। বেশি মাত্রায় ভোটার উপস্থিতির কৌশলটা যদি নেতারা না জানেন তবে তো এমন অবস্থা হবেই। তাই রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বিষয়টি নতুন করে ভাবতে হবে। অত্যাধুনিক বিজ্ঞান সভ্যতার এই যুগে মানুষের মনমানসিকতারও পরিবর্তন ঘটেছে। বর্তমানে আমরা যদি সত্য সত্যই একবার বিশ্বাস করি যে, আমাদের ভবিষ্যৎ হলো অধিকতর সাফল্য ও মানব সমাজ কর্তৃক কীর্তির পরিপূর্ণতা অর্জনের সম্ভবনাকে বাস্তবায়ন করা, তা হলে প্রথাগত ব্যঞ্জনার প্রয়োজন বলতে যা বোঝায় তা গৌণ হয়ে পড়ে। ভোটের ক্ষেত্রে সেটি ঘটে চলেছে। রাজনৈতিক নেতাদের হতে হয় কর্মকুশলী। কর্মকুশলতায় দক্ষতার দুটি মাত্রা থাকে একটি হচ্ছে পরিমাণ বা সংখ্যা অন্যটি হচ্ছে গুণগতমান।

এ দুটো দর্শনকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে হয়। ভোটের পরিমাণ কম-বেশির চাইতেও পদ্ধতির গুণগতমান কতটা উন্নতি হয়েছে সেটার বিশ্লেষণ দরকার আগে। বাংলাদেশে প্রায় ১৭ কোটি মানুষ, এ মানুষ যদি যথেষ্ট খেতে পায়, উপযুক্ত শিক্ষা পায়, সর্ব সুবিধাযুক্ত বাড়িতে বসবাস করে, তবে তা হবে একটি চমৎকার উন্নতির লক্ষণ। বাংলাদেশে যেটি অনেকটাই বাস্তবায়ন হয়েছে।

কয়েকদিন আগে ঢাকায় একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশের প্রতিথযশা অনেক সাংবাদিক কলামিস্ট বন্ধুদের সাক্ষাৎ ঘটেছিল অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিক রাহুল রাহার গাড়িতে করে ফিরছিলাম বাসার উদ্দেশে। সাংবাদিক রাহুল রাহা বয়সে আমার ছোট হলেও প্রজ্ঞায় অনেক বড়। আমি তাকে দারুণ শ্রদ্ধা সম্মান করি। পথিমধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কিছু কথা হয় তার সঙ্গে। একান্ত আলাপচারিতায় মনে হলো রাহুল রাহা আধ্যাত্মিক অনুভূতিপ্রবণ বিজ্ঞানমনষ্ক মানুষ। রাহুল রাহা বললেন ‘রাষ্ট্রকে জ্ঞাননির্ভর করতে যা করা দরকার শেখ হাসিনা সেটিই করছেন। মানুষকে ভালোভাবে জানার নাম-ই জ্ঞান, আর না জানার নামই অজ্ঞান। মানুষকে ভালোভাবে জানতে পারলে ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তাকে জানা যায়।

অন্যভাবে ঈশ্বরকে জানার নামও জ্ঞান না জানার নাম অজ্ঞান। শেখ হাসিনা তা জেনেই রাষ্ট্রপরিচালনা করছেন।’ রাহুল রাহা এও বললেন, ‘বর্তমান সমাজে এক শ্রেণির মানুষ জানে না যে, সহায়-সম্পদের আধিক্যে তার ক্লান্তি এবং অশান্তি দূর করতে ব্যর্থ হবে। শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে সে বার্তাটি পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছেন।’ রাহুল রাহার কথাগুলো শুনে আমি খুবই প্রীত হয়েছি। এটা ঠিক যে, রাষ্ট্র বা সংসারে কর্তব্য ও দায়িত্ব পালনে এবং সব দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে বিশ্ব সংসারের যিনি প্রাণকেন্দ সেই ঈশ্বরে মনোনিবেশ অপরিহার্য। এটা উচ্চতর ভাব। লোক দেখানো ঈশ্বর বা আল্লাহর বন্দনায় সমাজের কোনো কল্যাণ হয় না তা প্রমাণিত সত্য। প্রকৃত অর্থে ঈশ্বরে শরণাগতিই রক্ষাকবচ। বিজ্ঞানেও এটা সত্যে প্রমাণিত হয়েছে।

বিখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিস সম্বন্ধে একটি কথা জানা যায়। তার সঙ্গে এথেন্সে এক ব্রাহ্মণের দেখা হয়। তিনি তাকে বলেছিলেন,The greatest study for mankind is man. ব্রাহ্মণ নির্দ্বিধায় বললেন, ঈশ্বরকে না জানলে মানুষকে জানবে কী করে? আবার মানুষকে না জানলেও ঈশ্বরকে জানা যায় না। আধ্যাত্মিক এ অনুভূতিই প্রজ্ঞান বা ধর্ম-বিজ্ঞান রাষ্ট্রনায়কদের এ অনুভূতি থাকা প্রয়োজন। তবেই রাষ্ট্র কল্যাণরাষ্ট্র হবে। সেই সঙ্গে বিজ্ঞাননির্ভরও হয়ে উঠবে।

রাষ্ট্রের বা সংসারের উন্নতিতে জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। জ্ঞান কাজে লাগাতে পারলে লক্ষ্মী লাভ অনিবার্য। আমরা বিজ্ঞানের এ জগতে দেখতে পাই শুদ্ধ বিজ্ঞান আর ফলিত বিজ্ঞান। অর্থনীতি ও পরিবেশের উন্নতির ফলে জ্ঞান রূপায়িত হচ্ছে পণ্যে। আমাদের গ্রামের লোক যদি ভালো শিক্ষা, মাধ্যমিক পর্যন্ত না হলেও অন্তত অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শতভাগ শিক্ষা লাভ করে তবে সারাদেশই উন্নত হয়ে উঠবে। তবে আমাদের এ লক্ষ্য কিন্তু শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনেকটাই পূর্ণ হয়েছে। আমাদের দরকার গভীর চিন্তা ও কঠোর পরিশ্রম।

বিনাশ্রমে বিত্তশালী হওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। সেটা সম্ভব সব নাগরিককে যোগী হওয়ার মাধ্যমে। যোগী হতে পারলে মনের মধ্যে অতলান্তিক পরিবর্তন আসবে। হৃদয়ের অন্তরস্থ শক্তিগুলোতে আনুপাতিক হারে নতুনত্ব আসবে। এগুলো হচ্ছে আধ্যাত্মিক উন্নতি; এ উন্নতি কাজের ক্ষেত্রকে যেমন বিকশিত করবে তেমনি মানবিক মূল্যবোধকেও জাগিয়ে তুলবে। সবকিছুই নির্ভর করবে ব্যাপকভাবে নানা বিষয়ে জানার মধ্য দিয়ে। দেশ স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কর্মচারী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সহজ-সরল ভাষায় অনেক তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য রেখেছিলেন।

যে বক্তব্যগুলো এখন সব অফিস-আদালতে টানিয়ে রাখা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যকে হৃদয়ে ধারণ করে যদি কর্তা-সাহেবরা দায়িত্ব পালন করেন তবে কোনো বাধাই রাষ্ট্রকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। নানা বিষয়ে জানা না জানা প্রসঙ্গে একটি কথা মনে পড়ল। আমার বন্ধু রোকনউদ্দিন আহমদ বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় বাসায় শয্যারত। নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। কোমড়ে প্রচণ্ড ব্যথা, একা হাঁটতে পারেন না। চলনে-বলনে প্রাণবন্ত মানুষটি দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাসায় বন্দি জীবনযাপন করছেন। চিকিৎসার ঘাটতি না থাকলেও তিনি সেরে উঠছেন না। মাঝে মধ্যে বাসায় যাই তার সঙ্গে দেখা করতে। একা হাঁটাচলা করতে না পারলেও কথাবার্তা হাসি-ঠাট্টায় প্রাণোচ্ছ্বস। প্রচুর পড়াশোনা করেন। বিষয়ভিত্তিক তার আলোচনায় জ্ঞানাগ্নির উত্তাপ।

রাজনৈতিক সভার বক্তব্যগুলো শ্রোতাকর্ষণে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। সেই লোকটি এখন শয্যাগত। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি তিনি দ্রুত সেরে উঠুন। একদিন তার বাসায় যাই, অনেক কথা হয় দেশ নিয়ে। কথা প্রসঙ্গে অজানা তথ্য জানলাম তার কাছ থেকে। ১৯৭৪ সালের মার্চ মাসের কথা। রোকনউদ্দিন তখন ছাত্র ইউনিয়নের নেতা ছিলেন। নারায়ণগঞ্জের তদানীন্তন ছাত্রলীগ নেতা জনাব আনোয়ার হোসেন ও রোকনউদ্দিন আহমদ দুজনে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে। বাসায় বিদেশিদের ভিড় ছিল। তারপরও বঙ্গবন্ধু তাদের সাক্ষাৎ করার সুযোগ দেন। বঙ্গবন্ধুর মহত্ত্ব এখানেই। যিনি আপামর মানুষকে কাছে টেনে নিতেন। কথা শেষে দুজনে উঠে আসার সময় সোহাগ করে পেছন থেকে তাদের চুল টেনে ধরে বঙ্গবন্ধু সমস্বরে বললেন ‘তোরা আমার পক্ষে রাজনীতি কর বা বিপক্ষে কর, যে রাজনীতিই করিস না কেন, তাতে আমার আপত্তি নেই কিন্তু পড়াশোনা ভালোভাবে করিস।

আমি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ জায়গায় থেকে হারে হারে টের পাচ্ছি এ দেশে জানা লোকের যে কত অভাব।’ এমন উপদেশ নিয়ে দুজনে বেরিয়ে আসেন। এখন রোকনউদ্দিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দল আওয়ামী লীগ করেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালনকারী তিনি ঘরে বসেই দেশ-জাতির কথা ভাবেন, শান্তির কথা ভাবেন। শেখ হাসিনা দেশকে যেভাবে পরিচালনা করছেন খুবই বিস্ময়কর। এখনো কত অজানা লোক নিয়ে শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হচ্ছে এটা ভেবে রোকনউদ্দিন ঘাবড়ে যান। শেখ হাসিনার জন্য দোয়া চান। জ্ঞানের ব্যাপকতা নিয়েই শেখ হাসিনা এগিয়ে যাচ্ছেন সমস্ত বাধা অতিক্রম করে। রোকনউদ্দিনের এ বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা জানাই।

বাংলাদেশ যেন সর্বাত্মক জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে যেতে পারে। প্রকৃষ্টরূপে জ্ঞান আমাদের কাম্য। এরূপ জ্ঞানকে বলা হয় প্রজ্ঞান বা শুদ্ধবুদ্ধি। শুদ্ধবুদ্ধির রাজনীতিকদের আধিক্য ঘটুক এটা জনগণের মনের আকাঙ্ক্ষা। মুজিব বর্ষে রাজনীতিকদের মধ্যে জ্ঞান ও সত্যানুসন্ধানের চেতনা জেগে উঠুক। বিশ্ব রাজনীতি পরিমণ্ডলে শেখ হাসিনার অবস্থান দৃঢ় হয়েছে। এই দৃঢ়তার নেপথ্যে তার প্রজ্ঞা। সুতরাং রাষ্ট্রের বিভিন্ন অরগানে যারা আছেন তারাও প্রজ্ঞাবান হয়ে উঠুক, জানার মাধ্যমে। তবেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটবে।

লেখক - ফনিন্দ্র সরকার : আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট।

মানবকণ্ঠ/জেএস






ads