জলবায়ু সম্মেলন ও শেখ হাসিনার সমন্বয়পূর্ণ আবেদন

ফনিন্দ্র সরকার :
ফনিন্দ্র সরকার : - ছবি : সংগৃহীত

poisha bazar

  • ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:১৮

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবেশ বিপর্যস্তগামী, মানুষের জীবন হয়ে উঠছে অনেকটাই দুর্বিষহ। প্রকৃতির স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে, মানব সভ্যতার বৈজ্ঞানিক অনুষজ্ঞের ব্যাপক ব্যবহারে। মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণে শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি যেমন বেড়েছে তেমনি প্রাণিবৈচিত্র্যের লাবণ্যও ম্লান হতে চলেছে।

এসব নিয়ে বিশ্বে সম্ভার হয়েছে অনেক, গবেষণাও কম হচ্ছে না; ক্ষতিকারক এগুলোর বণ্টন ঘটেছে অনেকটা ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর লালসা তৃপ্তি ও স্বার্থসিদ্ধির জন্য। এ অশুভ ও অসম বণ্টনই বিশ্বের যত অশান্তি। একটা বিষয় প্রতীয়মান হচ্ছে যে, মানুষের বুদ্ধির যতটা ব্যাপকতা লাভ করেছে কিন্তু বিবেকবোধ ততটা বৃদ্ধি পায়নি।

সব মানুষের প্রতি মতত্ববোধ জ্ঞাপনের প্রাণবন্ত বাহ্যিক বা লোক দেখানো ভাবনায় পৃথিবীর মানবজাতি সাময়িক আত্মতৃপ্তি লাভ করলেও আসল সত্য যখন জেনে যাবে তখন বিশ্ব নেতারা ক্ষমা পাবেন না সে কথা জোর দিয়েই বলা যায়। বিশ্বে আজ যে দ্ব›দ্ব তা কেবল ক্ষণ ভঙ্গুর বস্তু সংগ্রহের অতৃপ্ত বাসনাকে কেন্দ করে।

হিংসা লোভ ও লালসার ঊর্ধ্বে উঠে জ্ঞান-চর্চায় মনোনিবেশ করে মানবকল্যাণের পথনির্দেশনায় যে ভ‚মিকা বিশ্বনেতাদের কাছ থেকে মানুষ প্রত্যাশা করছে তা কতটা পূরণ হবে-সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। আর এ প্রশ্নের ওপর জোর দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারের মাদ্রিদ জলবায়ু সম্মেলনে দৃঢ়চেতা মনোভাব নিয়ে যে বক্তব্য পেশ করেছেন তা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

তিনি বিশ্বের সব নেতাকে সমন্বিত করেই বলেছেন, ‘আমরা ব্যর্থ হলে ভবিষ্যৎ প্রজš§ আমাদের ক্ষমা করবে না। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এখন থেকেই কাজ শুরু করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। গত ২ ডিসেম্বর ১৯ স্পেনের ফেরিয়া দ্যা মাদ্রিদ (আইএফএমএ) অ্যাকশন ফর সারভাইভাল: ভ্যালনারেবল নেশন্স কপ-২৫ লিডার্স সামিট’-এর উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

বক্তব্যে তিনি ‘সিডিএফ এবং জি-২০ দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ত্রিমুখী সহযোগিতার অসাধারণ উদাহরণ তুলে ধরেন। বর্তমানে যে সাফল্য তা আরো এগিয়ে নেয়ার জন্য সমন্বয়পূর্ণ আবেদন উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন ‘আমরা যদি আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হই, তাহলে তারা ক্ষমা করবে না। প্রতি মুহূর্তে আমাদের নিষ্ক্রিয়তা পৃথিবীর প্রতিটি জীবিত মানুষকে ধ্বংস করে দেবে। কী অসাধারণ সাহসী উচ্চারণ।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯২ সালে আর্থ সামিটের পর থেকে আমরা গ্রিন হাউস গ্যাস হ্রাসে খুব বেশি অগ্রগতি অর্জন করতে পারিনি। বরং এর নির্গমণ ক্রমেই বেড়েই চলেছে। এই প্রবণতা বিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। ভয়ঙ্কর ঝুঁকিতে থাকা আমাদের মতো দেশগুলো এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমিত ক্ষমতা এবং নির্দিষ্ট ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হই অথচ জলবায়ু পরিবর্তনে যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে এতে আমাদের দায় খুবই তুচ্ছ কিন্তু বড় ধরনের ক্ষতির ধাক্কাটা আমাদেরই সামলাতে হচ্ছে।

এটি একটি অবিচার, বিশ্ব সম্প্রদায়কে তা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে ক্ষতির ঝুঁকিতে থাকা সত্তে¡ও সহায়তার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাচ্ছি না। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে একটি নতুন সিডিএফ এবং ডি-২০ ট্রাস্ট তহবিল গঠনের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ দূত নিয়োগের কথাও তুলে ধরেন।

এখানে একটি কথা উল্লেখ করতে হচ্ছে যে, ক্রমবর্ধমান বিশ্ব উন্নয়নের সঙ্গে বদলে যাওয়া জলবায়ুর প্রভাবে বিশ্বে মানবজাতির স্বাস্থ্যগত কী পরিমাণ ক্ষতির মুখোমুখি হবে এবং তা মোকাবিলায় কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে ১৯৯২ সালে তার একটি ফ্রেমওয়ার্ক অনুমোদন করেছিল জাতিসংঘ যা কপ-১৯ হিসেবে পরিচিত।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কাঠামোর মধ্য থেকে কার্যক্রম পরিচালনার কথা থাকলেও সেটার সাফল্য দৃশ্যমান নয়। এখানে আরো উল্লেখ্য যে, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে প্রথম কনফারেন্স হয়েছিল জেনেভায় ১৯৭৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে বছর ১২ থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলছিল ঈড়হভবৎবহপব। এর পর ১৯৯৫ সালে প্যারিস কনফারেন্সে জলবায়ুর পরিবর্তনের ক্ষতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।

২০১৫ সালে ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কনভেনশনে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের জন্য অর্থসহায়তা ফান্ড গঠন হয়, পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিলে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হলেও ক্ষতির পরিমাণ অনুসারে বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়নি। এ বছর বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে প্যারিস চুক্তির ৬ নম্বর আর্টিকেল নিয়ে দেন-দরবার চলছে। এবারের সম্মেলনে মূলত প্যারিস চুক্তির ৬ নম্বর আর্টিকেল ছিল আলোচনার মূল এজেন্ডা।

কীভাবে কার্বন নিঃসরণ কমানো হবে, যে সব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী নয় কিংবা জলবায়ু পরিবর্তনে কোনো ভ‚মিকা রাখছে না অথচ কার্বন নিঃসরণ কমাবে বা কমাচ্ছে সেসব দেশকে কীভাবে বা কতটা সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে এ বিষয়ে অনুন্নত ও উন্নত বিশ্বের মধ্যে মেকানিজম ডেভেলপ করা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এবারের সম্মেলনেই সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা কার্বন নিঃসরণ কমানোর সুবিধা ২০২০ সালের আগে থেকে নাকি ২০২০ পর থেকে গণনা হবে। এবারের সম্মেলনে গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটিজ (জিইএফ) নিয়ে আলোচনা চলছে।

জিইএফ থেকে প্রতি বছর অভিযোজনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ও জলবায়ু ঝুঁকির মধ্যে থাকা দেশগুলোকে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয় কিন্তু উন্নত দেশগুলো যে বরাদ্দ দিয়ে আসছিল এ যাবৎ তা কমিয়ে দিয়েছে। প্রতি চার বছর অন্তর তহবিল রিনিউ করা হয়। সপ্তমবারের মতো এসে এটি আবার চার বছরের জন্য রিনিউ করা হয়েছে। এই সপ্তমবারে উন্নত বিশ্ব জিইএফ তহবিলে বরাদ্দ কমিয়ে দিয়েছে।

কেন বরাদ্দ কমিয়ে দিয়েছে তা নিয়ে এখন উন্নত ও অনুন্নত বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মাধ্যমে জানা গেছে, গত বছর যেখানে বাংলাদেশকে ১০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল এ বছর তা কমিয়ে ৬ দশমিক ৬ মিলয়ন ডলার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এভাবে বরাদ্দ কমানোর সংস্কৃতি অব্যাহত রাখলে এক সময় তহবিল অকার্যকর হয়ে পড়বে। ঝুঁকির মুখে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলার অভিযোজনের জন্য উন্নতবিশ্ব এ তহবিল করলেও কেন সে তহবিল বরাদ্দ কমিয়ে দেয়া হচ্ছে তার কোনো ব্যাখ্যা নেই।

বাংলাদেশসহ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো জিইএফ তহবিলে বরাদ্দ আরো বাড়ানোর জন্য দেন-দরবার করছে। জলবায়ু সম্মেলনে বিভিন্ন ওয়ার্কিং কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু সম্মেলনে তার গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করে বিশ্বনেতাদের যে বার্তাটি দিয়ে এসেছেন তা উচ্চতর সত্যে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন।

তিনি জাতীয় পরিকল্পনা, ২০২০ সালের মধ্যে উচ্চাভিলাষ বাড়ান, শীর্ষক গোলটেবিলেও আলোচনা করেন। সে আলোচনার সারবত্তা হচ্ছে গোষ্ঠীগত চিন্তামুক্ত হয়ে বিশ্ব ঐক্য স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা। মানবজাতি হচ্ছে জীবশ্রেষ্ঠ। এই শ্রেষ্ঠত্বের গৌরব ধরে রাখতে হলে অনাবিল আনন্দময় পরিবেশের পৃথিবী গড়তে হবে। মানবজাতির কল্যাণার্থে এমন এক আদর্শের বাস্তব ভিত্তি প্রস্তুত করতে হলে স্বচক্ষে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দেখতে হবে। তা দেখার জন্য শেখ হাসিনা সমন্বয়পূর্ণ আবেদন রেখেছেন বিশ্বনেতার কাছে।

এদিকে শেখ হাসিনা আগামী বছর ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিডিএফ) সভাপতি দায়িত্ব গ্রহণে সম্মত হয়েছেন। কপ-২৫ নামে পরিচিত ২৫তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মেলনে উদ্বোধনী দিনে মার্শাল আইল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ছিলভা হেইনরির এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রহণ করেছেন। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনের সময় মালদ্বীপ সরকার সিডিএফ গঠন করেন। মার্শাল আইল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ছিলভা হেইনি বর্তমানে সিডিএফের সভাপতি।

এ ফোরামের কাজ হচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণতার নেতিবাচক প্রভাব চিহ্নিত করা। জলবায়ু পরিবর্তনে কী পরিমাণ বৈশ্বিক উষ্ণতা তৈরি হয় যার ফলে আর্থ-সামাজিক ও পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান তুলে ধরার লক্ষ্যেই সিডিএফ করা হয়েছে। মানবজাতিকে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বসবাস করার লক্ষ্যে বিশ্বের প্রকৃতি পরিবেশ ও তার ভারসাম্য বজায় রাখা অপরিহার্য। একই সঙ্গে সুষম ও নির্ভেজাল খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রেও প্রকৃতির স্বাভাবিকতা প্রয়োজন। প্রকৃতিই বদলে গেলে কৃত্রিম খাদ্যনির্ভর হয়ে পড়বে মানবজাতি। যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

টেকসই উন্নয়নের স্বার্থেই জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে হবে। এই বিশ্ব প্রকৃতির যত শোভা সৌন্দর্য তার একটা নিজস্বতা রয়েছে। তা স্বার্থের জন্য গ্রাস করা মহা অন্যায়। মনে রাখা দরকার প্রকৃতিকে ফিরিয়ে দিলে প্রকৃতিও মানবজাতিকে সুষ্ঠু, সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বাঁচার ভালো ভালো উপাদান দেবে। আমরা লক্ষ্য করছি, এই উপমহাদেশে আমাদের বনসম্পদ দিন দিন ক্ষীণ হয়ে আসছে, এতে আবহাওয়া প্রতিক‚ল হচ্ছে। মানুষ অসুবিধায় পড়ছে। আধুনিক যন্ত্র সভ্যতার মানুষগুলোর চৌর্যবৃত্তির কারণে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বনসৃজনের ও দূষিত নদী পরিষ্কারণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। সারাদেশে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। প্রকৃতি প্রদত্ত সামগ্রী মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণেই ভ‚মিকা রেখে আসছে সৃষ্টির গোড়া থেকে। প্রকৃতির সম্পদ রক্ষায় যদি বিশ্বব্যাপী সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা যায় তবে বছর বছর জলবায়ু সম্মেলন করার প্রয়োজন পড়বে না।

জীব-উদ্ভিদ পরিবেশ চক্র আমরা লক্ষ্য করে থাকি। ঠিক যেমন দেখা যায় বীজ, তা থেকে অঙ্কুর, তা থেকে চারা, চারা থেকে গাছ তা থেকে ফুল, ফল আবার বীজ, এটি একটি চক্র। তেমনি সূর্যের তেজ পৃথিবীতে আসছে, তার সংযোগে হচ্ছে গাছ, প্রাকৃতিক শক্তি, পশু ও মানব এবং শেষে ওই তেজ আবার ফিরে যায়, এভাবে এখানেও একটি চক্র রয়েছে। এ চক্রের যে বিশেষত্ব তার প্রতি গোটা জাতিকে সম্মান জানাতে হবে, ভালোবাসতে হবে। তবেই জলবায়ু ঠিক থাকবে, ক্ষতিকর কোনো প্রভাব পড়বে না। শেখ হাসিনা প্রকারান্তে এ চক্রের প্রতি মর্যাদা প্রদর্শনের সমন্বয়পূর্ণ আবেদন জানিয়েছেন-বিশ্বনেতাদের কাছে এবারের জলবায়ু সম্মেলনে।

লেখক: ফনিন্দ্র সরকার- আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট




Loading...
ads






Loading...