মাদক, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও র‌্যাগিংমুক্ত শিক্ষাঙ্গন প্রত্যাশায় করণীয়

প্রফেসর ড. মোঃ সেকেন্দার আলী :
প্রফেসর ড. মোঃ সেকেন্দার আলী : - ছবি : সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৬ নভেম্বর ২০১৯, ১০:১৩

মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও র‌্যাগিং নতুন নয়। অতীত সরকারের আমলে এগুলোর বিরুদ্ধে তেমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে এ সমস্ত ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি। বর্তমান ডিজিটাল সরকারের আমলে সকল ঘটনাই অতিদ্রæত গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং সরকার দলমত নির্বিশেষে এগুলো প্রতিরোধের ব্যবস্থা করছে। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও র‌্যাগিং প্রতিরোধ করে শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে আজকের এ আলোচনা।

মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব গাছের শিকড়ের মতো ছড়িয়ে আছে সমাজের গভীর থেকে গভীরে, যা উপড়ে ফেলা সহজ নয়। মাদকের কুফল থেকে মুক্তি পাওয়া বেশ কঠিন। শহর এলাকা ছাড়িয়ে মাদক এখন তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে গেছে। মাদক দ্রব্যের ভয়াবহতা নিয়ে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। শিক্ষাঙ্গনে মাদক বলতে বোঝায় ছাত্র-ছাত্রী কর্তৃক মদ, গাঁজা ইত্যাদি সেবন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অতি অল্প কিছু ছাত্র-ছাত্রী এগুলো সেবন করে। যার ফলে পুরো বিশ্ববিদ্যলয় হয়ে ওঠে কলুষিত। সুশিক্ষা ও সচেতনতার পাশাপাশি শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মচারী সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টাই পারে মাদক নামের এ প্রাণঘাতী ব্যাধি থেকে পরিত্রাণের পথ দেখাতে ও শিক্ষাঙ্গনকে মাদকমুক্ত করতে।

ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করার নামই সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ। বড় বড় রাজনৈতিক সন্ত্রাসের কথা আমরা সকলেই জানি, যেমন- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সন্ত্রাস, ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল কর্তৃক ছাত্রীদের ওপর হামলা, ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল (বাংলা ১৪০৮ সনের পহেলা বৈশাখে) রমনা বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা সন্ত্রাস, ২০০১ সনের ১ অক্টোবর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ওপর ধারাবাহিক ছয় মাসের সন্ত্রাস, যশোরে উদীচীর অনুষ্ঠানে সন্ত্রাস, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড সন্ত্রাস, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে একই সাথে ৫০০ স্থানে সিরিজ বোমা সন্ত্রাস, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে ১০০ দিন পরিচালিত আগুন সন্ত্রাস, ইত্যাদি।

মানব জাতির বাঁচার মৌলিক অধিকারের মাঝে শিক্ষা একটি অন্যতম উপাদান। অথচ কোনো কোনো শিক্ষাঙ্গনে হত্যা, সন্ত্রাসের বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে শিক্ষার্থীরা মানুষ হতে আর ফিরে যায় কেউ কেউ লাশ হয়ে। ফলে শিক্ষার্থীদের মা-বাবা সন্তানদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না। সমস্ত প্রতিষ্ঠানের নীতি ও আদর্শের ছায়াতলে লালিত হচ্ছে অসংখ্য জীবন স্বপ্ন। নম্রতা, জ্ঞান, বুদ্ধির বিকাশ, সহমর্মিতা, যুক্তি ও ন্যায় যেখানে ছাত্রদের চরিত্রকে উন্নত ও মহান করে তোলার পক্ষে কাজ করে সেখানে সন্ত্রাস একটি অভিশাপ। বৃহত্তর জাতির স্বার্থেই শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস থাকলে তা যেমন শিক্ষাঙ্গনকে অপবিত্র করে তেমনি মানুষ গড়ার আঙ্গিনায় সত্যিকারের মানুষের সুপ্ত প্রতিভাও চিত্ত বিকাশে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

র‌্যাগিং অর্থ পরিচিত হওয়া, তিরস্কার করা অথবা আবেগে কিছু করা ইত্যাদি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থীদের সাথে পুরাতন শিক্ষার্থীদের একটা সখ্য গড়ে তোলার জন্য যে পরিচিতি সেটাকে র‌্যাগিং হিসেবে অভিহিত করা হয়। প্রথম দিকে এটা নির্দোষ জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরির প্রথম ধাপ হিসেবে দেখা হতো। পরে দিন দিন র‌্যাগিংয়ের বিকৃত হতে থাকে, বর্তমানে এটি সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা কিংবা ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর জন্য বিভীষিকায় রূপ নিয়েছে। আশির দশকে ভারতে, শ্রীলঙ্কায় এটা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানেও এর প্রচলন বাড়তে থাকে নব্বইয়ের দশকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ ছাত্র-ছাত্রীরা সাধারণত তাদের কনিষ্ঠদের ওপর র‌্যাগিং পরিচালনা করে। ব্যাচের সকল ছাত্র-ছাত্রী র‌্যাগিং করে না, শুধুমাত্র নির্ধারিত এক বছরের জ্যেষ্ঠ কিছু ছাত্র-ছাত্রী এটি করে থাকে। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ম বছর ভর্তি হয় তারাই র‌্যাগিং-এর শিকার হয়। র‌্যাগিং-এর বিভিন্ন ধরন রয়েছে; যেমন-পরিচয় দেওয়া, গান গাওয়া, নাচা, কবিতা আবৃত্তি, রোদ্রে ক্যাম্পাসে দৌড়ানো, বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন ইত্যাদি। র‌্যাগিং সাধরণত যৌথভাবে ঘটানো হয়ে থাকে। র‌্যাগিং শেষে অনেক সময় কনিষ্ঠদেরকে জ্যেষ্ঠরা মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়ন করে থাকে।

র‌্যাগিং-এর মাধ্যমে জ্যেষ্ঠদের সাথে কনিষ্ঠদের সম্পর্ক ভালো হয়। পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের গাইডলাইনও জ্যেষ্ঠরা দিয়ে থাকে। মানুষের সাথে কথা বলা, চাল-চলন, ওঠা-বসার পদ্ধতি র‌্যাগিং-এর মাধ্যমেই শিখানো হয়। র‌্যাগিং-এর ভালো দিক থাকলেও বর্তমানে এটি নোংরামিতে ভরা। সবার র‌্যাগিং সহ্য করার ক্ষমতা এক রকম নয়। র‌্যাগিং-এ শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। সবার সাথে লাঞ্ছনার শিকার হতে হয় কনিষ্ঠদের। তাদের প্রাথমিক জীবনে নেমে আসে দুর্বিষহ অন্ধকার। এজন্য র‌্যাগিং তাদের কাছে আতঙ্ক হিসেবে মনে হয়। র‌্যাগিং প্রমাণিত হলে র‌্যাগারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া দরকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।

অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং-এর কারণে ছাত্র/ছাত্রী বহিষ্কারের ঘটনা ঘটে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারের উচিত ইভটিজিং-এর মতো র‌্যাগিং এবং র‌্যাগারদেরকে জিরো টলারেন্স বিবেচনা করে প্রতিরোধ করা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অসভ্য র‌্যাগিং বন্ধ হয়ে গেলে খুন-খারাবি, হত্যা, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ কার্যক্রম অনেকটা হ্রাস পেয়ে শিক্ষার পরিবেশ তৈরি হবে।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদক, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও র‌্যাগিং অনেক কম। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণায় ২০০১ সালে তৎকালীন বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউটই আজকের শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। এখানকার মাননীয় সংসদ সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি ও কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের রয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তীক্ষ্ণ নজর।

এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই সৃষ্টি হয়েছে বড় নীতি নির্ধারক, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, শিক্ষাবিদ ও গবেষক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতেও রয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক কৃতী ছাত্র; যেমন: বর্তমান ডিএমপি কমিশনার কৃষিবিদ শফিকুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কৃষিবিদ মীর শহীদুল ইসলাম বিপিএম। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীগণ দেশ সেবার ব্রত নিয়ে লেখাপড়া করে থাকে। তবুও এখানে অতি অল্প কিছু মাদকের ব্যবহার থাকতে পারে, কদাচিৎ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে এবং বছরের শুরুতে কিছু র‌্যাগিং হয়ে থাকতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরদারিতে এগুলোর ব্যাপকতা এখানে কখনই সৃষ্টি হয়নি।

এ বছরের শুরুতে ফেব্রুয়ারিতে র‌্যাগিং-এর খবর পেয়ে প্রশাসন একটি ছাত্র হলে উপস্থিত হলে এক বছরের জ্যেষ্ঠ একদল ছাত্রকে দেখা যায় নতুন একদল ছাত্রকে লাইনে দাঁড় করিয়ে আচরণমূলক কার্যাদি শিক্ষাদানে ব্যস্ত। প্রশাসনের হস্তক্ষেপের কারণে ঐ দিনের পর থেকে এখানে আর র‌্যাগিং এর খবর পাওয়া যায়নি বা কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। কম বেশি যাই হোক মাদক, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও র‌্যাগিং চিরতরে নির্মূল করতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্র-ছাত্রীগণ আজ বদ্ধপরিকর। গত কয়েক বছর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সভা-সমাবেশ, র‌্যালিসহ বিভিন্ন প্রচার প্রচারণা করা হয়েছে।

মাদক, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও র‌্যাগিং-এর বিরুদ্ধে সরকার তথা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষকমণ্ডলী, অভিভাবকসহ সকল স্তরের জনতাকে গভীরভাবে ভাবতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ উদ্যোগে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়কে এগুলো থেকে মুক্ত করতে নি¤েœাক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে :

* নতুন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির আগে বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে মাদক, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও নির্যাতনমূলক র‌্যাগিং-এর ক্ষতিকর দিকসমূহ তুলে ধরার জন্য সমাবেশ করা।
* নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শুরুর আগের দিন সকাল বেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে, বিকাল বেলা স্ব-স্ব ফ্যাকাল্টির পক্ষ থেকে এবং সন্ধ্যা বেলা হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওরিয়েন্টেশন ও নবীন বরণের ব্যবস্থা করা
* ক্লাস শুরুর প্রথম দুই সপ্তাহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমোদন সাপেক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্যারিয়ার গঠনমূলক ও রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলোর ওরিয়েন্টেশন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা
* তৃতীয় সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক সাংস্কৃতিক প্রতিভা অনুসন্ধান বিষয়ক অনুষ্ঠান আয়োজন করা ও সেরাদেরকে পুরস্কৃত করা
* চতুর্থ সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কর্তৃক ক্রীড়া প্রতিভা অনুসন্ধান বিষয়ক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা ও সেরাদেরকে পুরস্কৃত করা
* সন্ত্রাস রোধ করতে সকলকে আন্তরিক ও নিরপেক্ষ থেকে ক্ষমতাসীন সরকারের সাথে ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে আন্তরিকভাবে খোলাখুলি আলোচনা করে সন্ত্রাসের কারণ চিহ্নিত করে তা প্রতিকারের শপথ গ্রহণ করা
* শিক্ষাঙ্গনে মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও র‌্যাগিং বন্ধে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকেই সর্বদা সজাগ থাকা এবং প্রয়োজনে গোয়েন্দাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা
* মাদকসেবী, সন্ত্রাসী, র‌্যাগার যেই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা ও জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা
* হল প্রশাসনের জনবল বৃদ্ধি করা ও নিয়মিত হলে অবস্থান করে তদারকি করা
* নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের সকল সুবিধা অসুবিধার বিষয়গুলো জানা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের প্রতি ২৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর জন্য ২ জন শিক্ষককে মেন্টর হিসেবে নিয়োগ দেয়া

* এম এস পাসের এক মাসের মধ্যে হলের সিট বাতিল করা
* সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ সিট বরাদ্দের স্বার্থে প্রতিটি হলের ছাত্র-ছাত্রীদের ডাটাবেজ তৈরি করা
* বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত বস্তি নির্মূল করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নতুন কোনো জায়গা বরাদ্দ না দেয়া ও ভাড়াটিয়া মুক্ত করা
* বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মাদকের ব্যবসা ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নির্মূল করা

আশাকরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক ও ছাত্র-ছাত্রীদের শপথ হোক আমরা গড়ব- মাদক, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও র‌্যাগিংমুক্ত শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা রাখব শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টির রূপকার কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের সম্মান। আমরা রক্ষা করব আমাদের সাংসদ আসাদুজ্জামান খান এমপির অহঙ্কার।
- লেখক: প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

মানবকণ্ঠ/এফএইচ




Loading...
ads





Loading...