• বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২০
  • ই-পেপার

শিশুর অপুষ্টি দূরীকরণে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা

মানবকণ্ঠ
আব্দুল হাই রঞ্জু - ফাইল ছবি।

poisha bazar

  • আব্দুল হাই রঞ্জু
  • ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:৪২

মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে খাদ্যের নিশ্চয়তা অন্যতম। এই নিশ্চয়তার অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের শুরু আদিযুগ থেকেই। অর্থাৎ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। এই মৌলিক অধিকারগুলো আজও মানুষের নাগালের অনেক বাইরে। বিশেষ করে পাকিস্তানি শোষক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শোষণ বঞ্চনার মুক্তির লড়াইয়ে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে মহান বিজয় অর্জিত হওয়ার পর এ দেশের মানুষের ক্ষুধায় অন্নের কোনো নিশ্চয়তাই ছিল না। বলতে গেলে স্বাধীনতা-উত্তর এ দেশের প্রায় ৭০ ভাগ দরিদ্র মানুষের ক্ষুধার জ্বালা নিবারণে একমাত্র অবলম্বন ছিল খাদ্য আমদানি।

সদ্য স্বাধীন দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং নব্য লুটেরাদের দৌরাত্ম্যের কারণে মানুষের খাদ্য সঙ্কট ছিল পাহাড় সমান। সে দিনগুলোর স্মৃতি আজও ভুলতে পারেনি। তখনকার সেই করুণ এবং ভয়াবহ দৃশ্য দেখার সুযোগ আমার হয়েছিল। রাস্তায় রাস্তায় ভাতের দাবিতে কঙ্কালসার মানুষগুলোর সে এক করুণ আহাজারি। সদ্য স্বাধীন দেশের ক্ষমতায় তখন আওয়ামী লীগ সরকার। সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ তাদের মিত্রদের ষড়যন্ত্রের জাল এই বিস্তৃত ছিল যে, সহসাই খাদ্য সহায়তা পাওয়াও ছিল বড় দুষ্কর। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বজুড়ে সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে যে খাদ্য সংগ্রহ করেছেন, তার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণেও মানুষের ক্ষুধা নিবারণ ছিল কষ্টসাধ্য। ফলে ১৯৭৪ সালে খাদ্যের অভাবে হাজার হাজার মানুষকে না খেয়েই মরতে হয়েছে।

তখন দেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি। বলতে গেলে মান্ধাতার আমলের চাষাবাদই ছিল একমাত্র অবলম্বন। ফলে উল্লেখিত জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদার সিংহভাগই আমদানি করতে হতো। দারিদ্র্যের হার ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ। সে সময় খাদ্যের জোগান দেয়াই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। সে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ক্ষমতাবানদের প্রবল আকাক্সক্ষা থাকলেও বাস্তব পরিস্থিতি ছিল প্রতিকূলে। সেই প্রতিকূল পরিস্থিতি সামাল দেয়া বড়ই কঠিন ছিল। এর ওপর আবার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ক্ষমতার ধারাবাহিকতাকেও ধরে রাখাও সম্ভব হয়নি। আর বুভুক্ষু মানুষের বিক্ষোভ, সব মিলে পরিস্থিতি ক্ষমতাসীন সরকারের অনুকূলেও ছিল না।

এরই মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বিপথগামী কিছু সেনা সদস্যের হাতে সপরিবারে জীবন হারান রাষ্ট্রপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমান। সে সময় থেকেই ক্যু পাল্টা ক্যুয়ের সংস্কৃতি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। অর্থাৎ রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করে। ক্ষমতার সুবাদে জš§গ্রহণ করে নতুন নতুন রাজনৈতিক দলের। বিশেষ করে সেনা ছাউনিতে শীর্ষে থাকা ক্ষমতাবানদের হাতে দেশের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরিভাবে চলে যায়। এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল কাটা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু তিনি ক্ষমতার সেই ধারাবাহিকতাকে ধরে রাখতে পারেননি। সেনা অভ্যুত্থানে তিনি নিহত হলেও তাঁর নিজে গড়া রাজনৈতিক দলের হাতেই ক্ষমতা থেকে যায়।

আশির দশক সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণ করে খাদ্য সঙ্কট মোকাবিলায় খাদ্য উৎপাদন, খাদ্য মজুদ ও খাদ্য বিপণনে নতুন খাদ্য নীতিমালা গ্রহণ করে। ফলে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য মজুদের পরিমাণও বেড়ে যায়। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে স্বৈরাচারী আচরণের কারণে দেশব্যাপী এরশাদবিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে ওঠে এবং এক পর্যায়ে সকল দলের ঐক্যবদ্ধ গণঅভ্যুত্থানের মুখে রাষ্ট্রপতি এরশাদ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। রাজনীতিতে নতুন মাত্রা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল হতে থাকে। সে ধারা আজ পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এরই মধ্যে অনেক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি শ্রেণি বৈষম্যের সঙ্কটও তীব্র হয়েছে। খাদ্য উৎপাদনও বেড়েছে। দেশের এখন জনসংখ্যা ১৬ কোটিরও অধিক। স্বাধীনতা-উত্তর গত ৪৫ বছরে নগরায়ণ, বসত-বাড়ি, অফিস-আদালত নির্মাণ, রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নে আবাদি জমির পরিমাণ অনেক কমে গেছে। এরপরও বৃহৎ এই জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা প্রায় দেশীয়ভাবে জোগান দেয়াও সম্ভব হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, খাদ্য উৎপাদনের এই ধারা অব্যাহত থাকলে নিকট ভবিষ্যতে আর হয়তো খাদ্য আমদানি করতে হবে না। তবে ধান উৎপাদনে দেশের কৃষি খাত যতটুকু সক্ষমতা অর্জন করেছে, সে তুলনায় গম উৎপাদনের পরিমাণ এখনো অনেক কম। ফলে প্রতিবছরই লাখ লাখ টন গম আমদানি করতে হয়। এর পেছনেও উপযুক্ত গমবান্ধব নীতিমালার অভাবই দায়ী অথচ এখন নদীবেষ্টিত বাংলাদেশের প্রতিটি নদীর আকার ছোট হয়ে আসছে।

জেগে উঠছে হাজার হাজার হেক্টর চরাঞ্চল। যেগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই দো-আঁশ মাটি হওয়ায় গম, ভুট্টার চাষাবাদের উপযুক্ত। সে জমিতে পরিকল্পিতভাবে চাষাবাদ করলে চাহিদার পুরো গম ও ভুট্টা উৎপন্ন করা সম্ভব। কিন্তু অনেক সময়ই গমচাষিরা গম উৎপাদন করে উপযুক্ত মূল্যের অভাবে গম কাটা মাড়াই মৌসুমে পানির দামে গম বিক্রি করতে বাধ্য হন। সঙ্গত কারণে গম উৎপাদনে চাষিদের আগ্রহ দিনে দিনে কমে আসছে। যেমন সরকার প্রতিবছরে মাত্র দেড় দুই লাখ মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করে থাকে। যদি এই গম সংগ্রহের পরিমাণ ৫/৬ লাখ টন পর্যন্ত নির্ধারণ করে সরকার উপযুক্ত মূল্যে সংগ্রহ করত, তাহলে প্রকৃত চাষিরাই খাদ্যগুদামে গম বিক্রি করতে সক্ষম হতো। তাহলে গম উৎপাদনে চাষিদের আগ্রহ বেড়ে যেত। ফলে গম আমদানির পরিমাণ কমে এলে বৈদেশিক মুদ্রারও সাশ্রয় হতো। বাস্তবতা হচ্ছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কৃষির উন্নয়নে সরকার যে পরিমাণ পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা সহায়তা দিয়ে থাকে, ফসল উৎপাদনের পর আর সে পরিমাণ সহায়তা কিংবা পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া হয় না। ফলে গম চাষবাদ করে চাষিদের লোকসানই গুনতে হয়।

বেশ কিছুদিন আগে খাদ্য উৎপাদনে সমৃদ্ধ উত্তর জনপদের নীলফামারী জেলায় অনুষ্ঠিত ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সে অনুষ্ঠানে ভুট্টাচাষিরা দাবি তুলেছিলেন, ভুট্টা চাষ করে তারা উপযুক্ত মূল্য পান না। এ জন্য সরকারিভাবে যেন ভুট্টা সংগ্রহ করা হয়। ভুট্টাচাষিদের দাবির মুখে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন, আগামীতে ভুট্টাচাষিদের কাছ থেকে সরকার উপযুক্ত মূল্যে ভুট্টা সংগ্রহ করবে। আমরাও আশা করেছিলাম, সরকার ভুট্টা সংগ্রহ করলে ভুট্টাচাষিরা উপযুক্ত মূল্য পাবে এবং ভুট্টা চাষের পরিধিও বেড়ে যাবে, কিন্তু অর্থমন্ত্রীর সে ঘোষণার বাস্তবায়ন আজও হয়নি। যেখানে প্রতিনিয়তই জনসংখ্যা বাড়ছে অর্থাৎ খাদ্য চাহিদা শুধুই বাড়ছে। আবার আবাদযোগ্য জমির পরিমাণও প্রতিনিয়তই কমছে। সেখানে খাদ্য উৎপাদনের পরিধি বৃদ্ধি করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই, যা বলাই বাহুল্য। আমাদের দেশের জেগে ওঠা চরগুলোর বিশাল এলাকাজুড়ে গম, ভুট্টা ও আলু চাষের অমিত সম্ভাবনা বিদ্যমান। কম পানিতে দোঁ-আশ মাটিতে গম ও ভুট্টার চাষাবাদের পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব হলে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ করা সম্ভব হবে।

সরকার দাবি করছে, দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর হার ২২ শতাংশ এবং অতিদরিদ্রের হার ১২ শতাংশে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি। অতিসম্প্রতি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির দেয়া তথ্যে জানা গেছে, বাংলাদেশে এখনো ৪ কোটি মানুষ ক্ষুধা নিয়েই ঘুমাতে যান। আবার শিশু অপুষ্টির হার এখনো অনেক বেশি। সংস্থাটির মতে, তিন ভাগের মধ্যে ১ ভাগ শিশু অপুষ্টির কারণে প্রতিবছরই মৃত্যুবরণ করছে। গত ২০০০ সালে জাতিসংঘের কোপেনহেগেন সামাজিক শীর্ষ সম্মেলনে দরিদ্র হ্রাস বিশেষ করে হতদরিদ্রদের সংখ্যা কমিয়ে আনতে ১৫ বছর মেয়াদি সহস াব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) নির্ধারণ করা হয়েছিল। এমডিজিতে ১৫ বছরে বাংলাদেশের অর্জন ভালো ছিল। সে অর্জন শেষে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

এ কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্রের সংখ্যা আরো কমিয়ে আনার পাশাপাশি শিশু অপুষ্টির পরিমাণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। কিছুদিন আগে ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট ‘বিশ্ব ক্ষুধা সূচক’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সে প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের ১১৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯০তম। সংস্থাটির গত ২০০৮ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩২ দশমিক ৪ শতাংশ, এবারে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ১ শতাংশে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট এই সময় সীমার মধ্যে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। কিন্তু সার্বিক অর্থে এ অর্জনকে আরো এগিয়ে নিতে হবে। এ জন্য শিশু অপুষ্টি দূর করতে বিশ্বব্যাংক প্রধান জিম ইয়ং কিম ২০১৬ সালের ১৭ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবসে বাংলাদেশ সফরে এসে ১ বিলিয়ন ডলারের পাশাপাশি ঋণ সহায়তা দ্বিগুণ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

সংস্থাটির প্রধান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শিশু অপুষ্টি খাতে বাংলাদেশকে আগামী দুই বছরে বর্তমানের চেয়ে ১০০ কোটি ডলার বেশি সহায়তা দেয়া হবে। শুধু বাংলাদেশে নয়, সংস্থাটি গোটা বিশ্বের দেশে দেশে অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের রক্ষায় সহায়তা দিয়ে থাকে। আমরা মনে করি, শুধু দাতা দেশ কিংবা সংস্থার সহায়তার ওপর নির্ভর করে শিশু অপুষ্টির হার কমানো সম্ভব হবে না। এজন্য আমাদের জাতীয় বাজেটে শিশু অপুষ্টি দূরীকরণের জন্য ব্যয় বরাদ্দ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য সরবরাহকেও নিশ্চিত করতে হবে। আশার কথা, কৃষি বিজ্ঞানীরা অতিসম্প্রতি জিংক সমৃদ্ধ ধান উৎপাদন করেছে। যে ধানের ভাত খেলে অপুষ্টি দূর হবে। এমনকি অপরিণীত বয়সে অর্থাৎ বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। কারণ বাল্যবিয়ের কারণে অপরিণত বয়সে মেয়েরা যে সন্তান প্রসব করে, বলতে গেলেই তার পুরোটাই অপুষ্টির শিকার হয়ে জন্মগ্রহণ করে। যাদের মৃত্যুর হার অনেক বেশি।

এর বাইরে দরিদ্রহার না কমানোর অন্যতম কারণ দুর্নীতি। কারণ দুর্নীতিকে রোধ করা সম্ভব না হলে কাক্সিক্ষত পরিমাণ দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব হবে না। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচিকে অব্যাহত রাখতে হলে দুর্নীতি প্রতিহত করার কার্যক্রমকেও শক্তিশালী করতে হবে। বাস্তবে আমাদের দেশে দুর্নীতির আগ্রাসন এতই প্রকট যে, শোষণ, লুটপাট ও দুর্নীতির কারণে শ্রেণি বৈষম্য দিনে দিনে প্রকট হচ্ছে। আর শ্রেণি বৈষম্য প্রকট হলেই বুঝতে হবে দুর্নীতির পরিমাণ বেড়ে গেছে। আমাদের দেশে দুর্নীতির আগ্রাসন কমার বদলে শুধুই বাড়ছে। তাহলে দারিদ্র্য বিমোচনের হার কমবে কী করে? এজন্য জনগণকে দুর্নীতি রোধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যার কোনো বিকল্প নেই। যতদিন ঐক্যবদ্ধের সেতুবন্ধকে শক্তিশালী করা সম্ভব হবে না, ততদিনই হয়তো দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা হবে, বাস্তবে তা হবে ‘সোনার তৈরি পাথর বাটির’ মতোই অবাস্তব এবং কাল্পনিক।

লেখক-আব্দুল হাই রঞ্জু: কলামিস্ট।

মানবকণ্ঠ/জেএস




Loading...
ads






Loading...