শিক্ষা হোক আলোর পথের যাত্রা

রায়হান আহমেদ তপাদার
রায়হান আহমেদ তপাদার - ছবি : সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৬ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:৩৮,  আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:৫৩

আমরা সবাই জানি, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না। একটি জাতির সভ্যতা-সংস্কৃতির উন্নতি-অবনতি সবকিছু নির্ভর করে তার শিক্ষার ওপর। যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত ও সমৃদ্ধ। শিক্ষাহীন ব্যক্তি চোখ থাকতেও অন্ধ আর তাই বলা হয় অজ্ঞতা অন্ধকারের সমতুল্য।

তাই সমাজের জন্য প্রয়োজন শিক্ষার আলো। কিন্তু আজকাল পত্রিকার পাতা খুললেই চোখে পড়ে শিক্ষার মান নিয়ে নানান কথা ও প্রশ্ন। কিন্তু সমস্যা যেন সমস্যাই থেকে যাচ্ছে। এসব জাতীয় মৌলিক বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে না ভাবলে গোটা জাতি চরম ক্ষতির সম্মুখীন হবে। তাই এসব ব্যাপারে এখনই জোরালো পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। বর্তমানে বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসার একটি লক্ষণীয় বাস্তবতা।

এই মুহূর্তে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১০৪টি। বেসরকারি খাতে উচ্চশিক্ষাকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বর্তমানে মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৬৫ ভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। এসব বিশ্ববিদ্যালয় ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০’-এর আলোকে ট্রাস্টি বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক বিশ্ববিদ্যালয় বছরের পর বছর সরকারি কোনো আইন-কানুন বা নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না।

কারণ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে ‘উচ্চশিক্ষার গুণমান নিশ্চিতকরণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠাকরণ’ বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ট্রাস্টি বোর্ডের ভেতর থেকে খুব জোরালোভাবে উত্থাপিত হয়নি। সাম্প্রতিককালে এ বিষয়গুলো শিক্ষাবিদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশীজনকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে আমরা ডাইডেকটিক পেডাগোজিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিচ্ছি। এই ডাইডেকটিক পেডাগোজি হলো শিক্ষক ক্লাসে এসে শিক্ষার্থীদের সামনে একটা লেকচার দেন এবং শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের কাছ থেকে জ্ঞানার্জন করেন। এই শিক্ষণ পদ্ধতি পৃথিবীতে এখন আর সেভাবে নেই। তবে আমাদের ক্লাসগুলো এখনো সেই আগের মতোই রয়ে গেছে। এখনো আমাদের শিক্ষার্থীদের চার দেয়ালের মধ্যেই বসিয়ে পরীক্ষা নিচ্ছি এবং শিক্ষা দিচ্ছি, যা পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো এখন আর নেয় না। তারা সহজ পদ্ধতির দিকে ধাবিত হয়েছে, যা বাংলাদেশে আমরা এখনো আলোচনাই করছি। আসলে আমাদের মানসিকতা এখনো গ্লোবাল হয়নি।

আমাদের কারিকুলাম এখনো পাঠ্যবইকেন্দ্রিক। আমাদের শিক্ষার্থীরা একটা বিষয় মুখস্থ করছে এবং তা পরীক্ষার খাতায় লিখে দিয়ে আসছে। এর বেশি দূর আমরা এগোতে পারিনি। অনেকে বলে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হচ্ছে জ্ঞান বিতরণ করা। কথাটা ঠিক, তবে সেটা তৃতীয় শিল্প বিপ্লব পর্যন্ত ছিল। বর্তমান বিশ্ব এখান থেকে বের হয়ে এসে নতুন একটি পদ্ধতির দিকে ধাবিত হয়েছে। সেটা হলো রিক্রিয়েশন অব নলেজ (জ্ঞানের পুনরুৎপাদন)। এই পদ্ধতির মাধ্যমে যে নলেজ আছে, সেটাকে শিক্ষকদের সহায়তায় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে তৈরি করবে।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে আমাদের কী করতে হবে বা আমাদের কী করা উচিত ছিল? আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কোনদিকে নিয়ে যেতে হবে? আমরা কীভাবে আমাদের শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য তৈরি করব? একটা ক্লাসে যে কজন শিক্ষার্থী আছে তাদের সবার অনুধাবন ক্ষমতা কিন্তু এক নয়। সব শিক্ষার্থীকে যে শিক্ষক বুঝিয়ে দেবেন; সেই ধারণাও সঠিক নয়।

আবার একেকজনকে এককভাবে বোঝাতে হবে। এটাকে বলা হচ্ছে, ডিফারেনশিয়েটেড লার্নিং। ডিফারেনশিয়েটেড লার্নিং ক্লাসে দেয়াটা খুবই কঠিন। তবে প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভব। যেমন ক্লাসের আগে একটি ভিডিও লেকচার তৈরি করে শিক্ষার্থীদের দিয়ে দিলে তারা সেটা দেখে ক্লাসে আসবে। এরপর শিক্ষক দেখবেন যে, কে কে বিষয়টি বুঝতে পারল আর কে কে বুঝতে পারল না। পরে তাদের নিজেদের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার সুযোগ করে দেবেন শিক্ষক। এটিকে আমরা বলছি কোলাবোরেটিভ লার্নিং। কারণ সহপাঠীর কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা খুব সহজে বুঝতে পারে।

এখন তার সহপাঠীকে কে শেখাবে? সহপাঠীকে শিক্ষক শেখাবে অন্যভাবে। এটাকে আমরা বলছি ফ্লিপ লার্নিং, যা বেøন্ডেড লার্নিংয়ের একটি অংশ। বেøন্ডেড লার্নিং পদ্ধতিতে ফেস টু ফেস যেমন থাকবে; তেমনি অডিও, ভিজুয়াল অনলাইন সব থাকবে। এর একটি অংশ হচ্ছে ক্লাসের বাইরে নিয়ে যাওয়া সেটি হচ্ছে ফ্লিপ লার্নিং। এখানে শিক্ষার্থীকে অনলাইন কিংবা যে কোনো ইলেকট্রনিকস যন্ত্রের মাধ্যমে উপাত্ত দেয়া হবে, যা সে ক্লাসের বাইরের সময়ে দেখে আসবে।

দেখে এসে কোলাবোরেটিভ এবং পিয়ার পদ্ধতিতে আলোচনা করবে, যেখানে শিক্ষক একজন সহযোগীর ভ‚মিকা পালন করবেন। আমরা জানি, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হচ্ছে ফিউশন অব ফিজিক্যাল, ডিজিটাল এবং বায়োলজিক্যাল স্ফেয়ার। এখানে ফিজিক্যাল হচ্ছে হিউমেন, বায়োলজিক্যাল হচ্ছে প্রকৃতি এবং ডিজিটাল হচ্ছে টেকনোলজি। এই তিনটিকে আলাদা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে কী হচ্ছে? সমাজে কী ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে? এর ফলে ইন্টেলেকচুয়ালাইজেশন হচ্ছে, হিউমেন মেশিন ইন্টারফেস হচ্ছে এবং রিয়েলটি এবং ভার্চুয়ালিটি এক হয়ে যাচ্ছে।

এখন যদি আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করতে চাই, তাহলে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সি, ফিজিক্যাল ইন্টেলিজেন্সি, সোশ্যাল ইন্টেলিজেন্সি, কনটেস্ট ইন্টেলিজেন্সির মতো বিষয়গুলো তাদের মাথায় প্রবেশ করিয়ে দিতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে আমরা একজন শিক্ষার্থীকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করতে পারব। তবে ভবিষ্যতে কী কী কাজ তৈরি হবে, সেটা অজানা।

এই অজানা ভবিষ্যতের জন্য প্রজন্মকে তৈরি করতে আমরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজাতে হবে; যা শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং গুণগত শিক্ষার সুযোগ তৈরি করে। যথাযথ যোগ্যতা, শিক্ষা, আনুষ্ঠানিক, অনানুষ্ঠানিক, ভৌত বা ডিজিটাল যাই হোক না কেন, এগুলোকে লেগো পদ্ধতিকে রূপান্তর করতে হবে; যাতে পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা তৈরিতে ব্যবহার করতে পারে।

আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় বিভিন্ন কমিটির মাধ্যমে আমরা কারিকুলাম প্রণয়ন করে থাকি। এই পদ্ধতিকে আমরা স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন বলি। কিন্তু স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন মানে হায়ার স্ট্যান্ডার্ড নাও হতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের দক্ষতার উন্নয়ন ঘটিয়ে তাদেরই দক্ষতার প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে নতুন কারিকুলাম পদ্ধতি ও মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রণয়ন করতে হবে। সমাজের শিক্ষাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা পদ্ধতিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মেধা, যোগ্যতা এবং চাহিদার নিরিখে শিক্ষা দিতে হবে। যেহেতু একটি ক্লাসে যে কজন শিক্ষার্থী আছে, তাদের সবার বোঝার ক্ষমতা এক নয়। স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন থেকে বের হয়ে আমাদের পার্সোনালাইজেশনের দিকে যেতে হবে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন নতুন কর্মসূচি এবং নতুন নতুন বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন করতে হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী প্রযুক্তিগত বিষয়গুলোর বিকাশে অধিকতর গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে উল্লিখিত কয়েকটা ভাগে ভাগ করতে পারলে দেশ হিসেবে আমরাও প্রযুক্তির অপ্রত্যাশিত বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্ব দিতে পারব।

তা না পারলে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আমাদের আলোচনায়ই সীমাবদ্ধ থাকবে, আমাদের পিছিয়ে পড়তে হবে অনেকটা পথ। বিশ্ব সভ্যতাকে নতুন মাত্রা দিতে যাচ্ছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব। এ বিপ্লবের প্রক্রিয়া ও সম্ভাব্যতা নিয়ে ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। আলোচনা হচ্ছে আমাদের দেশেও। এ আলোচনার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে এক ধরনের সচেতনতা তৈরি হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অনেক আগে হয়ে গেছে। তৃতীয় শিল্প বিপ্লবের প্রক্রিয়াও শুরু হয় বাংলাদেশের জšে§র আগে।

তবে ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ঘোষণার পর তৃতীয় শিল্প বিপ্লবের প্রভাব আমাদের দেশে পড়তে শুরু করেছে। এখন আমরা স্বপ্ন দেখছি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দেয়ার। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শিল্প বিপ্লবের প্রভাব বাংলাদেশে সেভাবে পড়েনি তার বিবেচনায় বাংলাদেশকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বদানের উপযোগী করে গড়ে তুলে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছেন, যার আইনে বলা হয়েছে, এখান থেকে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে।

মনে রাখতে হবে, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে কোনো মানুষ একা কাজ করতে পারবে না। তাকে সবার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সবার সঙ্গে কাজ করতে গেলে আপনি যা জানেন তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। নতুন জিনিস নিজে থেকে কীভাবে শেখা যায় আমাদের শিক্ষার্থীদের সেভাবে প্রস্তুত করতে হবে। আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আমাদের অপরিচিত ভবিষ্যতের জন্য আমাদের শিক্ষার্থীদের তৈরি করছি না।

বাংলাদেশে আমরা এখন যে প্রফেশনে আছি; সেখানে আমরা একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষা নিয়ে সে বিষয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করছি। এটিকে আমরা বলি ধারাবাহিক দক্ষতার উন্নয়ন। কিন্তু প্রফেশনটা হয়তো একসময় পরিবর্তন হয়ে যাবে। প্রফেশন যেহেতু পরিবর্তন হয়ে যাবে, তাই তাকে অন্য শিক্ষাও নিতে হবে এবং আগের জ্ঞান যেহেতু অনেক সময় কাজে লাগবে না, তাই তাকে লার্ন, আন লার্ন এবং রি লার্ন পদ্ধতির দিকে যেতে হবে। এই পদ্ধতিতে লার্ন হচ্ছে শিক্ষার্থী কোনো একটা বিষয়ে পারদর্শিতা অর্জন করবে। আন লার্ন হচ্ছে সময়ের প্রয়োজনে তার শেখা বিষয়টি ভুলে যাবে এবং রি লার্ন হচ্ছে নতুন একটি প্রযুক্তি আসার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থী তা পুনরায় শিখে নেবে।

এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করতে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। যেমন-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ কে আরো আধুনিক, যুগোপযোগী এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবান্ধব করা; সেই আলোকে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবশ্যই নিজস্ব বিধিমালা থাকা; বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া ও শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে যথাযথ অবকাঠামো নির্মাণ করা; অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলকে যোগ্য, দক্ষ, নির্ভীক এবং নীতিবান ও নিষ্ঠাবান শিক্ষাবিদদের দ্বারা পরিচালিত করা; বাজার চাহিদা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মানসম্মত ও সময়োপযোগী পাঠ্যক্রম তৈরি করা। পাশাপাশি সামাজিক দক্ষতা ও নৈতিকতার মানোন্নয়নে পাঠ্যক্রমকে যুগোপযোগী করা এবং শিক্ষা-শিখন প্রক্রিয়া যাতে মুখস্থনির্ভর না হয়, সেদিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া খুবই জরুরি।
- লেখক: কলামিস্ট




Loading...
ads




Loading...